চরচা প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোট দেওয়ার সময় সামান্য ভুলে ব্যালট বাতিল হতে পারে। তাই ভোটের প্রতিটি ধাপ সঠিকভাবে অনুসরণ করা জরুরি।
গত ১১ ডিসেম্বর জাতির উদ্দেশে ভাষণের মাধ্যমে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও দেশের ইতিহাসের চতুর্থ গণভোট হবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে চলবে ভোটগ্রহণ। ভোটে ব্যবহৃত হবে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স।
ভোটকেন্দ্র থেকে ব্যালট বাক্স—পুরো প্রক্রিয়ায় কীভাবে ভোট দিলে তা নষ্ট হবে না, তা তুলে ধরা হলো এই এক্সপ্লেইনারে। নির্বাচন কমিশনের দেওয়া নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি ধাপ অনুসরণ করলে কেন্দ্রে বা পোস্টাল—দুই ক্ষেত্রেই ভোট নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি থাকবে না।
ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ ও কক্ষ শনাক্তকরণ
ভোটের দিন সকালে ভোটাররা নিজ নিজ ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হবেন। নির্বাচন কমিশন বলছে, নারী ও পুরুষ ভোটারদের জন্য আলাদা লাইন থাকবে। কেন্দ্রে প্রবেশের পর ভোটার ক্রমিক নম্বর অনুযায়ী যেতে হবে নির্দিষ্ট কক্ষে। এ বিষয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত আনসার সদস্যরা প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবেন। ক্রমিক নম্বর ভোটের কক্ষের বাইরে লেখা থাকবে।

পরিচয় যাচাই ও ব্যালট গ্রহণের ধাপ
নির্বাচন কমিশন বলছে, ভোট কক্ষে প্রথম পোলিং অফিসার ভোটারের নাম ও ক্রমিক নম্বর জিজ্ঞাসা করে ভোটার তালিকার ছবির সঙ্গে চেহারা মিলিয়ে দেখবেন। এরপর তিনি জোরে নাম ও নম্বর উচ্চারণ করবেন, যাতে সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার ও পোলিং এজেন্টরা শুনতে পারেন।
এরপর দ্বিতীয় পোলিং অফিসার ভোটারের আঙুলে অমোচনীয় কালি লাগিয়ে দেবেন। পরে সহকারী প্রিসাইডিং অফিসারের টেবিলে ভোটার নম্বর লিপিবদ্ধ করার পর ভোটার দুটি ব্যালট পেপার পাবেন—একটি গণভোটের জন্য গোলাপি ব্যালট, অন্যটি সংসদ সদস্য নির্বাচনের জন্য সাদা-কালো ব্যালট।
নির্বাচন কমিশন বলছে, ব্যালট গ্রহণের সময় সই করতে হবে। ব্যালটের সঙ্গে সিল মারার জন্য একটি রাবার স্ট্যাম্প দেওয়া হবে।
গোপন কক্ষে গিয়ে ব্যালট পেপারে সিল
ব্যালট ও স্ট্যাম্প নিয়ে গোপন কক্ষে প্রবেশ করতে হবে। অনেক কেন্দ্রে একাধিক গোপন কক্ষ থাকবে, যাতে একসঙ্গে একাধিক ভোটার ভোট দিতে পারেন।
নির্বাচন কমিশন বলছে, গণভোটের গোলাপি ব্যালটে ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’—দুটি ঘর থাকবে। সংস্কার বা পরিবর্তনের পক্ষে ভোট দিতে হলে ‘হ্যাঁ’র ঘরে সিল দিতে হবে। পরিবর্তনের বিপক্ষে মত থাকলে সিল দিতে হবে ‘না’র ঘরে।
সংসদ সদস্য নির্বাচনের সাদা-কালো ব্যালটে পছন্দের প্রার্থী বা দলের প্রতীকে সিল দিতে হবে। সিল নির্ধারিত ঘরের বাইরে গেলে ব্যালট বাতিল হবে। সিল দেওয়ার পর এই ব্যালটটিও আগে লম্বালম্বি, পরে আড়াআড়ি ভাঁজ করতে হবে।

ব্যালট ভাঁজ করার নিয়ম
