Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

ন্যাটো কি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধে জড়িয়েছিল?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ২৭ জুন ২০২৬, ১২: ০৭
ন্যাটো কি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধে জড়িয়েছিল?

চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলা শুরু করেছিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এই সংঘাত শুরুর পর থেকেই তেহরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানে সমর্থন না দেওয়ায় ইউরোপীয় মিত্রদের সমালোচনা করে আসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

গত বুধবার পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোর মহাসচিব মার্ক রুটের সঙ্গে বৈঠকে ট্রাম্প আবারও সেই অসন্তোষ প্রকাশ করেন।

তবে সরাসরি যুদ্ধে না জড়ালেও পর্দার আড়াল থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তার দাবি করেছেন ন্যাটো মহাসচিব। এর পরপরই যুদ্ধে সরাসরি জড়িত বলে ন্যাটোকে অভিযুক্ত করে ইরান।

মার্ক রুটের সঙ্গে বৈঠকে ট্রাম্প জানান, ইতালি, যুক্তরাজ্য, জার্মানি ও ফ্রান্স তাকে হতাশ করেছে। স্পেনের ভূমিকা নিয়েও তিনি তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

তবে রুটের দাবি, প্রকাশ্যে যুদ্ধে না নামলেও পর্দার আড়ালে যুক্তরাষ্ট্রকে অনেক সহায়তা করেছে ইউরোপ। বিভিন্ন গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি ইরান যুদ্ধের সময় ইউরোপের ভূমিকা তুলে ধরে ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে চলমান উত্তেজনা কমানোর চেষ্টা করেছেন।

রুটে বলেন, “একের পর এক মিত্র দেশ ইরান যুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীকে তাদের সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের সুযোগ দিয়েছে।”

US-Iran-talk01
ইরান দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র তার যুদ্ধে যে ক্ষতি করেছে তার ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। ছবি: সংগৃহীত

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বলছে, ন্যাটো মহাসচিবের এই অবস্থান থেকে বোঝা যায়, বিচ্ছিন্ন কয়েকটি ব্যতিক্রম ছাড়া যুদ্ধ চলাকালে ইউরোপের মিত্র দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রকে বিভিন্ন ধরনের লজিস্টিক সহায়তা দিয়েছে।

ইরানে ফের হামলা যুক্তরাষ্ট্রের, জবাব দিয়েছে তেহরানওIran-US-Diplomacy

তবে গতকাল বৃহস্পতিবার বাহরাইনের রাজধানী মানামাতে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও দাবি করেন, সংঘাতের সময় ইউরোপের সহযোগিতা প্রত্যাশার তুলনায় কম ছিল। ইউরোপের কিছু দেশ যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের সামরিক ঘাঁটি ব্যবহার করতে না দেওয়ায় ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের জোট দুর্বল হয়েছে বলে ও মন্তব্য করেন তিনি।

এমন পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠেছে– ইউরোপীয় মিত্রদের ওপর ট্রাম্প কেন অসন্তুষ্ট এবং ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোর অংশগ্রহণই বা কতটা ছিল।

যুদ্ধে ইউরোপ কীভাবে অংশ নিয়েছে?

রুটের মতে, যুদ্ধের সময় ইউরোপের বিভিন্ন দেশের সামরিক ঘাঁটি ব্যবহার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ছয় সপ্তাহে ইউরোপের ঘাঁটি থেকে প্রায় ৪ থেকে ৫ হাজার মার্কিন সামরিক বিমান উড্ডয়ন করেছে।

ন্যাটো জানান, ইরানের চালানো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান ‘অপারেশন এপিক থিওরি’ চলাকালীন ইতালির ঘাঁটি থেকে প্রায় ৫০০টি মার্কিন বিমান উড্ডয়ন করেছে। তাছাড়া রোমানিয়াও তাদের বিমানবন্দর যুক্তরাষ্ট্রকে ব্যবহার করতে দিয়েছে এবং প্রয়োজনে বাণিজ্যিক ফ্লাইট কমিয়ে দেওয়ার মতো সিদ্ধান্তও নিয়েছিল।

