Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

খাবারেও ফ্যাসিবাদ আছে?

ফুড ফ্যাসিজমের উদাহরণ খোলা চোখেই বিভিন্নভাবে দেখা যায়। কোনো সমাজে নির্দিষ্ট খাদ্যকে ‘নৈতিক’ এবং অন্য খাদ্যকে ‘অনৈতিক’ হিসেবে প্রচার করা ফুড ফ্যাসিজম।

কাজী সাজিদুল হক

কাজী সাজিদুল হক

প্রকাশ : ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৭: ৫৪
খাবারেও ফ্যাসিবাদ আছে?
ফুড ফ্যাসিজমের উদাহরণ খোলা চোখেই বিভিন্নভাবে দেখা যায়। কোনো সমাজে নির্দিষ্ট খাদ্যকে ‘নৈতিক’ এবং অন্য খাদ্যকে ‘অনৈতিক’ হিসেবে প্রচার করা ফুড ফ্যাসিজম। ছবি: এআই দিয়ে তৈরি

খাবারেও নাকি ফ্যাসিবাদ আছে? শুনেছেন কখনো? যত অদ্ভুতই লাগুক ‘ফুড ফ্যাসিজম’ বলে একটা বিষয় কিন্তু আছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

চমকাবেন না। এটা কোনো খাবরে ঠিক নুন-ঝাল থাকবার মতো কোনো বিষয় নয়। বেশ গুরুতর বিষয়টা। যা বুঝতে হলে খুব বেশি দূর যেতে হবে না। এই অঞ্চলের গরু নিয়ে গোলমালের দিকে ভালো করে তাকালেই হবে।

এই গোলমাল নিয়ে কথা বলতে গেলে প্রথমেই তাকাতে হবে ভারতের দিকে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচের হিসাবে ২০০৯ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে গরু-সংক্রান্ত সহিংসতায় ৯১ জন নিহত হয়েছেন। ঘরে কিংবা হাতের প্যাকেটে গরুর মাংস আছে–এই অভিযোগেই নিহত হয়েছেন অনেকে।

এর প্রতিক্রিয়ায় হোক বা অতি উৎসাহেই হোক–বাংলাদেশেও কিন্তু কাছাকাছি প্রবণতা দেখা গেছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

অনেকেরই মনে থাকার কথা দুই বছর আগে গণঅভ্যুত্থানের পর রাজধানীতে হঠাৎ করেই গরুর মাংসপ্রেমীরা তৎপর হয়ে উঠেছিলেন। ঢাকা শহরের বিভিন্ন জায়গায় তারা জড়ো হওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। তাদের দাবি ছিল, যেসব রেস্তোরাঁয় গরুর মাংস বিক্রি করা হচ্ছে না, সেখানে বাধ্যতামূলকভাবে তা বিক্রি করতে হবে।

এ ছাড়া গণমাধ্যম অফিসের সামনে ‘গরু জবাই করার কর্মসূচি ও বিক্ষোভ সমাবেশ’-এর কথাও হয়তো অনেকের মনে পড়ার কথা। গত বছর পয়লা বৈশাখের দিন ‘পহেলা বৈশাখ উদযাপনের নামে ভারতীয় সাংস্কৃতিক আধিপত্য প্রতিষ্ঠার অপচেষ্টার প্রতিবাদে’ ‘বাংলাদেশের জনগণ’ নামের একটি সংগঠনের উদ্যোগে গরু জবাই করে জিয়াফত আয়োজন করা হয়।

এই উদাহরণগুলোর সবই বাংলাদেশে ‘ফ্যাসিবাদ-বিরোধী’ আন্দোলনের পরের। এবং চব্বিশের জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানের পর দেশের রাজনীতিতে ‘ফ্যাসিবাদ’ নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে, এখনো হচ্ছে।

যে ভারতের ‘সাংস্কৃতিক আধিপত্যের’ বিরুদ্ধে ঢাকায় এই আয়োজন, সেই দেশটির কথা তো আগেই বলেছি। মনে করিয়ে দিই–আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচের হিসাবে ২০০৯ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে গরু-সংক্রান্ত সহিংসতায় ৯১ জন নিহত হয়েছেন।

এ ছাড়া আমিষ খাবারবিরোধী এবং নিরামিষ খাবার ‘চাপিয়ে দেওয়ার’ অভিযোগ ভারতে অনেক দিন পর্যন্ত আলোচনার বিষয়। এই তো সেদিন ভারতে বাংলাভাষী রাজ্য পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পরপরই একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল। সেখানে একটি বিরিয়ানির দোকানের মালিককে বলা হয়, মন্দিরের পাশে বিরিয়ানির দোকান রাখা যাবে না। একইসঙ্গে ‘আফরিন’ নামের ওই দোকানের নাম পরিবর্তনের করতে বলা হয়।

ভারতের অধিকারকর্মী লেখক নন্দিতা হাকসার তার ‘দ্য ফ্লেভার্স অব ন্যাশনালিজম: আ মেমোয়ার ফর লাভ, হেইট অ্যান্ড ফ্রেন্ডশিপ’ বইয়ে ভারতের খাদ্য-সংক্রান্ত রাজনীতির নানা বিষয় তুলে ধরেছেন। নন্দিতা ‘ফুড ফ্যাসিজম’ শব্দবন্ধটি ব্যবহার করেছেন। এই যে খাবার নিয়ে রাজনীতি, সেখানে ‘ফুড ফ্যাসিজম’ শব্দবন্ধটির অর্থ কী?

