চরচা ডেস্ক

১০ দিনের আল্টিমেটাম দিয়েছিলেন আগেই। এবার সেই আল্টিমেটাম মনে করিয়ে দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আজ শনিবার নিজের সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে ইরানকে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেন। তিনি বলেন, ইরান যেন এই সময়ের মধ্যে হরমুজ প্রণালি খুলে দেয়।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়। উল্লেখ্য, আগামী সোমবার এই সময়সীমা শেষ হতে যাচ্ছে।
পোস্টে ট্রাম্প বলেন, “মনে আছে, আমি ইরানকে ১০ দিন সময় দিয়েছিলাম চুক্তি অথবা হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার জন্য? সময় শেষ হয়ে আসছে। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তারা ব্যবস্থা না নিলে কঠোর সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তাদের ওপর নরক নেমে আসবে।”
বিবিসি বলছে এটি ট্রাম্পের দেওয়া আল্টিমেটামের তালিকার সর্বশেষ সংযোজন। এর আগে গত ২১ মার্চ ট্রাম্প প্রথম ঘোষণা দেন, ইরান যদি ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হরমুজ প্রণালি খুলে না দেয়, তবে তাদের বড় বড় বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো ‘গুঁড়িয়ে’ দেওয়া হবে। এরপর ২৩ মার্চ ট্রাম্প জানান, উভয় দেশের মধ্যে ‘খুবই ভালো এবং ফলপ্রসূ’ আলোচনা হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে তিনি সব ধরনের সামরিক হামলা ৫ দিনের জন্য স্থগিত করেন।
পরে ২৭ মার্চ ট্রাম্প পুনরায় ঘোষণা করেন, ইরান সরকারের অনুরোধে তিনি জ্বালানি স্থাপনায় হামলা আরও ১০ দিনের জন্য স্থগিত রাখছেন। এই হিসাব অনুযায়ী, আগামী ৬ এপ্রিল (সোমবার) সময়সীমা শেষ হওয়ার কথা।
আজ শনিবার তিনি তার সেই ২৭ মার্চের আল্টিমেটাম আবারও মনে করিয়ে দিলেন। ইরানকে সতর্ক করে তিনি বলেন, হাতে আর মাত্র ৪৮ ঘণ্টা সময় আছে, এরপরই শুরু হবে ভয়াবহ আক্রমণ।
এদিকে, গত কয়েক দিনে ইরানি বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার হাতে বিধ্বস্ত হওয়া মার্কিন যুদ্ধবিমানের নিখোঁজ পাইলটদের সন্ধানে তল্লাশি জোরদার করা হয়েছে। তবে উদ্ধার অভিযানে বড় ধরনের বিপত্তি দেখা দিয়েছে। জানা গেছে, তল্লাশিতে অংশ নেওয়া দুটি মার্কিন উদ্ধারকারী হেলিকপ্টারও ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার আঘাতে ভূপাতিত হয়েছে। যদিও হেলিকপ্টারের ক্রুদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে, তবে পাইলটদের এখনো খুঁজে পাওয়া যায়নি।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এর আগে দাবি করেছিলেন যে ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। এর ওপর ভিত্তি করেই যুক্তরাষ্ট্র বিশাল ও ব্যয়বহুল বি-৫২ বোমারু বিমান মোতায়েন করেছিল। কিন্তু গত ২৪ ঘণ্টার ঘটনাপ্রবাহ প্রমাণ করেছে যে ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এখনো সক্রিয়। এর ফলে অরক্ষিত এই বোমারু বিমানগুলোর মোতায়েন স্থগিত করার কথা ভাবছে ওয়াশিংটন।
আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা (আইএইএ) জানিয়েছে, ইরানের বুশেহর পারমাণবিক কেন্দ্রের কাছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় শোরগোল ছড়িয়ে পড়েছে। হামলায় নিক্ষিপ্ত গোলার আঘাতে পারমাণবিক কেন্দ্রের একজন নিরাপত্তা কর্মী নিহত হয়েছেন।

