চরচা প্রতিবেদক

সমুদ্রে তেল ও গ্যাস অনুসন্ধান কার্যক্রম জোরদার করার লক্ষ্যে নতুন অফশোর বিডিং রাউন্ড আয়োজনের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক কোম্পানিগুলোকে আকৃষ্ট করতে উৎপাদন বণ্টন চুক্তি (পিএসসি) হালনাগাদ করা হচ্ছে বলে সংসদে জানিয়েছেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
জাতীয় সংসদে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. নুরুল ইসলামের টেবিলে উপস্থাপিত লিখিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশ অফশোর বিডিং রাউন্ড ২০২৪–এর অভিজ্ঞতা এবং আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন দেশের প্রোডাকশন শেয়ারিং কনট্র্যাক্ট (পিএসসি) পর্যালোচনার ভিত্তিতে বিদ্যমান‘ বাংলাদেশ অফশোর মডেল পিএসসি ২০২৩’ হালনাগাদের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। খসড়া প্রণয়ন করে তা লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের মতামতের জন্য পাঠানো হয়েছে।”
মন্ত্রী আরও জানান, প্রস্তাবিত ‘বাংলাদেশ অফশোর মডেল পিএসসি ২০২৬’ অনুমোদনের পর হালনাগাদকৃত চুক্তির আওতায় গভীর ও অগভীর সমুদ্রে নতুন গ্যাস ও তেল অনুসন্ধান কর্মসূচি জোরদার করা হবে। এ লক্ষ্যেই শিগগিরই নতুন অফশোর বিডিং রাউন্ড আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।
এর আগে বাংলাদেশ সবশেষ অফশোর বিডিং রাউন্ড ২০২৪ ঘোষণা করে গভীর ও অগভীর সমুদ্রের একাধিক ব্লক আন্তর্জাতিক কোম্পানির জন্য উন্মুক্ত করে।
পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, মোট ২০টির বেশি ব্লক (গভীর সমুদ্রে ~১৫টি, অগভীর সমুদ্রে ~৮টি) অফার করা হয়। তবে প্রত্যাশিত সাড়া মেলেনি। কয়েকটি আন্তর্জাতিক কোম্পানি আগ্রহ দেখালেও বড় পরিসরে বিড জমা পড়েনি বলে জ্বালানি বিভাগ সূত্রে জানা যায়।
বিশ্লেষকদের মতে, গ্যাসের মূল্য নির্ধারণে অনিশ্চয়তা, উচ্চ ঝুঁকি ও বিনিয়োগ পুনরুদ্ধারের সীমাবদ্ধতা, এই তিন কারণে আইওসিগুলোর অংশগ্রহণ সীমিত ছিল। ফলে সরকার এখন ‘মডেল পিএসসি ২০২৩’ সংশোধন করে ‘পিএসসি ২০২৬’ আনার মাধ্যমে শর্ত আরও বিনিয়োগবান্ধব করার পথে হাঁটছে।

সমুদ্রে তেল ও গ্যাস অনুসন্ধান কার্যক্রম জোরদার করার লক্ষ্যে নতুন অফশোর বিডিং রাউন্ড আয়োজনের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক কোম্পানিগুলোকে আকৃষ্ট করতে উৎপাদন বণ্টন চুক্তি (পিএসসি) হালনাগাদ করা হচ্ছে বলে সংসদে জানিয়েছেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
জাতীয় সংসদে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. নুরুল ইসলামের টেবিলে উপস্থাপিত লিখিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশ অফশোর বিডিং রাউন্ড ২০২৪–এর অভিজ্ঞতা এবং আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন দেশের প্রোডাকশন শেয়ারিং কনট্র্যাক্ট (পিএসসি) পর্যালোচনার ভিত্তিতে বিদ্যমান‘ বাংলাদেশ অফশোর মডেল পিএসসি ২০২৩’ হালনাগাদের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। খসড়া প্রণয়ন করে তা লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের মতামতের জন্য পাঠানো হয়েছে।”
মন্ত্রী আরও জানান, প্রস্তাবিত ‘বাংলাদেশ অফশোর মডেল পিএসসি ২০২৬’ অনুমোদনের পর হালনাগাদকৃত চুক্তির আওতায় গভীর ও অগভীর সমুদ্রে নতুন গ্যাস ও তেল অনুসন্ধান কর্মসূচি জোরদার করা হবে। এ লক্ষ্যেই শিগগিরই নতুন অফশোর বিডিং রাউন্ড আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।
এর আগে বাংলাদেশ সবশেষ অফশোর বিডিং রাউন্ড ২০২৪ ঘোষণা করে গভীর ও অগভীর সমুদ্রের একাধিক ব্লক আন্তর্জাতিক কোম্পানির জন্য উন্মুক্ত করে।
পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, মোট ২০টির বেশি ব্লক (গভীর সমুদ্রে ~১৫টি, অগভীর সমুদ্রে ~৮টি) অফার করা হয়। তবে প্রত্যাশিত সাড়া মেলেনি। কয়েকটি আন্তর্জাতিক কোম্পানি আগ্রহ দেখালেও বড় পরিসরে বিড জমা পড়েনি বলে জ্বালানি বিভাগ সূত্রে জানা যায়।
বিশ্লেষকদের মতে, গ্যাসের মূল্য নির্ধারণে অনিশ্চয়তা, উচ্চ ঝুঁকি ও বিনিয়োগ পুনরুদ্ধারের সীমাবদ্ধতা, এই তিন কারণে আইওসিগুলোর অংশগ্রহণ সীমিত ছিল। ফলে সরকার এখন ‘মডেল পিএসসি ২০২৩’ সংশোধন করে ‘পিএসসি ২০২৬’ আনার মাধ্যমে শর্ত আরও বিনিয়োগবান্ধব করার পথে হাঁটছে।

বিশ্লেষকদের মতে, গ্যাসের মূল্য নির্ধারণে অনিশ্চয়তা, উচ্চ ঝুঁকি ও বিনিয়োগ পুনরুদ্ধারের সীমাবদ্ধতা, এই তিন কারণে আইওসিগুলোর অংশগ্রহণ সীমিত ছিল। ফলে সরকার এখন ‘মডেল পিএসসি ২০২৩’ সংশোধন করে ‘পিএসসি ২০২৬’ আনার মাধ্যমে শর্ত আরও বিনিয়োগবান্ধব করার পথে হাঁটছে।