আধুনিক রাষ্ট্র মানুষের দেহ, স্বাস্থ্য ও জীবনযাত্রাকে নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে ক্ষমতা প্রয়োগ করে। খাদ্য নিয়ন্ত্রণও এই ক্ষমতা চর্চার একটি অংশ হতে পারে। ছবি: এআই দিয়ে তৈরি
আধুনিক রাষ্ট্র মানুষের দেহ, স্বাস্থ্য ও জীবনযাত্রাকে নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে ক্ষমতা প্রয়োগ করে। খাদ্য নিয়ন্ত্রণও এই ক্ষমতা চর্চার একটি অংশ হতে পারে। ছবি: এআই দিয়ে তৈরি

তবে এই শব্দবন্ধটি প্রথম কবে, কে ব্যবহার করেছিল, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি। তবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ইতালির শাসক বেনিতো মুসোলিনির ফ্যাসিবাদী শাসনামলে রাষ্ট্রীয়ভাবে খাদ্যাভ্যাস ও শস্য উৎপাদন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টাকে অনেক গবেষক পরবর্তী সময়ে ‘ফ্যাসিস্ট ফুড পলিটিকস’ বা ‘ফিডিং ফ্যাসিজম’ বলে আখ্যায়িত করেছেন।

ইতিহাসবিদ সিমোন চিনোত্তো ‘গ্যাস্ট্রোফ্যাসিজিম অ্যান্ড এম্পায়ার’ বইতে মুসোলিনির ফ্যাসিস্ট ইতালির সময় ইথিওপিয়া দখলের ক্ষেত্রে খাদ্যের রাজনৈতিক ও ঔপনিবেশিক ব্যবহারের এই পরিভাষাটি ব্যবহার করেছেন।

সিমোন চিনোত্তো দেখিয়েছেন, খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার জন্য ইতালি ইথিওপিয়া আক্রমণ করে। চিনোত্তোর মতে, খাদ্য ছিল ঔপনিবেশিক প্রকল্পের সেই কেন্দ্রবিন্দু, যার লক্ষ্য ছিল একটি নতুন ‘অর্গানিক ন্যাশনাল কমিউনিটি’ গঠন করা। যাকে কল্পনা করা হয়েছিল এমন এক শক্তিশালী জাতিসত্তা হিসেবে, যা বর্ণগত, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক ‘বিষ’ থেকে পরিশুদ্ধ।

এই ধারণাকেই তিনি ‘গ্যাস্ট্রোফ্যাসিজম’ নামে অভিহিত করেছেন। চিনোত্তোর সংজ্ঞা অনুযায়ী, গ্যাস্ট্রোফ্যাসিজম হলো এমন এক জটিল মতাদর্শ, যেখানে বিশ্বাস করা হয় যে একটি জাতি–যাকে একই সঙ্গে ভৌগোলিক ভূখণ্ড এবং বর্ণগতভাবে সংজ্ঞায়িত জনগোষ্ঠী হিসেবে কল্পনা করা হয় এবং তাকে টিকিয়ে রাখা তখনই সম্ভব, যখন সেই জাতি তার তথাকথিত ‘ঐতিহ্যবাহী’ খাদ্য নিরাপদ করবে, উৎপাদন করবে এবং ভোগ করবে। আর এই লক্ষ্য অর্জনে প্রয়োজনে দখল ও উপনিবেশ স্থাপনকেও বৈধ বলে বিবেচনা করা হবে।

গ্যাস্ট্রোফ্যাজিম-এর এই ধারণা পরে ফুড ফ্যাসিজম হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।

২০০৮ সালে ল্যাটিন আমেরিকা বিষয়ক রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও সাংবাদিক রজার বারব্যাক তার ‘দ্য রাইজ অব ফুড ফ্যাসিজম’ নিবন্ধে বলিভিয়ার কৃষি ব্যবসা ও ভূ-রাজনীতির প্রেক্ষাপটে খাদ্যের ওপর করপোরেট ও রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণের ধরনকে বর্ণনা করতে ‘ফুড ফ্যাসিজম’ শব্দটি ব্যবহার করেন।