১০ দিনের আল্টিমেটাম দিয়েছিলেন আগেই। এবার সেই আল্টিমেটাম মনে করিয়ে দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আজ শনিবার নিজের সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে ইরানকে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেন। তিনি বলেন, ইরান যেন এই সময়ের মধ্যে হরমুজ প্রণালি খুলে দেয়।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়। উল্লেখ্য, আগামী সোমবার এই সময়সীমা শেষ হতে যাচ্ছে।
পোস্টে ট্রাম্প বলেন, “মনে আছে, আমি ইরানকে ১০ দিন সময় দিয়েছিলাম চুক্তি অথবা হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার জন্য? সময় শেষ হয়ে আসছে। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তারা ব্যবস্থা না নিলে কঠোর সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তাদের ওপর নরক নেমে আসবে।”
বিবিসি বলছে এটি ট্রাম্পের দেওয়া আল্টিমেটামের তালিকার সর্বশেষ সংযোজন। এর আগে গত ২১ মার্চ ট্রাম্প প্রথম ঘোষণা দেন, ইরান যদি ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হরমুজ প্রণালি খুলে না দেয়, তবে তাদের বড় বড় বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো ‘গুঁড়িয়ে’ দেওয়া হবে। এরপর ২৩ মার্চ ট্রাম্প জানান, উভয় দেশের মধ্যে ‘খুবই ভালো এবং ফলপ্রসূ’ আলোচনা হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে তিনি সব ধরনের সামরিক হামলা ৫ দিনের জন্য স্থগিত করেন।
পরে ২৭ মার্চ ট্রাম্প পুনরায় ঘোষণা করেন, ইরান সরকারের অনুরোধে তিনি জ্বালানি স্থাপনায় হামলা আরও ১০ দিনের জন্য স্থগিত রাখছেন। এই হিসাব অনুযায়ী, আগামী ৬ এপ্রিল (সোমবার) সময়সীমা শেষ হওয়ার কথা।
আজ শনিবার তিনি তার সেই ২৭ মার্চের আল্টিমেটাম আবারও মনে করিয়ে দিলেন। ইরানকে সতর্ক করে তিনি বলেন, হাতে আর মাত্র ৪৮ ঘণ্টা সময় আছে, এরপরই শুরু হবে ভয়াবহ আক্রমণ।
এদিকে, গত কয়েক দিনে ইরানি বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার হাতে বিধ্বস্ত হওয়া মার্কিন যুদ্ধবিমানের নিখোঁজ পাইলটদের সন্ধানে তল্লাশি জোরদার করা হয়েছে। তবে উদ্ধার অভিযানে বড় ধরনের বিপত্তি দেখা দিয়েছে। জানা গেছে, তল্লাশিতে অংশ নেওয়া দুটি মার্কিন উদ্ধারকারী হেলিকপ্টারও ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার আঘাতে ভূপাতিত হয়েছে। যদিও হেলিকপ্টারের ক্রুদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে, তবে পাইলটদের এখনো খুঁজে পাওয়া যায়নি।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এর আগে দাবি করেছিলেন যে ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। এর ওপর ভিত্তি করেই যুক্তরাষ্ট্র বিশাল ও ব্যয়বহুল বি-৫২ বোমারু বিমান মোতায়েন করেছিল। কিন্তু গত ২৪ ঘণ্টার ঘটনাপ্রবাহ প্রমাণ করেছে যে ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এখনো সক্রিয়। এর ফলে অরক্ষিত এই বোমারু বিমানগুলোর মোতায়েন স্থগিত করার কথা ভাবছে ওয়াশিংটন।
আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা (আইএইএ) জানিয়েছে, ইরানের বুশেহর পারমাণবিক কেন্দ্রের কাছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় শোরগোল ছড়িয়ে পড়েছে। হামলায় নিক্ষিপ্ত গোলার আঘাতে পারমাণবিক কেন্দ্রের একজন নিরাপত্তা কর্মী নিহত হয়েছেন।