চরচা ডেস্ক

আমেরিকান কোম্পানি লকহিড মার্টিন এবং বোয়িংয়ের কাছ থেকে কয়েক বিলিয়ন ডলার মূল্যের দুই স্কোয়াড্রন উন্নত যুদ্ধবিমান এফ-৩৫ ও এফ-১৫আইএ কেনার পরিকল্পনায় চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে ইসরায়েল। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, স্থানীয় সময় রোববার ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানায়।
ইসরায়েলের ক্রয় বিষয়ক মন্ত্রী পর্যায়ের কমিটি এই চুক্তিটি অনুমোদন করেছে। এটি ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীকে শক্তিশালী করার জন্য মোট ১১৯ বিলিয়ন ডলার প্রকল্পের প্রথম ধাপ, যার লক্ষ্য হলো আগামী এক দশকের নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ইসরায়েলের প্রস্তুতি বৃদ্ধি এবং মধ্যপ্রাচ্যে কৌশলগত আকাশপথের সক্ষমতা বজায় রাখা।
এই ক্রয় চুক্তিতে আমেরিকান কোম্পানি লকহিড মার্টিন থেকে ইসরায়েল তাদের চতুর্থ প্রজন্মের এফ-৩৫ স্কোয়াড্রন যুদ্ধবিমান কিনবে। অন্যদিকে, বোয়িং থেকে কেনা হবে দ্বিতীয় এফ-১৫আইএ স্কোয়াড্রন যুদ্ধবিমান।
এর আগে, গত ডিসেম্বরে বোয়িংয়ের সঙ্গে ৮ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলারের একটি চুক্তি হয়েছিল, যার মধ্যে ২৫টি নতুন এফ-১৫আইএ এবং আরও ২৫টি একই ধরনের যুদ্ধবিমান ক্রয়ের সুযোগ রয়েছে।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক আমির বারাম বলেন, “বর্তমান যুদ্ধে প্রয়োজনীয়তার পাশাপাশি, পরবর্তী দশ বছর এবং তার পরেও আইডিএফের সামরিক সক্ষমতা নিশ্চিত করার জন্য এখনই পদক্ষেপ নেওয়া আমাদের দায়িত্ব।”
মহাপরিচালক আমির বারাম আরও জানান, ইরানের সঙ্গে সাম্প্রতিক যুদ্ধ প্রমাণ করেছে, আমেরিকা -ইসরায়েল কৌশলগত সম্পর্ক এবং উন্নত বিমান শক্তি কতটা গুরুত্বপূর্ণ। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে বিমান হামলার ঘটনা ঘটলেও ৮ এপ্রিল থেকে একটি যুদ্ধবিরতি চলছে।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ বলেন, “এই নতুন বিমানগুলো প্রযুক্তির ক্ষেত্রে এক বিশাল পরিবর্তন আনবে। এতে থাকবে, স্বয়ংক্রিয় উড্ডয়ন ক্ষমতা, পরবর্তী প্রজন্মের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, মহাকাশে ইসরায়েলি সামরিক আধিপত্য প্রতিষ্ঠার শক্তি।”
কাটজ আরও জানান, তাদের লক্ষ্য হলো আইডিএফকে এমনভাবে শক্তিশালী করা, যেন তারা যেকোনো স্থানে এবং যেকোনো সময় শত্রু দমনে সক্ষম হয়। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর থেকেই ইসরায়েলি বিমান বাহিনী গাজা ও লেবাননে ইরানপন্থী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে।

আমেরিকান কোম্পানি লকহিড মার্টিন এবং বোয়িংয়ের কাছ থেকে কয়েক বিলিয়ন ডলার মূল্যের দুই স্কোয়াড্রন উন্নত যুদ্ধবিমান এফ-৩৫ ও এফ-১৫আইএ কেনার পরিকল্পনায় চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে ইসরায়েল। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, স্থানীয় সময় রোববার ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানায়।
ইসরায়েলের ক্রয় বিষয়ক মন্ত্রী পর্যায়ের কমিটি এই চুক্তিটি অনুমোদন করেছে। এটি ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীকে শক্তিশালী করার জন্য মোট ১১৯ বিলিয়ন ডলার প্রকল্পের প্রথম ধাপ, যার লক্ষ্য হলো আগামী এক দশকের নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ইসরায়েলের প্রস্তুতি বৃদ্ধি এবং মধ্যপ্রাচ্যে কৌশলগত আকাশপথের সক্ষমতা বজায় রাখা।
এই ক্রয় চুক্তিতে আমেরিকান কোম্পানি লকহিড মার্টিন থেকে ইসরায়েল তাদের চতুর্থ প্রজন্মের এফ-৩৫ স্কোয়াড্রন যুদ্ধবিমান কিনবে। অন্যদিকে, বোয়িং থেকে কেনা হবে দ্বিতীয় এফ-১৫আইএ স্কোয়াড্রন যুদ্ধবিমান।
এর আগে, গত ডিসেম্বরে বোয়িংয়ের সঙ্গে ৮ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলারের একটি চুক্তি হয়েছিল, যার মধ্যে ২৫টি নতুন এফ-১৫আইএ এবং আরও ২৫টি একই ধরনের যুদ্ধবিমান ক্রয়ের সুযোগ রয়েছে।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক আমির বারাম বলেন, “বর্তমান যুদ্ধে প্রয়োজনীয়তার পাশাপাশি, পরবর্তী দশ বছর এবং তার পরেও আইডিএফের সামরিক সক্ষমতা নিশ্চিত করার জন্য এখনই পদক্ষেপ নেওয়া আমাদের দায়িত্ব।”
মহাপরিচালক আমির বারাম আরও জানান, ইরানের সঙ্গে সাম্প্রতিক যুদ্ধ প্রমাণ করেছে, আমেরিকা -ইসরায়েল কৌশলগত সম্পর্ক এবং উন্নত বিমান শক্তি কতটা গুরুত্বপূর্ণ। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে বিমান হামলার ঘটনা ঘটলেও ৮ এপ্রিল থেকে একটি যুদ্ধবিরতি চলছে।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ বলেন, “এই নতুন বিমানগুলো প্রযুক্তির ক্ষেত্রে এক বিশাল পরিবর্তন আনবে। এতে থাকবে, স্বয়ংক্রিয় উড্ডয়ন ক্ষমতা, পরবর্তী প্রজন্মের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, মহাকাশে ইসরায়েলি সামরিক আধিপত্য প্রতিষ্ঠার শক্তি।”
কাটজ আরও জানান, তাদের লক্ষ্য হলো আইডিএফকে এমনভাবে শক্তিশালী করা, যেন তারা যেকোনো স্থানে এবং যেকোনো সময় শত্রু দমনে সক্ষম হয়। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর থেকেই ইসরায়েলি বিমান বাহিনী গাজা ও লেবাননে ইরানপন্থী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে।

সহপাঠী ইফাদ জানান, দুপুরে ১৫ থেকে ১৬ জন বন্ধু মিলে ডেমরার কোনাপাড়া বালুরমাঠ এলাকার ‘শামসি গ্যালারি’ সুইমিং পুলে গোসল করতে যান তারা। শাকিব সাঁতার জানতেন না, তাই তাকে তুলনামূলক নিরাপদ স্থানে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়। এক পর্যায়ে অন্যরা সাঁতার কাটার সময় সবার অগোচরে তিনি পানিতে নেমে ডুবে যান।