চরচা ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাথে ইরানের যুদ্ধের কারণে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম এখন আকাশচুম্বী। এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ) তাদের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জরুরি তেল মজুত অবমুক্ত করার প্রস্তাব দিয়েছে বলে জানা গেছে।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে ব্রিটিশ দৈনিক দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, এবারের প্রস্তাবিত তেলের পরিমাণ ২০২২ সালের রেকর্ডকেও ছাড়িয়ে যাবে। উল্লেখ্য, ২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আক্রমণের পর আইইএ সদস্য দেশগুলো দুই দফায় ১৮ কোটি ২০ লক্ষ (১৮২ মিলিয়ন) ব্যারেল তেল বাজারে ছেড়েছিল।
গতকাল মঙ্গলবার আইইএ-র ৩২টি সদস্য রাষ্ট্রের জ্বালানি কর্মকর্তাদের একটি জরুরি বৈঠকে এই প্রস্তাবটি উত্থাপন করা হয়। বাজারের অস্থিরতা কমাতে জরুরি মজুত ব্যবহার করা হবে কি না, তা নিয়ে সেখানে আলোচনা হয়। আজ বুধবারের মধ্যে দেশগুলোর এই পরিকল্পনায় সমর্থন দেওয়ার কথা রয়েছে।
তবে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, যদি একটি সদস্য দেশও আপত্তি জানায়, তবে এই প্রক্রিয়াটি বিলম্বিত হতে পারে। বুধবার বিশ্বের শীর্ষ অর্থনীতির দেশগুলোর জোট জি৭ তেলের সরবরাহ ঘাটতি মেটাতে এবং বাজারের অস্থিরতা দূর করতে কৌশলগত তেল মজুদ ব্যবহারের বিষয়টিতে নীতিগতভাবে সমর্থন জানিয়েছে।
আইইএ মূলত একটি জরুরি ব্যবস্থার অংশ হিসেবে কৌশলগত তেল মজুত গড়ে তোলে, যাতে সদস্য দেশগুলো বৈশ্বিক তেল সংকটের সময় তা মোকাবিলা করতে পারে। সত্তরের দশকে মধ্যপ্রাচ্যে তেল সংকটের পর এই সংস্থাটি গঠিত হয়েছিল। এর নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি সদস্য রাষ্ট্রকে অন্তত ৯০ দিনের অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ মজুত রাখতে হয়, যা যেকোনো বড় ধরনের সরবরাহ সংকটের সময় বাজারে ছাড়া সম্ভব।
আইইএ-এর সদস্য দেশগুলোর কাছে বর্তমানে মোট ১২০ কোটি (১.২ বিলিয়ন) ব্যারেলেরও বেশি সরকারি জরুরি তেল মজুত রয়েছে। এর পাশাপাশি, সরকারি বাধ্যবাধকতার অধীনে বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠানের কাছে আরও ৬০ কোটি ব্যারেল তেলের মজুদ রয়েছে।
হরমুজ প্রণালী কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গত এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে বিশ্বব্যাপী তেল ও সমুদ্রবাহিত গ্যাস সরবরাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। উল্লেখ্য, বিশ্বের মোট তেল এবং সমুদ্রবাহিত গ্যাস ট্যাঙ্কারের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই হরমুজ প্রণালী দিয়েই যাতায়াত করে। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম অস্বাভাবিকভাবে ওঠানামা করছে। গত সোমবার তেলের দাম প্রতি ব্যারেলে ১১৯.৫০ ডলারে উঠেছে, যা ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাথে ইরানের যুদ্ধের কারণে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম এখন আকাশচুম্বী। এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ) তাদের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জরুরি তেল মজুত অবমুক্ত করার প্রস্তাব দিয়েছে বলে জানা গেছে।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে ব্রিটিশ দৈনিক দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, এবারের প্রস্তাবিত তেলের পরিমাণ ২০২২ সালের রেকর্ডকেও ছাড়িয়ে যাবে। উল্লেখ্য, ২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আক্রমণের পর আইইএ সদস্য দেশগুলো দুই দফায় ১৮ কোটি ২০ লক্ষ (১৮২ মিলিয়ন) ব্যারেল তেল বাজারে ছেড়েছিল।
গতকাল মঙ্গলবার আইইএ-র ৩২টি সদস্য রাষ্ট্রের জ্বালানি কর্মকর্তাদের একটি জরুরি বৈঠকে এই প্রস্তাবটি উত্থাপন করা হয়। বাজারের অস্থিরতা কমাতে জরুরি মজুত ব্যবহার করা হবে কি না, তা নিয়ে সেখানে আলোচনা হয়। আজ বুধবারের মধ্যে দেশগুলোর এই পরিকল্পনায় সমর্থন দেওয়ার কথা রয়েছে।
তবে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, যদি একটি সদস্য দেশও আপত্তি জানায়, তবে এই প্রক্রিয়াটি বিলম্বিত হতে পারে। বুধবার বিশ্বের শীর্ষ অর্থনীতির দেশগুলোর জোট জি৭ তেলের সরবরাহ ঘাটতি মেটাতে এবং বাজারের অস্থিরতা দূর করতে কৌশলগত তেল মজুদ ব্যবহারের বিষয়টিতে নীতিগতভাবে সমর্থন জানিয়েছে।
আইইএ মূলত একটি জরুরি ব্যবস্থার অংশ হিসেবে কৌশলগত তেল মজুত গড়ে তোলে, যাতে সদস্য দেশগুলো বৈশ্বিক তেল সংকটের সময় তা মোকাবিলা করতে পারে। সত্তরের দশকে মধ্যপ্রাচ্যে তেল সংকটের পর এই সংস্থাটি গঠিত হয়েছিল। এর নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি সদস্য রাষ্ট্রকে অন্তত ৯০ দিনের অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ মজুত রাখতে হয়, যা যেকোনো বড় ধরনের সরবরাহ সংকটের সময় বাজারে ছাড়া সম্ভব।
আইইএ-এর সদস্য দেশগুলোর কাছে বর্তমানে মোট ১২০ কোটি (১.২ বিলিয়ন) ব্যারেলেরও বেশি সরকারি জরুরি তেল মজুত রয়েছে। এর পাশাপাশি, সরকারি বাধ্যবাধকতার অধীনে বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠানের কাছে আরও ৬০ কোটি ব্যারেল তেলের মজুদ রয়েছে।
হরমুজ প্রণালী কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গত এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে বিশ্বব্যাপী তেল ও সমুদ্রবাহিত গ্যাস সরবরাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। উল্লেখ্য, বিশ্বের মোট তেল এবং সমুদ্রবাহিত গ্যাস ট্যাঙ্কারের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই হরমুজ প্রণালী দিয়েই যাতায়াত করে। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম অস্বাভাবিকভাবে ওঠানামা করছে। গত সোমবার তেলের দাম প্রতি ব্যারেলে ১১৯.৫০ ডলারে উঠেছে, যা ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ।