
ইউনের আইনজীবীরা এই রায়কে পূর্ব-পরিকল্পিত চিত্রনাট্য বলে দাবি করেছেন। রায় ঘোষণার সময় আদালতের বাইরে ইউনের সমর্থক ও বিরোধীদের পাল্টাপাল্টি অবস্থান এবং ব্যাপক পুলিশি মোতায়েন দক্ষিণ কোরিয়ার গভীর রাজনৈতিক মেরুকরণকে স্পষ্ট করে তোলে।

অধ্যাদেশে আরও বলা হয়েছে, গুমের ফলে কোনো ব্যক্তির মৃত্যু হলে বা পাঁচ বছরেও তাকে জীবিত বা মৃত উদ্ধার করা সম্ভব না হলে, অভিযুক্ত ব্যক্তির সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হবে।

তালিকায় কোনো নারী বন্দি নেই, যদিও প্রস্তাবে নারী–পুরুষ উভয়কেই অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। মুক্তি পেতে যাওয়া অধিকাংশ বন্দি হত্যা মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি এবং দেশের বিভিন্ন কারাগারে তারা সাজা প্রাপ্ত ছিলেন।