
গণভোটের রায় উপেক্ষা করা গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা। জাতীয় সমঝোতার সুযোগ এখনো আছে। রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের আলোচনা সভায় এমনটাই বলেছেন বক্তারা।

“দেশের প্রায় ৭০% মানুষ গণভোটের পক্ষে হ্যাঁ ভোট দিয়ে নিজেদের রায় জানিয়ে দিয়েছেন। এখন গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করা মানে দেশের প্রতিটি নাগরিককে অপমান করা।”

‘‘৫ আগস্টের পর থেকে শিবির কোভার্ট পলিটিক্স করেছে, যেটা ডাকসুতেও দেখেছি…। কিন্তু দিনের পর দিন যখন এই মুখোশটা খসে পড়তে শুরু করল, তখন শিক্ষার্থীদের মধ্যে অবিশ্বাস তৈরি হয়। এই অবিশ্বাসের ফলে ধীরে ধীরে সম্পৃক্ততা কমে যায়।”

‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাস্তবায়ন জাতীয় সংসদে এক জটিল ও বহুস্তরীয় বিতর্কে পরিণত হয়েছে। ঠিক ছয় মাস আগে সনদটি প্রণয়ন এবং বাস্তবায়ন পদ্ধতি নিয়ে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনেও ছিল একই চিত্র। সনদের আইনি বৈধতা এবং বাস্তবায়নের পথ নিয়ে মতপার্থক্য নানা পথ ঘুরে শেষমেশ যেন আবার একই বিন্দুতে এসে পৌঁছেছে।

সামগ্রিকভাবে বিশ্লেষণ করলে, স্লোভেনিয়ার এই গণভোটের ঘোষণা শুধু একটি ছোট দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির বিষয় নয়। এটি একটি বৃহত্তর ও গভীরতর পরিবর্তনের লক্ষণ।

সময় ক্ষেপণ না করে জাতীয় সংসদের মাধ্যমে জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় কার্যকরের দাবি জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য। জোটের নেতারা বলেছেন, দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে ক্ষমতায় গিয়েই বিএনপি জুলাই অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা থেকে পিছু হটেছে। সংসদে চলছে এই নিয়ে সরকারি ও বিরোধীদলের তর্ক-বিতর

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

শনিবার (৪ এপ্রিল ২০২৬) বিকেলে রাজধানীর বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেটে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে ১১ দলীয় জোটের বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে বক্তব্য দেন জোটের নেতারা।

শনিবার (৪ এপ্রিল ২০২৬) বিকেলে রাজধানীর বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেটে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে ১১ দলীয় জোটের বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে বক্তব্য দেন জোটের নেতারা।

শনিবার (৪ এপ্রিল ২০২৬) বিকেলে রাজধানীর বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেটে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে ১১ দলীয় জোটের বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে বক্তব্য দেন জোটের নেতারা।

জুলাই সনদের ২২ নম্বর ধারা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, সনদে স্বাক্ষরকারী দলগুলোর জন্য নারী প্রার্থী মনোনয়নের বিষয়টি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বিএনপি প্রায় ৫ শতাংশ নারী প্রার্থী দিয়েছে। অন্যদিকে জামায়াত একজনকেও দেয়নি।

সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ এবং স্বতন্ত্র সচিবালয় প্রতিষ্ঠার জন্য অধ্যাদেশসহ চারটি অধ্যাদেশ বাতিল করতে (রহিত) সংসদে বিল আনার সুপারিশ করেছে জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটি।

গণভোটের উদ্দেশ পূরণ হয়েছে বলে তা আর বিল আকারে সংসদে উঠছে না বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি জানান, এই অধ্যাদেশের অধীনে আর কোনো গণভোট হবে না।

বিরোধী দলগুলো চাইছে অনতিবিলম্বে জুলাই জাতীয় সনদের বাস্তবায়ন। না হলে রাজপথে আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে তারা। কিন্তু সরকার বলছে সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে সংসদে আগে আলোচনা হতে হবে। গণভোটের মাধ্যমে জনগণ যে রায় দিয়েছে তা কি সনদ বাস্তবায়নের জন্য যথেষ্ট? সামনের দিনগুলোতে রাজনীতি কেমন হবে?

বিরোধী দলগুলো চাইছে অনতিবিলম্বে জুলাই জাতীয় সনদের বাস্তবায়ন। না হলে রাজপথে আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে তারা। কিন্তু সরকার বলছে সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে সংসদে আগে আলোচনা হতে হবে। গণভোটের মাধ্যমে জনগণ যে রায় দিয়েছে তা কি সনদ বাস্তবায়নের জন্য যথেষ্ট? সামনের দিনগুলোতে রাজনীতি কেমন হবে?