রুটে আরও জানান, ইউরোপীয় মিত্ররা এখনো হরমুজ প্রণালিতে মাইন অপসারণসহ বিভিন্ন কাজে যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তা করছে। আবার ইউরোপের দেশগুলোতে প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়ানোর কৃতিত্বও তিনি ট্রাম্পকে দিয়েছেন।

এদিকে, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে সরাসরি যোগ দিতে অস্বীকৃতি জানান। তবে তিনি ভারত মহাসাগরের ডিয়েগো গার্সিয়া সামরিক ঘাঁটি কেবল প্রতিরক্ষামূলক কার্যক্রমের জন্য ব্যবহারের অনুমতি দেন।

ইরানে যুদ্ধ বন্ধ হওয়া কেন ইসরায়েলের বড় ব্যর্থতা?israel-aipic

সরাসরি কেন যুদ্ধে জড়ায়নি ইউরোপ?

আল জাজিরা বলছে, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানকে ইউরোপের বেশির ভাগ দেশ রাজনৈতিকভাবে সমর্থন করলেও তারা সরাসরি যুদ্ধে অংশ নেয়নি। তাদের ভাষ্য ছিল, ‘এটি ইউরোপের যুদ্ধ নয়’।

বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধ শুরুর আগে ইউরোপীয় ইউনিয়েনের সঙ্গে কোনো পরামর্শ না করা এবং অভিযানের স্পষ্ট আইনি ভিত্তি না থাকায় ইউরোপের দেশগুলো এতে সক্রিয়ভাবে জড়াতে অনাগ্রহ দেখায়।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল দাবি করেছিল, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব গোয়েন্দা সংস্থাও এই দাবি সমর্থন করেনি।

হোয়াইট হাউসে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ন্যাটো মহাসচিব মার্ক রুটের বৈঠক। ছবি: রয়টার্স
হোয়াইট হাউসে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ন্যাটো মহাসচিব মার্ক রুটের বৈঠক। ছবি: রয়টার্স

যুদ্ধ চলাকালে বেসামরিক মানুষ এবং স্কুল-হাসপাতালের মতো স্থাপনায় বারবার হামলার ঘটনাও ইউরোপীয় দেশগুলোর উদ্বেগ বাড়ায়। এসব কারণে পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলো যুদ্ধ বন্ধে আলোচনার ওপর জোর দেয় এবং উপসাগরীয় দেশগুলোর ওপর ইরানের হামলারও নিন্দা জানায়।

তবে স্পেনসহ কয়েকটি দেশ ট্রাম্পের যুদ্ধনীতির প্রকাশ্যে সমালোচনা করে। তারা দ্রুত যুদ্ধবিরতি এবং সব পক্ষকে আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলার আহ্বান জানায়। এর আগে গাজায় ইসরায়েলের অভিযানকেও ‘গণহত্যা’ বলে আখ্যা দিয়েছিল স্পেন।

ইরানের সঙ্গে চুক্তি নিয়ে ভ্যান্সের দাবি কতটা সত্য?JD vance

ইরানের প্রতিক্রিয়া

ন্যাটোর মহাসচিবের বক্তব্যের পর ইরান অভিযোগ করেছে, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধে ন্যাটো ‘সক্রিয়ভাবে জড়িত’ ছিল। ইরানের দাবি, এই যুদ্ধে দেশটিতে ৩ হাজার ৪০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন এবং তেল স্থাপনা ও বেসামরিক অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই এক্সে দেওয়া পোস্টে বলেন, “ন্যাটোর এই স্বীকারোক্তি প্রমাণ করে যে একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অবৈধ আগ্রাসনে তারা সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিল। এটি আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ সনদের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।”

এই ইরানি কর্মকর্তা আরও বলেন, ইরানে চালানো যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের আগ্রাসনে সহায়তা করা ইউরোপের প্রতিটি দেশকে নিজেদের জনগণ ও বিশ্বের কাছে ব্যাখ্যা দিতে হবে যে কেন তারা এই আগ্রাসন এবং ইরানি জনগণের বিরুদ্ধে সংঘটিত ভয়াবহ হামলায় সহযোগিতা করেছে।

ইতালি কী বলেছে?

