Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> জীবনচরচা

ফোন দেখার নেশা কাটাবেন যেভাবে

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ০৫ মে ২০২৬, ২১: ২২
ফোন দেখার নেশা কাটাবেন যেভাবে

বারবার ফোন চেক করার অভ্যাস কোনোভাবে থামাতে পারছেন না? অনেকের কাছে এটি সাধারণ অভ্যাস মনে হলেও কিন্তু ধীরে ধীরে এটি আসক্তিতে পরিণত হতে পারে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

এই অভ্যাস কাটিয়ে ওঠার জন্য এক প্রতিবেদনে বিশেষজ্ঞদের কিছু বাস্তবসম্মত পরামর্শ তুলে ধরেছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস।

ফোন আসক্তি কী?

মনোবিদদের ভাষ্য, মস্তিষ্ক যখন অস্বস্তি এড়াতে ফোনের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে, তখন তাকে ফোন আসক্তি বলে। তখন চাপ, একঘেয়েমি বা একাকীত্ব মোকাবিলার সবচেয়ে সহজলভ্য উপায় হয়ে ওঠে ফোন। এ থেকে যত বেশি স্বস্তি পাওয়া যায়, ততই মস্তিষ্ক এর ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। একসময় এটি স্বয়ংক্রিয় অভ্যাসে পরিণত হয়। চিন্তা না করেই মানুষ ফোন হাতে তুলে নেয়, যদিও তা বাস্তব জীবন থেকে তাকে দূরে সরিয়ে দেয়।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

কখন এটি সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়?

বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু লক্ষণ দেখলে বোঝা যায় বিষয়টি সমস্যা হয়ে উঠছে। যেমন:

  • কোনো কাজের মাঝখানে ফোন খুলে আগের কাজ ভুলে যাওয়া
  • মানসিক চাপ বা অতিরিক্ত উত্তেজনা অনুভব করলে স্ক্রল করা
  • ঘুম থেকে উঠেই ফোন চেক করা
  • ব্যবহার না করলেও সবসময় সঙ্গে রাখা
  • নীরব মুহূর্তেও অকারণে ফোন দেখা
  • কথোপকথনের সময় ফোন হাতে নেওয়া
  • ফোন কাছে না থাকলে অস্থিরতা অনুভব করা
ক্যানসারের যে ৫টি লক্ষণ অবহেলা করা উচিত নয়Cancer

থামানো কঠিন কেন?

মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, মানুষের মস্তিষ্ক দ্রুত অস্বস্তি কমাতে চায়, আর ফোন কয়েক সেকেন্ডেই তাৎক্ষণিক স্বস্তি দেয়। ফলে এটি দ্রুততম সমাধান হিসেবে অভ্যাসে পরিণত হয়।

মানুষের মস্তিষ্ক দ্রুত অস্বস্তি কমাতে চায়, আর ফোন কয়েক সেকেন্ডেই তাৎক্ষণিক স্বস্তি দেয়। প্রতীকী ছবি: ম্যাগনিফিক
মানুষের মস্তিষ্ক দ্রুত অস্বস্তি কমাতে চায়, আর ফোন কয়েক সেকেন্ডেই তাৎক্ষণিক স্বস্তি দেয়। প্রতীকী ছবি: ম্যাগনিফিক

ফোন ব্যবহারের এই অভ্যাস যত বেশি কাজ করে, মস্তিষ্ক তত দ্রুত একটি ‘শর্টকাট’ তৈরি করে ফেলে। যেমন:

একঘেয়েমি লাগলে উদ্দীপনা পেতে ফোন খোলা, উদ্বেগে স্ক্রল করে নিজেকে স্থির করা, একাকীত্বে নোটিফিকেশন দেখে সাময়িক স্বস্তি পাওয়া কিংবা ক্লান্তিতে ফোনে সময় কাটিয়ে দ্রুত শক্তি পাওয়ার চেষ্টা–এভাবেই গড়ে ওঠে আসক্তির চক্র।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে তাৎক্ষণিক স্বস্তি মিললেও দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতি হয়।