পোলিং অফিসারের কাছ থেকে থেকে ব্যালট পেপার নিয়ে ভোট দেওয়ার গোপন কক্ষে ভোটারকে যেতে হবে। সেখানে প্রতীকের ওপরে বা পাশের অংশে সিল দিয়ে ভোট দিতে হবে। সিল দেওয়ার সময় অনেকে প্রতীকের ডানপাশে সিল দেন। সেটা করা যাবে না। সেক্ষেত্রে ভোট বাতিল হয়ে যেতে পারে।
নির্বাচন কমিশন বলছে, সিল দেওয়ার পর ব্যালটটি আগে লম্বালম্বি এবং পরে আড়াআড়ি ভাঁজ করতে হবে, যাতে কালি অন্য ঘরে না লাগে। কাগজ যথাযথভাবে ভাঁজ করতে হবে। কাগজ ভাঁজ করা হলে ব্যালট বাক্সে ফেলে দিতে হবে। ভাঁজ করার ক্ষেত্রে অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে যাতে করে সিল অন্য একটি মার্কার সঙ্গে যুক্ত না হয়।
ব্যালট বাক্সে ভোট প্রদান
গোপন কক্ষ থেকে বের হয়ে রাবার স্ট্যাম্পটি সহকারী প্রিসাইডিং অফিসারকে ফেরত দিতে হবে। এরপর একই ব্যালট বাক্সে দুটি ব্যালট পেপার ফেলতে হবে। এভাবেই সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোট প্রদান সম্পন্ন হবে।
পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার নিয়ম
ইসি নির্ধারিত আইটি সাপোর্টেড পোস্টাল ভোটিং ব্যবস্থায় ভোট দিতে হলে নির্দিষ্ট কয়েকটি ধাপ অনুসরণ করতে হবে। ইসির দেওয়া খাম পাওয়ার পর মোবাইল নম্বর নিশ্চিত করতে হবে, নিজের ছবি তুলতে হবে এবং খামের ওপর থাকা কিউআর কোড স্ক্যান করতে হবে।
নির্বাচন কমিশন বলছে, ব্যালট পেপারে নির্ধারিত ঘরে টিক বা চিহ্ন দিয়ে ভোট দিতে হবে। এরপর খামের ভেতরে থাকা ঘোষণাপত্রে সই করে ভোট দেওয়া ব্যালট পেপার রিটার্ন খামে রেখে তা বন্ধ করতে হবে। সবশেষে কাছের পোস্ট অফিসে খাম জমা দিতে হবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোট দেওয়ার সময় সামান্য ভুলে ব্যালট বাতিল হতে পারে। তাই ভোটের প্রতিটি ধাপ সঠিকভাবে অনুসরণ করা জরুরি।
গত ১১ ডিসেম্বর জাতির উদ্দেশে ভাষণের মাধ্যমে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও দেশের ইতিহাসের চতুর্থ গণভোট হবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে চলবে ভোটগ্রহণ। ভোটে ব্যবহৃত হবে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স।
ভোটকেন্দ্র থেকে ব্যালট বাক্স—পুরো প্রক্রিয়ায় কীভাবে ভোট দিলে তা নষ্ট হবে না, তা তুলে ধরা হলো এই এক্সপ্লেইনারে। নির্বাচন কমিশনের দেওয়া নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি ধাপ অনুসরণ করলে কেন্দ্রে বা পোস্টাল—দুই ক্ষেত্রেই ভোট নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি থাকবে না।
ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ ও কক্ষ শনাক্তকরণ
ভোটের দিন সকালে ভোটাররা নিজ নিজ ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হবেন। নির্বাচন কমিশন বলছে, নারী ও পুরুষ ভোটারদের জন্য আলাদা লাইন থাকবে। কেন্দ্রে প্রবেশের পর ভোটার ক্রমিক নম্বর অনুযায়ী যেতে হবে নির্দিষ্ট কক্ষে। এ বিষয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত আনসার সদস্যরা প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবেন। ক্রমিক নম্বর ভোটের কক্ষের বাইরে লেখা থাকবে।

পরিচয় যাচাই ও ব্যালট গ্রহণের ধাপ
