রাজশাহী প্রতিনিধি

কঠোর নিরাপত্তা আর লোহার শিকল বাধা হতে পারেনি এক বাবার আকুতির কাছে। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত এক বন্দি বাবাকে আজ রোববার তার মৃত সন্তানের মুখ দেখার সুযোগ করে দিয়েছে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষ।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের বাসিন্দা দুলাল মিয়া বর্তমানে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে যাবজ্জীবন সাজা ভোগ করছেন। গতকাল শনিবার এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারায় তার আদরের সন্তান আব্দুল্লাহ। সন্তানের আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবারে শোকের ছায়া নেমে আসে। কারাগারে থাকা দুলাল এই খবর শুনে কান্নায় ভেঙে পড়েন। শেষবারের মতো সন্তানকে দেখার জন্য ব্যাকুল হয়ে ওঠেন তিনি। তার স্ত্রীর পক্ষ থেকেও কর্তৃপক্ষের কাছে মানবিক আবেদন জানানো হয়।
আবেদনটির গুরুত্ব বিবেচনা করে কারা মহাপরিদর্শকের মৌখিক নির্দেশনায় দ্রুত ব্যবস্থা নেয় কারা কর্তৃপক্ষ। সিনিয়র জেল সুপার আল মামুনের তত্ত্বাবধানে কারাগারের প্রধান ফটকে নিয়ে আসা হয় আব্দুল্লাহর মরদেহ। কঠোর নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যেই বন্দি দুলালকে সুযোগ করে দেওয়া হয় ছেলেকে দেখার।
কারাগারের গেটে তখন এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। ছেলের নিথর দেহ স্পর্শ করে অঝোরে কাঁদতে থাকেন দুলাল। সেই দৃশ্য দেখে সেখানে উপস্থিত কারারক্ষী ও স্বজনদের অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।
কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আইন ও নিরাপত্তার বলয়ে থেকেও মানবিক মূল্যবোধকে গুরুত্ব দিতেই এই বিশেষ ব্যবস্থা। স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, কঠোর নিয়মের মধ্যেও প্রশাসনের এমন সহমর্মিতা সমাজে ইতিবাচক বার্তা দেয় এবং রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা বৃদ্ধি করে।

কঠোর নিরাপত্তা আর লোহার শিকল বাধা হতে পারেনি এক বাবার আকুতির কাছে। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত এক বন্দি বাবাকে আজ রোববার তার মৃত সন্তানের মুখ দেখার সুযোগ করে দিয়েছে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষ।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের বাসিন্দা দুলাল মিয়া বর্তমানে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে যাবজ্জীবন সাজা ভোগ করছেন। গতকাল শনিবার এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারায় তার আদরের সন্তান আব্দুল্লাহ। সন্তানের আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবারে শোকের ছায়া নেমে আসে। কারাগারে থাকা দুলাল এই খবর শুনে কান্নায় ভেঙে পড়েন। শেষবারের মতো সন্তানকে দেখার জন্য ব্যাকুল হয়ে ওঠেন তিনি। তার স্ত্রীর পক্ষ থেকেও কর্তৃপক্ষের কাছে মানবিক আবেদন জানানো হয়।
আবেদনটির গুরুত্ব বিবেচনা করে কারা মহাপরিদর্শকের মৌখিক নির্দেশনায় দ্রুত ব্যবস্থা নেয় কারা কর্তৃপক্ষ। সিনিয়র জেল সুপার আল মামুনের তত্ত্বাবধানে কারাগারের প্রধান ফটকে নিয়ে আসা হয় আব্দুল্লাহর মরদেহ। কঠোর নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যেই বন্দি দুলালকে সুযোগ করে দেওয়া হয় ছেলেকে দেখার।
কারাগারের গেটে তখন এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। ছেলের নিথর দেহ স্পর্শ করে অঝোরে কাঁদতে থাকেন দুলাল। সেই দৃশ্য দেখে সেখানে উপস্থিত কারারক্ষী ও স্বজনদের অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।
কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আইন ও নিরাপত্তার বলয়ে থেকেও মানবিক মূল্যবোধকে গুরুত্ব দিতেই এই বিশেষ ব্যবস্থা। স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, কঠোর নিয়মের মধ্যেও প্রশাসনের এমন সহমর্মিতা সমাজে ইতিবাচক বার্তা দেয় এবং রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা বৃদ্ধি করে।

সহপাঠী ইফাদ জানান, দুপুরে ১৫ থেকে ১৬ জন বন্ধু মিলে ডেমরার কোনাপাড়া বালুরমাঠ এলাকার ‘শামসি গ্যালারি’ সুইমিং পুলে গোসল করতে যান তারা। শাকিব সাঁতার জানতেন না, তাই তাকে তুলনামূলক নিরাপদ স্থানে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়। এক পর্যায়ে অন্যরা সাঁতার কাটার সময় সবার অগোচরে তিনি পানিতে নেমে ডুবে যান।