ন্যাটোর মহাসচিবের বক্তব্য ইতালিতে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। কারণ, ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি আগেই প্রকাশ্যে জানিয়েছিলেন, তার দেশ ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নেবে না।

ইতালির প্রতিরক্ষামন্ত্রী গুইদো ক্রোসেটোর দাবি, অনুমোদিত সহায়তামূলক উড়োজাহাজ চলাচল ও যুদ্ধ পরিচালনার কার্যক্রমকে এক করে বিভ্রান্তিকর বার্তা দিয়েছেন মার্ক রুটে।

গুইদো ক্রোসেটো বলেন, সংবিধান, আন্তর্জাতিক চুক্তি এবং দেশটিতে থাকা মিত্রদেশগুলোর সামরিক ঘাঁটি-সংক্রান্ত নিয়ম মেনেই কাজ করেছে ইতালি। সরকার শুধু কারিগরি ও লজিস্টিক সহায়তার অনুমতি দিয়েছে, কোনো যুদ্ধ পরিচালনার নয়। তিনি জানান, ১৯৫৪ সালের যুক্তরাষ্ট্র-ইতালি চুক্তি অনুযায়ী কিছু লজিস্টিক ও অযুদ্ধ (নন-কমব্যাট) কার্যক্রমের জন্য সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে।

ইতালিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ১২০টি সামরিক স্থাপনা রয়েছে। এর মধ্যে সিসিলির সিগোনেলা নৌ বিমানঘাঁটি এবং উত্তর ইতালির আভিয়ানো বিমানঘাঁটি উল্লেখযোগ্য।

সমঝোতা হয়েছে, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের মধ্যে চুক্তি কি হবে?US-Iran-talk01

যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটোর মধ্যে টানাপোড়েন কেন?

ন্যাটো ১৯৪৯ সালে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের হুমকি মোকাবিলায় গঠিত হয়। এতে ইউরোপের বিভিন্ন দেশ, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা সদস্য রয়েছে।

দ্বিতীয় মেয়াদে হোয়াইট হাউসে ফেরার পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বারবার ন্যাটো সদস্যদের প্রতিরক্ষা ব্যয় কম হওয়ার সমালোচনা করেছেন। তার অভিযোগ, ইউরোপীয় দেশগুলো নিজেদের নিরাপত্তার জন্য অতিরিক্তভাবে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভর করছে।

ট্রাম্প চান, ন্যাটোর প্রতিটি সদস্য দেশ প্রতিরক্ষায় তাদের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৫ শতাংশ ব্যয় করুক। তবে বেশির ভাগ দেশ ব্যয় বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিলেও ট্রাম্পের চাওয়া অনুযায়ী ৫ শতাংশ বাড়াতে রাজি হয়নি। এরই মধ্যে ট্রাম্প প্রশাসন জার্মানি থেকে কিছু মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণাও দিয়েছে।

আল জাজিরা বলছে, ইরান যুদ্ধের সময় এই মতবিরোধ আরও বেড়ে যায়। ট্রাম্প অভিযোগ করেন, ইউরোপীয় দেশগুলো হরমুজ প্রণালি নিরাপদ রাখতে যুক্তরাষ্ট্রকে যথেষ্ট সহযোগিতা করেনি। একপর্যায়ে তিনি ন্যাটো ছাড়ার হুমকিও দেন।

বুধবার হোয়াইট হাউসে রুটের পাশে বসে ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের হয়তো কারো সহায়তা দরকার ছিল না। কিন্তু ইউরোপের দেশগুলো যদি সাহায্যের প্রস্তাব দিত, তাহলে ভালো লাগত।

এমন পরিস্থিতিতে রুটের এই যুক্তরাষ্ট্র সফরকে ট্রাম্পের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েন কমানোর চেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে। আর মাত্র দুই সপ্তাহ পর তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় ন্যাটোর বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

বিষয়: হামলাইরানমধ্যপ্রাচ্যডোনাল্ড ট্রাম্পযুক্তরাষ্ট্রযুদ্ধইসরায়েলন্যাটো
সর্বশেষ
  • ১

    সিএমএসএমই খাতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও এনআরবি ব্যাংকের চুক্তি

  • ২

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

  • ৩

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ৪

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৫

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।