Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> জীবনচরচা

অটোনমিক নিউরোপ্যাথি কী, হলে কী হয়

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ২৪ জুলাই ২০২৬, ১৭: ৫২
অটোনমিক নিউরোপ্যাথি কী, হলে কী হয়

আমাদের শরীরের অভ্যন্তরীণ অনেক কাজই নিজে নিজে বা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ঘটে থাকে—যেমন হৃদস্পন্দন, রক্তচাপ, হজমপ্রক্রিয়া কিংবা তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ। কিন্তু এই স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থাটি পরিচালনাকারী স্নায়ুগুলো যেকোনো সময় ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তখন চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় এ অবস্থাকে বলা হয় ‘অটোনমিক নিউরোপ্যাথি।’

Advertisement
Advertisement
Advertisement

অটোনমিক নিউরোপ্যাথি কোনো একক রোগ নয়। এটি এমন একটি শারীরিক অবস্থা যেখানে মস্তিষ্ক ও শরীরের অন্যান্য অঙ্গের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদান ব্যাহত হয়। এর ফলে হৃদপিণ্ড, রক্তনালী, মূত্রাশয়, পাকস্থলী ও ঘাম গ্রন্থির মতো গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোর স্বাভাবিক কার্যকারিতা বিঘ্নিত হয়।

কেন হয় এই রোগ?

অটোনমিক নিউরোপ্যাথির পেছনে রয়েছে নানা ধরনের স্বাস্থ্যগত জটিলতা ও রোগের ইতিহাস। যেমন—

Advertisement
Advertisement
Advertisement

ডায়াবেটিস: এটিই অটোনমিক নিউরোপ্যাথির সবচেয়ে প্রধান কারণ। রক্তে শর্করার মাত্রা দীর্ঘদিন অনিয়ন্ত্রিত থাকলে তা শরীরের স্নায়ুগুলোকে ধীরে ধীরে ক্ষতিগ্রস্ত করে।

অটোইমিউন রোগ: যখন শরীরের নিজস্ব রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা (ইমিউন সিস্টেম) ভুলবশত স্নায়ুসহ নিজের অঙ্গপ্রত্যঙ্গেই আক্রমণ চালায়। যেমন— শোগ্রেনস সিন্ড্রোম, লুপাস, রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস, সেলিয়াক ডিজিজ কিংবা দ্রুত ছড়িয়ে পড়া জিল্যাঁ-বারে সিন্ড্রোম।

ক্যানসার ও ওষুধের প্রভাব: ক্যানসারের চিকিৎসা (যেমন কেমোথেরাপির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া) কিংবা ক্যানসারের কারণে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়ায় (প্যারানিওপ্লাস্টিক সিন্ড্রোম) স্নায়ুর ক্ষতি হতে পারে।

সংক্রমণ: এইচআইভি এবং বটুলিজম ও লাইম ডিজিজ সৃষ্টিকারী ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে এটি হতে পারে।

অন্যান্য শারীরিক জটিলতা: শরীরে অস্বাভাবিক প্রোটিন জমা হওয়া (অ্যামাইলয়েডোসিস), পরফায়রিয়া, হাইপোথাইরয়েডিজম এবং নির্দিষ্ট কিছু বংশগত বা জিনগত রোগ।

প্রধান লক্ষণসমূহ

কোন স্নায়ুগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তার ওপর ভিত্তি করে এর উপসর্গ দেখা দেয়:

রক্তচাপ ও হৃদস্পন্দন: হঠাৎ উঠে দাঁড়ালে রক্তচাপ কমে মাথা ঘোরা বা মূর্ছা যাওয়া। এ ছাড়া ব্যায়াম বা শারীরিক পরিশ্রমের সময় হৃদস্পন্দন না বাড়া।

মূত্রাশয়ের জটিলতা: প্রস্রাব শুরু করতে কষ্ট হওয়া, ধরে রাখতে না পারা, মূত্রাশয় পূর্ণ হওয়ার অনুভূতি টের না পাওয়া কিংবা প্রস্রাব পুরোপুরি খালি না হওয়া (যা থেকে ইউটিআই হতে পারে)।

হজমপ্রক্রিয়ার সমস্যা: সামান্য খেয়েই পেট ভরা মনে হওয়া, অরুচি, ডায়রিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য, পেট ফাঁপা, বমি বমি ভাব, খাবার গিলতে কষ্ট ও বুক জ্বালাপোড়া।

যৌন সক্ষমতা হ্রাস: পুরুষদের ইরেকটাইল ডিসফাংশন বা বীর্যপাতজনিত সমস্যা এবং নারীদের ক্ষেত্রে যোনির শুষ্কতা ও যৌন অনুভূতি কমে যাওয়া।

অন্যান্য সূক্ষ্ম পরিবর্তন: রক্তে শর্করা কমে গেলে (হাইপোগ্লাইসেমিয়া) হাত-পা কাঁপার মতো আগাম সতর্কবার্তা না পাওয়া, অতিরিক্ত ঘাম হওয়া বা একেবারেই না হওয়া এবং আলো থেকে অন্ধকারে গেলে চোখের মণি সহজে মানিয়ে নিতে না পারা।

প্রতিরোধ ও সুরক্ষায় করণীয়

অটোনমিক নিউরোপ্যাথির অনেক মূল কারণ (যেমন জিনগত বা ক্যানসার সংক্রান্ত) এড়ানো সম্ভব না হলেও, জীবনযাত্রার অভ্যাসে পরিবর্তন এনে স্নায়ুর ক্ষতির ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো যায়:

ডায়াবেটিস পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রাখা: রক্তে শর্করার মাত্রা কাঙ্ক্ষিত সীমার মধ্যে রাখা স্নায়ু সুরক্ষার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার।

জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন: ধূমপান ও মদ্যপান সম্পূর্ণ ত্যাগ করা, সুষম খাবার গ্রহণ করা এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা।

নিয়মিত শারীরিক সুস্থতা বজায় রাখা: চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত হালকা ব্যায়াম বা হাঁটাহাঁটি করা।

মেডিকেল হিস্ট্রি পর্যবেক্ষণ: অটোইমিউন বা থাইরয়েডের সমস্যা থাকলে তার দ্রুত ও নিয়মিত চিকিৎসা করা।

কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন?