মস্তিষ্ক ও শরীরে প্রভাব

সাইকো থেরাপিস্টদের মতে, অতিরিক্ত ফোন ব্যবহার মস্তিষ্ক ও শরীরে বাস্তব ও পরিমাপযোগ্য ক্ষতি করে। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:

  • চিন্তার গতি কমে যায়, অতিরিক্ত এক ঘণ্টা ব্যবহারও প্রভাব ফেলতে পারে
  • মনোযোগ, আবেগ নিয়ন্ত্রণ ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতার সঙ্গে যুক্ত মস্তিষ্কের অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়
  • স্বল্পমেয়াদি স্মৃতিশক্তি দুর্বল হয়ে পড়ে
  • মস্তিষ্ক সবসময় সক্রিয় অবস্থায় থাকে, ফলে বিশ্রাম নেওয়া কঠিন হয়
  • ঘুমের স্বাভাবিক ছন্দ নষ্ট হয়
  • ঘাড়ে ব্যথা, মাথাব্যথা ও চোখে ক্লান্তি তৈরি হয়
যে ৫ অভ্যাসে কমতে পারে পিঠের ব্যথাBack pain

কীভাবে এই চক্র ভাঙবেন

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, ফোন যত কাছে থাকবে, তত দ্রুত তা হাতে নেওয়ার প্রবণতা তৈরি হয়। তাই কিছুটা দূরত্ব তৈরি করাই প্রথম ধাপ। এরজন্য যা করা যেতে পারে–

  • কাজের সময় ফোন অন্য কক্ষে রাখা
  • খাওয়ার সময় ড্রয়ারে রাখা
  • হাঁটার সময় পকেটে রাখা
  • কারো সঙ্গে থাকলে চোখের আড়ালে রাখা
  • টিভি দেখার সময় দূরে রাখা
  • একঘেয়েমি লাগলে কিছুক্ষণ তা সহ্য করার চেষ্টা করা
অতিরিক্ত ফোন ব্যবহার মস্তিষ্ক ও শরীরে বাস্তব ও পরিমাপযোগ্য ক্ষতি করে। প্রতীকী ছবি: ম্যাগনিফিক
অতিরিক্ত ফোন ব্যবহার মস্তিষ্ক ও শরীরে বাস্তব ও পরিমাপযোগ্য ক্ষতি করে। প্রতীকী ছবি: ম্যাগনিফিক

অভ্যাস বদলের আরও উপায়

বিশেষজ্ঞরা জানান, ঘুম থেকে ওঠার পর মস্তিষ্ক এমন এক অবস্থায় থাকে, যখন নতুন অভ্যাস গড়ে তোলা সহজ। তাদের পরামর্শ:

  • ঘুম থেকে উঠে ফোন ব্যবহার না করে শরীরচর্চা বা শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম করুন
  • বেশি ব্যবহৃত অ্যাপগুলো শেষ পেজে সরিয়ে রাখুন
  • ফোন গ্রেস্কেল মোডে ব্যবহার করুন
  • স্ক্রিন টাইমের জন্য পাসকোড ব্যবহার করুন
  • প্রতিদিন অ্যাপ থেকে লগ আউট করুন
  • অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ মুছে ফেলুন
  • সময় দেখার জন্য ঘড়ি ব্যবহার করুন

দুই সপ্তাহের রিসেট পদ্ধতি

সম্পূর্ণ বাদ দিয়ে নয়, বরং ১৪ দিনের নিয়ন্ত্রিত অভ্যাসই যথেষ্ট বলে মনে করেন মনোবিদরা। প্রতিদিন ৩০ মিনিটের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে সীমাবদ্ধ থাকলে মেজাজ, ঘুম, মনোযোগ উন্নত হয়।

