
সিএনএনের প্রতিবেদন
ইরান তাদের ক্ষতিগ্রস্ত পরমাণু কেন্দ্রগুলো আবার তৈরি করার চেষ্টা করছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনে স্থানীয় সময় শনিবার প্রকাশিত একটি বিশেষ প্রতিবেদনে এই দাবি করা হয়েছে।

আমান মুক্তি পেয়েছিল এমন এক সময়ে, যখন বিশ্বজুড়ে পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ে উদ্বেগ চরমে। কোল্ড ওয়ার, ভিয়েতনাম যুদ্ধ এবং অস্ত্র প্রতিযোগিতার মধ্যে সিনেমাটি মানবতার পক্ষে এক শক্তিশালী বার্তা বিশ্ব মোড়লদের কাছে পৌঁছে দিতে চেয়েছিল।

অবশ্য বিশ্বব্যাপী তেলের মানদণ্ড হিসেবে বিবেচিত ব্রেন্ট ক্রুড (অপরিশোধিত তেল) এখনও যুদ্ধপূর্ব সময়ের চেয়ে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ উচ্চ মূল্যে লেনদেন হচ্ছে।

ভারতের মোট পারমাণবিক ওয়ারহেডের সংখ্যাও বেড়েছে। গত বছর যেখানে ভারতের মোট পরমাণু অস্ত্রের সংখ্যা ছিল ১৮০টি, তা এবার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯০টিতে। এই ১৯০টি অস্ত্রের মধ্যে ১২টি সরাসরি মোতায়েন করা হলেও বাকি ১৭৮টি ওয়ারহেড এখনও কেন্দ্রীয়ভাবে সংরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে।

চীনা এই নেতা ২০১৯ সালের পর থেকে আর পিয়ংইয়ং সফরে যাননি। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তিনি নিজের বিদেশ সফর একেবারেই কমিয়ে এনেছেন। আজকাল সাধারণত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কিংবা রাশিয়ার নেতা ভ্লাদিমির পুতিনের মতো বিশ্ব নেতারাই তার সাথে দেখা করতে বেইজিংয়ে আসেন।

মার্কিন প্রশাসন যতটা আশাবাদী, ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমগুলো সমঝোতা স্মারক আদৌ বাস্তবায়িত হবে কি না, তা নিয়ে ঠিক ততটাই সংশয় প্রকাশ করেছে। সম্ভাব্য এই সমঝোতা স্মারকের এক বা দুটি ধারা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে এখনও তীব্র মতবিরোধ রয়ে গেছে বলে জানাচ্ছে ইরানি সংবাদমাধ্যমগুলো।

পারমাণবিক সক্ষমতা ও সামরিক শক্তিতে আরও একধাপ এগিয়ে গেল ভারত। গত শুক্রবার (৮ মে) সন্ধ্যায় বঙ্গোপসাগরের ওড়িশা উপকূলে দেশটির প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা (ডিআরডিও) সফলভাবে একটি আন্তমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের (আইসিবিএম) পরীক্ষা চালিয়েছে।

পারমাণবিক অস্ত্রধারী রাষ্ট্রগুলোকে পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (এনপিটি)’র আওতায় তাদের অঙ্গীকার বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছে।

ট্রাম্প প্রশাসনের প্রধান লক্ষ্য হলো ইরানের আন্ডারগ্রাউন্ড ফেসিলিটিতে থাকা প্রায় ২ হাজার কেজি সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিয়ন্ত্রণ করা। এর মধ্যে আমেরিকার উদ্বেগের বিষয় হলো ৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ করা ৪৫০ কেজি ইউরেনিয়াম।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ক্রমাগত হুমকি এবং সর্বশেষ অবস্থান পারমাণবিক হামলার বিষয়ে এক ধরনের গুঞ্জন তৈরি করেছে।

ট্রাম্প বলেন, “মনে আছে, আমি ইরানকে ১০ দিন সময় দিয়েছিলাম চুক্তি অথবা হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার জন্য? সময় শেষ হয়ে আসছে। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তারা ব্যবস্থা না নিলে কঠোর সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তাদের ওপর নরক নেমে আসবে।”