পরবর্তীকালে দক্ষিণ এশিয়া, বিশেষ করে ভারতে খাদ্যাভ্যাস ও গোমাংসকে কেন্দ্র করে ধর্মীয়-রাজনৈতিক মেরুকরণ এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ওপর চাপিয়ে দেওয়া নিষেধাজ্ঞার আলোচনায় বিভিন্ন সমাজবিজ্ঞানী ও মানবাধিকার কর্মী এই পরিভাষাটির ব্যবহার শুরু করেন।

সমাজবিজ্ঞানী ও দার্শনিকরা দেখিয়েছেন যে, খাদ্য কেবল পুষ্টির বিষয় নয়। এটি পরিচয়, সংস্কৃতি ও ক্ষমতার সঙ্গেও গভীরভাবে যুক্ত। ফরাসি সমাজবিজ্ঞানী পিয়ের বুর্দিয়ু তার ‘ডিসটিংশন’ গ্রন্থে দেখিয়েছেন, খাদ্যাভ্যাস সামাজিক শ্রেণি ও সাংস্কৃতিক পুঁজির প্রতিফলন। অন্যদিকে উত্তরাধুনিক দার্শনিক মিশেল ফুকো তার ‘দ্য হিস্ট্রি অব সেক্সচুয়ালিটি’তে ‘বায়োপওয়ার’ ধারণার মাধ্যমে ব্যাখ্যা করেছে যে, আধুনিক রাষ্ট্র মানুষের দেহ, স্বাস্থ্য ও জীবনযাত্রাকে নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে ক্ষমতা প্রয়োগ করে। খাদ্য নিয়ন্ত্রণও এই ক্ষমতা চর্চার একটি অংশ হতে পারে।

ফুড ফ্যাসিজমের উদাহরণ খোলা চোখেই বিভিন্নভাবে দেখা যায়। কোনো সমাজে নির্দিষ্ট খাদ্যকে ‘নৈতিক’ এবং অন্য খাদ্যকে ‘অনৈতিক’ হিসেবে প্রচার করা ফুড ফ্যাসিজম। ধর্ম বা জাতীয়তাবাদের নামে খাদ্যাভ্যাসের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ, কিংবা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে খাদ্য সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ–এসবই এর উদাহরণ।

খাবার নিয়ে আলোচনায় আরও একটি বিষয় উঠে আসে। ‘আমার খাবার’, ‘ওর খাবার’। এর উদাহরণ বাংলাদেশেই মিলবে। দেশের পাহাড় ও সমতলের আদিবাসীদের নানা খাদ্যাভ্যাস ও সংস্কৃতি নিয়ে নাক সিঁটকানো একটি স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া হিসেবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখা যায়। আদিবাসীদের নানা পদের খাবারের উপকরণ নিয়ে তাদের ছোট করা এবং প্রায় ক্ষেত্রেই ঘৃণা-বিদ্বেষমূলক মন্তব্যও ফুড ফ্যাসিজমের একটি উদাহরণ। কারণ, এখানে একটি নির্দিষ্ট জাতিগোষ্ঠীকে লক্ষ্য করে সংখ্যাগুরু আরেকটি জাতির মানুষ নিজের ধর্মাচরণ দিয়ে অন্যকে বিচার করছে।

তবে এখানে একটা কথা বলা দরকার, জনস্বাস্থ্য রক্ষার উদ্দেশ্যে বৈজ্ঞানিক প্রমাণের ভিত্তিতে ট্রান্স-ফ্যাট সীমিত করা, খাদ্যের লেবেলিং বাধ্যতামূলক করা বা নিরাপদ খাদ্য আইন আরোপ–এসবকে সাধারণভাবে ফুড ফ্যাসিজম বলা যায় না। কারণ, এগুলোর উদ্দেশ্য জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, ব্যক্তিস্বাধীনতা দমন নয়। তাছাড়া প্রাণীর মাংস খাওয়ার ক্ষেত্রেও একটি কথা রয়েছে। বিলুপ্তি থেকে রক্ষা করতে যদি কোনো প্রজাতির প্রাণী খাওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়, সেটাও ফুড ফ্যাসিজমের মধ্যে পড়ে না।

বিষয়: খাবারখাদ্য সংস্কৃতিখাবারদাবাররাজনীতিসংস্কৃতিখাদ্যাভ্যাস
সর্বশেষ
  • ১

    রাজধানীর ধানমন্ডিতে ভবনে আগুন

  • ২

    হংকংয়ের বিনিয়োগ আকর্ষণে বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব বাংলাদেশের

  • ৩

    মেঘের শারীরিক অবস্থা এখনো ‘অস্থিতিশীল’, মেডিকেল বোর্ড গঠন

  • ৪

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক: তিন দিনে ২৬ হাজার গ্রাহক তুললেন কত টাকা

  • ৫

    ফিলিপাইনে যাত্রীবাহী ফেরিতে আগুনে নিহত ৫, নিখোঁজ ৮০ জনের বেশি

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।