এজন্য প্রতিদিন কতবার ফোন ধরছেন, কখন ঘুমাতে যাচ্ছেন এবং কেমন লাগছে–তা লিখে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ১৪ দিন পর নিজের পরিবর্তন তুলনা করলে ইতিবাচক ফল স্পষ্ট হবে।

বিষয়: মানসিক স্বাস্থ্যমস্তিষ্কজীবনধারামোবাইল ফোনবিশেষজ্ঞস্বাস্থ্যপরামর্শ
সর্বশেষ
  • ১

    লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

  • ২

    মহাখালীতে পরিত্যক্ত ভবনে আগুন

  • ৩

    রাজধানীর ধানমন্ডিতে ভবনে আগুন

  • ৪

    হংকংয়ের বিনিয়োগ আকর্ষণে বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব বাংলাদেশের

  • ৫

    মেঘের শারীরিক অবস্থা এখনো ‘অস্থিতিশীল’, মেডিকেল বোর্ড গঠন

সম্পর্কিত
  • কীভাবে বুঝবেন আপনি গরিব?

    কীভাবে বুঝবেন আপনি গরিব?

    নিয়মিত বেতন পেয়ে মোটামুটি ভালোভাবে জীবনযাপন করলেও কিন্তু আর্থিক সমস্যা থাকতে পারে। আপনি দৈনন্দিন বিলগুলো হয়তো পরিশোধ করতে পারছেন, কিন্তু হুট করে বড় কোনো খরচ এসে পড়লে সমস্যায় পড়ে যান। তবে এসব লক্ষণ থাকলেই কাউকে গরিব বলা যায় না। এতে বোঝা যায় যে আপনি আর্থিকভাবে চাপে আছেন।

  • ইসবগুলের ভুষি কি আসলেই ওজেম্পিকের বিকল্প?

    ইসবগুলের ভুষি কি আসলেই ওজেম্পিকের বিকল্প?

    তারা সস্তা ও প্রেসক্রিপশন ছাড়া পাওয়া যাবে এমন কিছু জিনিস নিয়ে প্রচার চালাচ্ছেন, যা নাকি ওজেম্পিকের মতো দ্রুত কমাতে পারে। এই তালিকায় সাম্প্রতিক সময় সবচেয়ে বেশি শোনা গেছে ‘সিলিয়াম হাস্ক’-এর নাম। আর এই সিলিয়াম হাস্ক আর কিছুই নয়— আমাদের অতি পরিচিত ইসবগুলের ভুষি।

  • কেন প্রচলিত ‘ক্যারিয়ার পরামর্শ’ জেন জির ক্ষেত্রে ব্যর্থ হচ্ছে

    কেন প্রচলিত ‘ক্যারিয়ার পরামর্শ’ জেন জির ক্ষেত্রে ব্যর্থ হচ্ছে

    সম্ভবত এটাই আগামী দিনের কর্মজগতের নতুন বাস্তবতা, যেখানে সাফল্যের মাপকাঠি কেবল পদোন্নতি বা চাকরির দীর্ঘমেয়াদি নিশ্চয়তা নয়; বরং পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির সঙ্গে নিজেকে দ্রুত খাপ খাইয়ে নেওয়ার সক্ষমতা।

  • ওয়েট লিফটিং কেন নারীদের জন্য সেরা ব্যায়াম

    ওয়েট লিফটিং কেন নারীদের জন্য সেরা ব্যায়াম

    অনেকেই মনে করেন ওজন তুললে নারীরা পুরুষদের মতো পেশীবহুল ও চওড়া হয়ে যাবেন। তবে বিজ্ঞানী জে. ই. আর্প ও তার সহযোগীদের গবেষণা বলছে, পেশীর বৃদ্ধি অনেকাংশে নির্ভর করে টেস্টোস্টেরন নামক হরমোনের ওপর।