চরচা ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল এবং ইরানের যুদ্ধের কারণে সরবরাহ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হওয়ায় ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতির অন্যতম প্রধান উপাদান প্রিন্টেড সার্কিট বোর্ডের (পিসিবি) দাম ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদ সংস্থা রয়টার্স ।
হঠাৎ করে দাম বৃদ্ধির পেছনে সৌদি আরবের আল জুবাইলে অবস্থিত একটি পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্সে ইরানের হামলার ঘটনাকে আংশিকভাবে দায়ী করা হচ্ছে। এর ফলে বিশুদ্ধ পলিফেনিলিন ইথার রেজিন উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে।
এই কমপ্লেক্সটি পলিফেনিলিন ইথার রেজিনের বিশ্বব্যাপী সরবরাহের প্রায় ৭০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করে। হামলার পর থেকে সেখানে উৎপাদন পুনরায় শুরু না হওয়ায় বিশ্বজুড়ে এর দাম বেড়ে গেছে।
গোল্ডম্যান স্যাকস-এর বরাত দিয়ে রয়টার্স বলেছে, গত মার্চের তুলনায় এপ্রিলে সার্কিট বোর্ডের দাম ৪০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে।
সাপ্লাই চেইনের সাথে যুক্ত কোম্পানিগুলো এই পরিস্থিতিতে দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছে। দক্ষিণ কোরিয়ার ডেইডাক ইলেকট্রনিক্স বর্তমানে স্যামসাং এবং এএমডি’র মতো প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে পণ্যের দাম বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা করছে।
অনেক প্রতিষ্ঠানের কাছেই এখন অগ্রাধিকারের বিষয়টি বদলে গেছে। এখন লক্ষ্য কেবল গ্রাহকের চাহিদা মেটানো নয়, বরং উৎপাদন চালু রাখার জন্য পর্যাপ্ত কাঁচামাল নিশ্চিত করা।
এই সংকটের সময়টি মোটেও অনুকূল নয়। বিশ্বব্যাপী পিসিবি শিল্প চলতি বছরের মধ্যে ১২.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৯৫.৮ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে বলে আশা করা হয়েছিল।
কিন্তু বর্তমানে সরবরাহের সীমাবদ্ধতা চাহিদাকে ছাড়িয়ে যেতে শুরু করেছে। ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে যে, তারা দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা করছে; কারণ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই সংশ্লিষ্ট ইলেকট্রনিক্সের চাহিদা যে হারে বাড়ছে, সরবরাহ ব্যবস্থা সে অনুযায়ী মানিয়ে নিতে পারছে না।
এছাড়া, এই যুদ্ধ পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের লজিস্টিকস বা পণ্য পরিবহন ব্যবস্থাকেও বিঘ্নিত করছে, যা সরবরাহে বিলম্ব ঘটানোর পাশাপাশি পরিবহন খরচও বাড়িয়ে দিচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল এবং ইরানের যুদ্ধের কারণে সরবরাহ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হওয়ায় ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতির অন্যতম প্রধান উপাদান প্রিন্টেড সার্কিট বোর্ডের (পিসিবি) দাম ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদ সংস্থা রয়টার্স ।
হঠাৎ করে দাম বৃদ্ধির পেছনে সৌদি আরবের আল জুবাইলে অবস্থিত একটি পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্সে ইরানের হামলার ঘটনাকে আংশিকভাবে দায়ী করা হচ্ছে। এর ফলে বিশুদ্ধ পলিফেনিলিন ইথার রেজিন উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে।
এই কমপ্লেক্সটি পলিফেনিলিন ইথার রেজিনের বিশ্বব্যাপী সরবরাহের প্রায় ৭০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করে। হামলার পর থেকে সেখানে উৎপাদন পুনরায় শুরু না হওয়ায় বিশ্বজুড়ে এর দাম বেড়ে গেছে।
গোল্ডম্যান স্যাকস-এর বরাত দিয়ে রয়টার্স বলেছে, গত মার্চের তুলনায় এপ্রিলে সার্কিট বোর্ডের দাম ৪০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে।
সাপ্লাই চেইনের সাথে যুক্ত কোম্পানিগুলো এই পরিস্থিতিতে দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছে। দক্ষিণ কোরিয়ার ডেইডাক ইলেকট্রনিক্স বর্তমানে স্যামসাং এবং এএমডি’র মতো প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে পণ্যের দাম বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা করছে।
অনেক প্রতিষ্ঠানের কাছেই এখন অগ্রাধিকারের বিষয়টি বদলে গেছে। এখন লক্ষ্য কেবল গ্রাহকের চাহিদা মেটানো নয়, বরং উৎপাদন চালু রাখার জন্য পর্যাপ্ত কাঁচামাল নিশ্চিত করা।
এই সংকটের সময়টি মোটেও অনুকূল নয়। বিশ্বব্যাপী পিসিবি শিল্প চলতি বছরের মধ্যে ১২.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৯৫.৮ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে বলে আশা করা হয়েছিল।
কিন্তু বর্তমানে সরবরাহের সীমাবদ্ধতা চাহিদাকে ছাড়িয়ে যেতে শুরু করেছে। ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে যে, তারা দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা করছে; কারণ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই সংশ্লিষ্ট ইলেকট্রনিক্সের চাহিদা যে হারে বাড়ছে, সরবরাহ ব্যবস্থা সে অনুযায়ী মানিয়ে নিতে পারছে না।
এছাড়া, এই যুদ্ধ পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের লজিস্টিকস বা পণ্য পরিবহন ব্যবস্থাকেও বিঘ্নিত করছে, যা সরবরাহে বিলম্ব ঘটানোর পাশাপাশি পরিবহন খরচও বাড়িয়ে দিচ্ছে।

অন্যদিকে উপাচার্য অধ্যাপক ড. তৌফিক আলম শিক্ষকদের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নমূলক কার্যক্রম চলমান রয়েছে, যা শিক্ষকদের এমন কর্মকাণ্ডে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সংকট নিরসনের জন্য আমি তাদের মন্ত্রণালয় বা ইউজিসিতে নিয়ে যেতে চেয়েছি কিন্তু তারা রাজি হননি।”