নির্বাচন কমিশন বলছে, ভোট কক্ষে প্রথম পোলিং অফিসার ভোটারের নাম ও ক্রমিক নম্বর জিজ্ঞাসা করে ভোটার তালিকার ছবির সঙ্গে চেহারা মিলিয়ে দেখবেন। এরপর তিনি জোরে নাম ও নম্বর উচ্চারণ করবেন, যাতে সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার ও পোলিং এজেন্টরা শুনতে পারেন।
এরপর দ্বিতীয় পোলিং অফিসার ভোটারের আঙুলে অমোচনীয় কালি লাগিয়ে দেবেন। পরে সহকারী প্রিসাইডিং অফিসারের টেবিলে ভোটার নম্বর লিপিবদ্ধ করার পর ভোটার দুটি ব্যালট পেপার পাবেন—একটি গণভোটের জন্য গোলাপি ব্যালট, অন্যটি সংসদ সদস্য নির্বাচনের জন্য সাদা-কালো ব্যালট।
নির্বাচন কমিশন বলছে, ব্যালট গ্রহণের সময় সই করতে হবে। ব্যালটের সঙ্গে সিল মারার জন্য একটি রাবার স্ট্যাম্প দেওয়া হবে।
গোপন কক্ষে গিয়ে ব্যালট পেপারে সিল
ব্যালট ও স্ট্যাম্প নিয়ে গোপন কক্ষে প্রবেশ করতে হবে। অনেক কেন্দ্রে একাধিক গোপন কক্ষ থাকবে, যাতে একসঙ্গে একাধিক ভোটার ভোট দিতে পারেন।
নির্বাচন কমিশন বলছে, গণভোটের গোলাপি ব্যালটে ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’—দুটি ঘর থাকবে। সংস্কার বা পরিবর্তনের পক্ষে ভোট দিতে হলে ‘হ্যাঁ’র ঘরে সিল দিতে হবে। পরিবর্তনের বিপক্ষে মত থাকলে সিল দিতে হবে ‘না’র ঘরে।
সংসদ সদস্য নির্বাচনের সাদা-কালো ব্যালটে পছন্দের প্রার্থী বা দলের প্রতীকে সিল দিতে হবে। সিল নির্ধারিত ঘরের বাইরে গেলে ব্যালট বাতিল হবে। সিল দেওয়ার পর এই ব্যালটটিও আগে লম্বালম্বি, পরে আড়াআড়ি ভাঁজ করতে হবে।

ব্যালট ভাঁজ করার নিয়ম
পোলিং অফিসারের কাছ থেকে থেকে ব্যালট পেপার নিয়ে ভোট দেওয়ার গোপন কক্ষে ভোটারকে যেতে হবে। সেখানে প্রতীকের ওপরে বা পাশের অংশে সিল দিয়ে ভোট দিতে হবে। সিল দেওয়ার সময় অনেকে প্রতীকের ডানপাশে সিল দেন। সেটা করা যাবে না। সেক্ষেত্রে ভোট বাতিল হয়ে যেতে পারে।
নির্বাচন কমিশন বলছে, সিল দেওয়ার পর ব্যালটটি আগে লম্বালম্বি এবং পরে আড়াআড়ি ভাঁজ করতে হবে, যাতে কালি অন্য ঘরে না লাগে। কাগজ যথাযথভাবে ভাঁজ করতে হবে। কাগজ ভাঁজ করা হলে ব্যালট বাক্সে ফেলে দিতে হবে। ভাঁজ করার ক্ষেত্রে অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে যাতে করে সিল অন্য একটি মার্কার সঙ্গে যুক্ত না হয়।
ব্যালট বাক্সে ভোট প্রদান
গোপন কক্ষ থেকে বের হয়ে রাবার স্ট্যাম্পটি সহকারী প্রিসাইডিং অফিসারকে ফেরত দিতে হবে। এরপর একই ব্যালট বাক্সে দুটি ব্যালট পেপার ফেলতে হবে। এভাবেই সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোট প্রদান সম্পন্ন হবে।
পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার নিয়ম
ইসি নির্ধারিত আইটি সাপোর্টেড পোস্টাল ভোটিং ব্যবস্থায় ভোট দিতে হলে নির্দিষ্ট কয়েকটি ধাপ অনুসরণ করতে হবে। ইসির দেওয়া খাম পাওয়ার পর মোবাইল নম্বর নিশ্চিত করতে হবে, নিজের ছবি তুলতে হবে এবং খামের ওপর থাকা কিউআর কোড স্ক্যান করতে হবে।
নির্বাচন কমিশন বলছে, ব্যালট পেপারে নির্ধারিত ঘরে টিক বা চিহ্ন দিয়ে ভোট দিতে হবে। এরপর খামের ভেতরে থাকা ঘোষণাপত্রে সই করে ভোট দেওয়া ব্যালট পেপার রিটার্ন খামে রেখে তা বন্ধ করতে হবে। সবশেষে কাছের পোস্ট অফিসে খাম জমা দিতে হবে।