চরচা ডেস্ক

এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম, রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লিমিটেডের (বর্তমানে আভিভা ফাইন্যান্স লি.) সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রশান্ত কুমার (পিকে) হালদারসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে চার্জগঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
জালিয়াতি ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে ৩৪ কোটি ঋণ নিয়ে আত্মসাতের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় তাদের এই বিচার শুরু হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে শুনানি শেষে ঢাকা ৫ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুনের আদালত এই আদেশ দেন। একই সঙ্গে আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য করেন আদালত।
দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম এসব তথ্য জানান।
সাইফুল ইসলাম ও পিকে হালদার বাদে মামলার বাকি আসামিরা হলেন, এস আলম গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ, পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ হাসান ও শাহানা ফেরদৌস, রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লি. এর সাবেক ইভিপি রাশেদুল হক, সাবেক ম্যানেজার নাহিদা রুনাই, সাবেক এসভিপি কাজী আহমেদ জামাল ও সাবেক ডেপুটি ম্যানেজার জুমারাতুল বান্না, মারিন ভেজিটেবল অয়েলসের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক জহির আহমেদ, পরিচালক টিপু সুলতান, মো. ইসহাক এবং মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন। তাদের মধ্যে নাহিদা রুনাই ও রাশেদুল হক কারাগারে আছেন। বাকি আসামিরা পলাতক রয়েছেন।
তরিকুল ইসলাম জানান, শুনানির সময় দুই আসামিকে কারাগার থেকে আদালতে উপস্থিত করা হয়। তবে অন্যান্য আসামিরা পলাতক ছিলেন। দুই আসামির পক্ষে এই মামলায় অব্যাহতি চেয়ে শুনানি করেন তাদের আইনজীবীরা। শুনানি শেষে আদালত তাদের অব্যাহতির আবেদন নামঞ্জুর করে চার্জগঠনের আদেশ দেন। অন্যান্য আসামিরা পলাতক থাকায় তারা চার্জগঠন শুনানিতে অংশ গ্রহণ করতে পারেননি।
এদিকে, চার্জগঠনের সময় আসামি নাহিদা রুনাই ও রাশেদুল হক নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ন্যায় বিচারের প্রার্থনা করেন।
গত ১১ জানুয়ারি মামলার চার্জশিট গ্রহণ করেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত। ওইদিন বিচারের জন্য ঢাকার বিশেষ জজ-৫ নম্বর আদালতে বদলির নির্দেশ দেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ২০১৩ সালের ৮ আগস্ট নামসর্বস্ব এ এম ট্রেডিং প্রতিষ্ঠানের নামে ৩৪ কোটি টাকার একটি মেয়াদি ঋণ অনুমোদন ও ২০১৩ সালের ৯ সেপ্টেম্বর বিতরণের অভিযোগ আনা হয়। এই টাকা এস আলম সুপার এডিবল অয়েল লিমিটেডে স্থানান্তর করা হয়। এ মামলায় ১৩ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। ওই ঘটনায় গত বছরের ২ জুলাই সংস্থাটির উপপরিচালক তাহাসিন মুনাবীল হক মামলাটি দায়ের করেন।
মামলাটি তদন্ত করে একই বছরের ১৬ অক্টোবর দুদকের উপপরিচালক তাহাসিন মুনাবীন হক ১৩ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন।

এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম, রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লিমিটেডের (বর্তমানে আভিভা ফাইন্যান্স লি.) সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রশান্ত কুমার (পিকে) হালদারসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে চার্জগঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
জালিয়াতি ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে ৩৪ কোটি ঋণ নিয়ে আত্মসাতের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় তাদের এই বিচার শুরু হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে শুনানি শেষে ঢাকা ৫ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুনের আদালত এই আদেশ দেন। একই সঙ্গে আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য করেন আদালত।
দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম এসব তথ্য জানান।
সাইফুল ইসলাম ও পিকে হালদার বাদে মামলার বাকি আসামিরা হলেন, এস আলম গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ, পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ হাসান ও শাহানা ফেরদৌস, রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লি. এর সাবেক ইভিপি রাশেদুল হক, সাবেক ম্যানেজার নাহিদা রুনাই, সাবেক এসভিপি কাজী আহমেদ জামাল ও সাবেক ডেপুটি ম্যানেজার জুমারাতুল বান্না, মারিন ভেজিটেবল অয়েলসের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক জহির আহমেদ, পরিচালক টিপু সুলতান, মো. ইসহাক এবং মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন। তাদের মধ্যে নাহিদা রুনাই ও রাশেদুল হক কারাগারে আছেন। বাকি আসামিরা পলাতক রয়েছেন।
তরিকুল ইসলাম জানান, শুনানির সময় দুই আসামিকে কারাগার থেকে আদালতে উপস্থিত করা হয়। তবে অন্যান্য আসামিরা পলাতক ছিলেন। দুই আসামির পক্ষে এই মামলায় অব্যাহতি চেয়ে শুনানি করেন তাদের আইনজীবীরা। শুনানি শেষে আদালত তাদের অব্যাহতির আবেদন নামঞ্জুর করে চার্জগঠনের আদেশ দেন। অন্যান্য আসামিরা পলাতক থাকায় তারা চার্জগঠন শুনানিতে অংশ গ্রহণ করতে পারেননি।
এদিকে, চার্জগঠনের সময় আসামি নাহিদা রুনাই ও রাশেদুল হক নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ন্যায় বিচারের প্রার্থনা করেন।
গত ১১ জানুয়ারি মামলার চার্জশিট গ্রহণ করেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত। ওইদিন বিচারের জন্য ঢাকার বিশেষ জজ-৫ নম্বর আদালতে বদলির নির্দেশ দেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ২০১৩ সালের ৮ আগস্ট নামসর্বস্ব এ এম ট্রেডিং প্রতিষ্ঠানের নামে ৩৪ কোটি টাকার একটি মেয়াদি ঋণ অনুমোদন ও ২০১৩ সালের ৯ সেপ্টেম্বর বিতরণের অভিযোগ আনা হয়। এই টাকা এস আলম সুপার এডিবল অয়েল লিমিটেডে স্থানান্তর করা হয়। এ মামলায় ১৩ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। ওই ঘটনায় গত বছরের ২ জুলাই সংস্থাটির উপপরিচালক তাহাসিন মুনাবীল হক মামলাটি দায়ের করেন।
মামলাটি তদন্ত করে একই বছরের ১৬ অক্টোবর দুদকের উপপরিচালক তাহাসিন মুনাবীন হক ১৩ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন।