Advertisement Banner

আন্তমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা করল ভারত

চরচা ডেস্ক
চরচা ডেস্ক
আন্তমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা করল ভারত
ভারতের মিসাইল অগ্নি (2)। ছবি: উইকিমিডিয়া কমনস

পারমাণবিক সক্ষমতা ও সামরিক শক্তিতে আরও একধাপ এগিয়ে গেল ভারত। গত শুক্রবার (৮ মে) সন্ধ্যায় বঙ্গোপসাগরের ওড়িশা উপকূলে দেশটির প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা (ডিআরডিও) সফলভাবে একটি আন্তমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের (আইসিবিএম) পরীক্ষা চালিয়েছে।

যদিও ডিআরডিও আনুষ্ঠানিকভাবে এর নাম জানায়নি, তবে প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের ধারণা, এটি শক্তিশালী ‘অগ্নি-৬’ ক্ষেপণাস্ত্রের একটি সংস্করণ হতে পারে, যার পাল্লা ১০ হাজার কিলোমিটারের বেশি হতে পারে।

গত বৃহস্পতিবার (৭ মে) বিমানবাহিনীর সহায়তায় ‘ট্যাকটিক্যাল অ্যাডভান্সড রেঞ্জ অগমেন্টেশন’ (টিএআরএ) নামক একটি মডুলার কিটের সফল পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। এই বিশেষ প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে সাধারণ বোমাকে অত্যন্ত নিখুঁত ও দূরপাল্লার লক্ষ্যভেদী অস্ত্রে রূপান্তর করা সম্ভব হবে।

বিশ্বের খুব অল্প কয়েকটি দেশ যেমন- যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন ও উত্তর কোরিয়ার কাছে ১২ হাজার কিলোমিটারের বেশি পাল্লার আইসিবিএম প্রযুক্তি রয়েছে। ভারত এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করলে বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত তাদের ক্ষেপণাস্ত্রের আওতায় চলে আসবে। সম্প্রতি ডিআরডিও প্রধান সমীর ভি কামাতও জানিয়েছিলেন যে, সরকারের গ্রিন সিগন্যাল পেলেই তারা অগ্নি-৬ নিয়ে এগিয়ে যেতে প্রযুক্তিগতভাবে পুরোপুরি প্রস্তুত।

ক্ষমতাসীন দল বিজেপির পক্ষ থেকেও এই ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে ইতিবাচক ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। তারা জানিয়েছে, মাল্টিপল ইন্ডিপেনডেন্টলি টার্গেটেবল রি-এন্ট্রি ভেহিকল (এমআইআরভি) প্রযুক্তিসম্পন্ন এই ক্ষেপণাস্ত্র ভারতের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে কয়েক গুণ শক্তিশালী করবে। মূলত এই ধরনের জটিল রকেট প্রযুক্তি এবং বায়ুমণ্ডলে পুনরায় প্রবেশের সক্ষমতা অর্জনের মাধ্যমে ভারত এখন বিশ্বের শীর্ষ সামরিক শক্তিধর দেশগুলোর কাতারে জায়গা করে নিল, যা ভবিষ্যতে যেকোনো পারমাণবিক হামলার বিরুদ্ধে কঠোর জবাব দিতে সক্ষম।

সম্পর্কিত