Advertisement Banner

কুয়েত ও বাহরাইনে পাল্টা হামলার দাবি ইরানের

চরচা ডেস্ক
চরচা ডেস্ক
কুয়েত ও বাহরাইনে পাল্টা হামলার দাবি ইরানের
ছবি: রয়টার্স

ইরানের টানা দ্বিতীয় দিনের মতো যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে কুয়েত ও বাহরাইনের ভূখণ্ডে বিভিন্ন মার্কিন স্থাপনায় হামলার দাবি করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী কোর (আইআরজিসি)।

স্থানীয় সময় শনিবার এসব হামলা চালানো হয়।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, আইআরজিসি দাবি, তারা কুয়েতের আলি আল সালেম বিমানঘাঁটি এবং বাহরাইনের রাজধানী মানামার পোর্ট সালমানে অবস্থানরত মার্কিন পঞ্চম নৌবহরকে লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে।

ইরানের এসব হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাহরাইনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এই হামলাকে উপসাগরীয় দেশটির সার্বভৌমত্বের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক মার্কিন কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, ইরানের হামলার পর এখন পর্যন্ত বাহরাইন ও কুয়েতে কোনো হতাহত বা মার্কিন স্থাপনায় ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

এর আগে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড এক বিবৃতিতে বলেছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে ইরানের বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে।

সেন্টকম বলেছে, হামলায় ইরানের সামরিক নজরদারি অবকাঠামো, যোগাযোগব্যবস্থা, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ড্রোন মজুতকেন্দ্র এবং মাইন স্থাপনের সক্ষমতাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।

গত ১৭ জুন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে একটি প্রাথমিক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছিল। তবে এরপর দফায় দফায় হামলার কারণে সেই সমঝোতা ভেঙে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

হামলার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ইরান ওয়াশিংটনের প্রত্যাশা পূরণ না করলে শনিবারের এই হামলা আরও ভয়াবহ যুদ্ধে রূপ নিতে পারে। তিনি যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের জন্য ইরানের কঠোর সমালোচনা করেন। যদিও উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে একই অভিযোগ করে আসছে।

এর আগে শনিবার ভোরে পানামার পতাকাবাহী ট্যাঙ্কার ‘কিকু’ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করার সময় হামলার শিকার হয়। তবে এ হামলায় কোনো নাবিক আহত হননি এবং বহন করা তেলেরও কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।

সম্পর্কিত