অটোনমিক নিউরোপ্যাথির যেকোনো উপসর্গ দেখা দেওয়া মাত্রই বিলম্ব না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত—বিশেষ করে যদি অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস থাকে।

আমেরিকান ডায়াবেটিস অ্যাসোসিয়েশনের পরামর্শ অনুযায়ী, টাইপ-২ ডায়াবেটিস আক্রান্তদের রোগ শনাক্ত হওয়ার পর থেকেই প্রতি বছর অটোনমিক নিউরোপ্যাথির স্ক্রিনিং করা উচিত। আর টাইপ-১ ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে রোগ শনাক্তের পাঁচ বছর পর থেকে প্রতি বছর এই পরীক্ষা করানো জরুরি। সচেতনতা ও সময়মতো সঠিক চিকিৎসাই এই জটিলতা থেকে শরীরকে রক্ষা করতে পারে।

তথ্যসূত্র: মায়ো ক্লিনিক

বিষয়: স্বাস্থ্যঝুঁকিহৃদরোগমস্তিষ্কজীবনধারাডায়াবেটিসস্বাস্থ্যস্বাস্থ্য টিপসলাইফস্টাইল
সর্বশেষ
  • ১

    মেঘের শারীরিক অবস্থা এখনো ‘অস্থিতিশীল’, মেডিকেল বোর্ড গঠন

  • ২

    তিন দিনে ২৬ হাজার গ্রাহক ১ হাজার ৪০ কোটি টাকা তুলেছেন

  • ৩

    ফিলিপাইনে যাত্রীবাহী ফেরিতে আগুনে নিহত ৫, নিখোঁজ ৮০ জনের বেশি

  • ৪

    বাংলাদেশ থেকে ১০ হাজার কর্মী নেবে ওমান: শামা ওবায়েদ

  • ৫

    হামের নজিরবিহীন প্রাদুর্ভাবে বিপর্যস্ত বাংলাদেশ: রয়টার্স

সম্পর্কিত
  • কীভাবে বুঝবেন আপনি গরিব?

    কীভাবে বুঝবেন আপনি গরিব?

    নিয়মিত বেতন পেয়ে মোটামুটি ভালোভাবে জীবনযাপন করলেও কিন্তু আর্থিক সমস্যা থাকতে পারে। আপনি দৈনন্দিন বিলগুলো হয়তো পরিশোধ করতে পারছেন, কিন্তু হুট করে বড় কোনো খরচ এসে পড়লে সমস্যায় পড়ে যান। তবে এসব লক্ষণ থাকলেই কাউকে গরিব বলা যায় না। এতে বোঝা যায় যে আপনি আর্থিকভাবে চাপে আছেন।

  • ইসবগুলের ভুষি কি আসলেই ওজেম্পিকের বিকল্প?

    ইসবগুলের ভুষি কি আসলেই ওজেম্পিকের বিকল্প?

    তারা সস্তা ও প্রেসক্রিপশন ছাড়া পাওয়া যাবে এমন কিছু জিনিস নিয়ে প্রচার চালাচ্ছেন, যা নাকি ওজেম্পিকের মতো দ্রুত কমাতে পারে। এই তালিকায় সাম্প্রতিক সময় সবচেয়ে বেশি শোনা গেছে ‘সিলিয়াম হাস্ক’-এর নাম। আর এই সিলিয়াম হাস্ক আর কিছুই নয়— আমাদের অতি পরিচিত ইসবগুলের ভুষি।

  • কেন প্রচলিত ‘ক্যারিয়ার পরামর্শ’ জেন জির ক্ষেত্রে ব্যর্থ হচ্ছে

    কেন প্রচলিত ‘ক্যারিয়ার পরামর্শ’ জেন জির ক্ষেত্রে ব্যর্থ হচ্ছে

    সম্ভবত এটাই আগামী দিনের কর্মজগতের নতুন বাস্তবতা, যেখানে সাফল্যের মাপকাঠি কেবল পদোন্নতি বা চাকরির দীর্ঘমেয়াদি নিশ্চয়তা নয়; বরং পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির সঙ্গে নিজেকে দ্রুত খাপ খাইয়ে নেওয়ার সক্ষমতা।

  • ওয়েট লিফটিং কেন নারীদের জন্য সেরা ব্যায়াম

    ওয়েট লিফটিং কেন নারীদের জন্য সেরা ব্যায়াম

    অনেকেই মনে করেন ওজন তুললে নারীরা পুরুষদের মতো পেশীবহুল ও চওড়া হয়ে যাবেন। তবে বিজ্ঞানী জে. ই. আর্প ও তার সহযোগীদের গবেষণা বলছে, পেশীর বৃদ্ধি অনেকাংশে নির্ভর করে টেস্টোস্টেরন নামক হরমোনের ওপর।