চরচা ডেস্ক

সরকার একটি কার্যকর, দায়িত্বশীল ও প্রাণবন্ত জাতীয় সংসদ গড়ে তুলতে চায় বলে জানিয়েছেন চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। বার্তা সংস্থা বাসসের এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, আজ বুধবার জাতীয় সংসদে সরকার দলীয় সংসদ সদস্যদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা জানান।
তিনি বলেন, আলোচনা ও সংলাপের মাধ্যমেই সংসদের ভেতরে সব ধরনের সমস্যার সমাধান সম্ভব।
চিফ হুইপ বলেন, জাতীয় সংসদ কেবল একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানই নয়, এটি দেশের মানুষের অধিকার, মর্যাদা ও গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষার প্রতীক।
নূরুল ইসলাম মনি বলেন, “গণতন্ত্রের সৌন্দর্যই হলো মতের ভিন্নতা থাকা সত্ত্বেও আলোচনার মাধ্যমে জাতীয় সমস্যার সমাধান খুঁজে বের করা। সেই লক্ষ্যেই আমরা সংসদকে একটি কার্যকর ও অর্থবহ প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।”
তিনি আরও বলেন, আগামীকাল যে সংসদ অধিবেশন শুরু হবে, সেটি হবে জনগণের সংসদ-যেখানে দেশের মানুষের আশা, অধিকার ও স্বপ্নের প্রতিফলন ঘটবে। এ লক্ষ্যে সরকার বিরোধী দলের গঠনমূলক ভূমিকা ও সহযোগিতাও প্রত্যাশা করছে।
চিফ হুইপ বলেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সংলাপ ও ঐক্যমতের ভিত্তিতে জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো সমাধান করা সম্ভব। এভাবেই দেশকে আরও শক্তিশালী ও স্বাবলম্বী ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে নেওয়া যাবে।
তিনি জানান, সরকারের অঙ্গীকার হচ্ছে সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়ন করা, দারিদ্র্য দূর করা এবং দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল করে তোলা।

সরকার একটি কার্যকর, দায়িত্বশীল ও প্রাণবন্ত জাতীয় সংসদ গড়ে তুলতে চায় বলে জানিয়েছেন চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। বার্তা সংস্থা বাসসের এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, আজ বুধবার জাতীয় সংসদে সরকার দলীয় সংসদ সদস্যদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা জানান।
তিনি বলেন, আলোচনা ও সংলাপের মাধ্যমেই সংসদের ভেতরে সব ধরনের সমস্যার সমাধান সম্ভব।
চিফ হুইপ বলেন, জাতীয় সংসদ কেবল একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানই নয়, এটি দেশের মানুষের অধিকার, মর্যাদা ও গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষার প্রতীক।
নূরুল ইসলাম মনি বলেন, “গণতন্ত্রের সৌন্দর্যই হলো মতের ভিন্নতা থাকা সত্ত্বেও আলোচনার মাধ্যমে জাতীয় সমস্যার সমাধান খুঁজে বের করা। সেই লক্ষ্যেই আমরা সংসদকে একটি কার্যকর ও অর্থবহ প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।”
তিনি আরও বলেন, আগামীকাল যে সংসদ অধিবেশন শুরু হবে, সেটি হবে জনগণের সংসদ-যেখানে দেশের মানুষের আশা, অধিকার ও স্বপ্নের প্রতিফলন ঘটবে। এ লক্ষ্যে সরকার বিরোধী দলের গঠনমূলক ভূমিকা ও সহযোগিতাও প্রত্যাশা করছে।
চিফ হুইপ বলেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সংলাপ ও ঐক্যমতের ভিত্তিতে জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো সমাধান করা সম্ভব। এভাবেই দেশকে আরও শক্তিশালী ও স্বাবলম্বী ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে নেওয়া যাবে।
তিনি জানান, সরকারের অঙ্গীকার হচ্ছে সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়ন করা, দারিদ্র্য দূর করা এবং দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল করে তোলা।