
সাইকো থেরাপিস্টদের মতে, অতিরিক্ত ফোন ব্যবহার মস্তিষ্ক ও শরীরে বাস্তব ও পরিমাপযোগ্য ক্ষতি করে।

আমাদের সবারই কমবেশি জোনিং আউট বা অন্যমনস্ক হওয়ার অভিজ্ঞতা আছে। এটি আসলে আমাদের মস্তিষ্কের এক ধরনের আত্মরক্ষামূলক কৌশল। এর কিছু ভালো-মন্দ দিক রয়েছে, আছে এর পিছনের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাও।

এই নতুন গবেষণা দেখাচ্ছে যে, জন্মক্রমের প্রভাব কেবল মানসিক বা সামাজিক নয়, বরং জৈবিক ও পরিবেশগত কারণের সমন্বয়ে গঠিত। অসুস্থতার ঝুঁকি, শৈশবের স্বাস্থ্য এবং বাবা-মায়ের সময়– সবকিছু মিলেই বড় ও ছোট সন্তানের মধ্যে পার্থক্য তৈরি করে।

এক মিলিয়নেরও বেশি মস্তিষ্ক কোষ বিশ্লেষণ করে গবেষকেরা দেখেছেন, পুরুষ ও নারীর মস্তিষ্কে জিনের কার্যক্রম বা ‘জিন এক্সপ্রেশন’-এ সূক্ষ্ম কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে।

প্রচলিত সামাজিক ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করে আধুনিক বিজ্ঞান দিচ্ছে এক চমকপ্রদ এবং ভিন্নধর্মী বার্তা। মনোবিজ্ঞানীদের মতে, এই অদ্ভুত অভ্যাসগুলো আসলে আপনার মস্তিষ্কের প্রখরতা এবং ভাষাগত দক্ষতারই এক গোপন বহিঃপ্রকাশ। আপনার অবহেলিত এই বৈশিষ্ট্যগুলোই আপনাকে ভিড়ের মাঝে অনন্য এবং উচ্চ বুদ্ধিমত্তার অধিকারী করে তুলেছ

যারা নিজের সাথে কথা বলেন, তারা মূলত নিজেদের চিন্তাগুলোকে ভাষার মাধ্যমে একটি কাঠামো দান করেন, যা তাদের সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং সমস্যা সমাধানের ক্ষমতাকে অন্যদের চেয়ে এগিয়ে রাখে।

বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশের জন্য প্রয়োজন বাস্তব পৃথিবীর সাথে সরাসরি সম্পৃক্ততা। একজন মানুষ যখন নিজে হাতে কোনো কাজ করে, প্রকৃতির সান্নিধ্যে যায় কিংবা সরাসরি মানুষের সাথে বিতর্কে জড়ায়, তখন তার মস্তিষ্কের নিউরনগুলোর মধ্যে যে সুসংগত যোগাযোগ তৈরি হয়, তা কেবল স্ক্রিনে তাকিয়ে থাকা অবস্থায় সম্ভব নয়।

ঘুমের আগে মাত্র পাঁচ মিনিট ধ্যান করলেও তা বিস্ময়করভাবে কার্যকর হতে পারে। এটি মস্তিষ্ককে সক্রিয় ও সতর্ক অবস্থা থেকে শান্ত ‘প্যারাসিমপ্যাথেটিক’ অবস্থায় নিয়ে আসে।

এটি কোনো দুর্ঘটনা, ভয়ংকর সহিংসতা, প্রিয়জনের মৃত্যু কিংবা প্রাকৃতিক দুর্যোগ হতে পারে। এ ধরনের ঘটনার পর নিজেকে সামলে নেওয়া একটি দীর্ঘমেয়াদী প্রক্রিয়া।

মস্তিষ্ককে তরুণ রাখতে কোনো জটিল চিকিৎসা নয়, বরং দৈনন্দিন জীবনে কিছু ইতিবাচক শখই যথেষ্ট। গবেষণায় দেখা গেছে, মানসিকভাবে উদ্দীপক কাজ মস্তিষ্কের নিউরনের মধ্যে নতুন সংযোগ তৈরি করে, স্মৃতিশক্তি ও চিন্তাশক্তি বাড়ায়।

গবেষণায় আরো দেখা গেছে, দু-এক তলা সিঁড়িতে ওঠা আমাদের বুদ্ধিবৃত্তিক ক্ষমতার ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। যেমন-সমস্যা সমাধানের দক্ষতা, স্মৃতিশক্তির উন্নতি এবং সৃজনশীল চিন্তা করার ক্ষমতা বৃদ্ধি করা।

শরীর ও মস্তিষ্কের সুস্থতার জন্য প্রতিদিন গড়ে ৭-৯ ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন। এর কম ঘুমালে কী ধরনের প্রভাব পড়ে?

সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে যে ‘ফ্রেন্ডস’ বা ‘দ্য বিগ ব্যাং থিওরি’র বা আমাদের দেশের ‘বন্ধন’ বা ‘আজ রবিবার’-এর মতো টিভি সিরিজ পুনরায় দেখা কেবল অভ্যাসের চেয়েও বেশি কিছু। মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন এটি এক ধরণের ‘সেল্ফ কেয়ার’।

বাইরে যাওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া থেকে শুরু করে দৈনন্দিন জীবনের নানা কাজ- সবকিছুই এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ৩০ সেকেন্ডের শর্ট ভিডিওতে দেখা যায়। এগুলো ‘রিলস’ নামে পরিচিত। অতিরিক্ত রিলস দেখার কারণে মানুষের একদিকে মানুষের মনোযোগ কমে যাচ্ছে সেইসঙ্গে জ্ঞানগত দক্ষতারও অবনতি হচ্ছে।

বাইরে যাওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া থেকে শুরু করে দৈনন্দিন জীবনের নানা কাজ- সবকিছুই এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ৩০ সেকেন্ডের শর্ট ভিডিওতে দেখা যায়। এগুলো ‘রিলস’ নামে পরিচিত। অতিরিক্ত রিলস দেখার কারণে মানুষের একদিকে মানুষের মনোযোগ কমে যাচ্ছে সেইসঙ্গে জ্ঞানগত দক্ষতারও অবনতি হচ্ছে।