Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

২৫ ডিসেম্বর কেন ক্রিসমাস পালন করে না রাশিয়া?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৪: ০৫
২৫ ডিসেম্বর কেন ক্রিসমাস পালন করে না রাশিয়া?

বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশেই ২৫ ডিসেম্বর ক্রিসমাস পালন করা হয়, তবে ব্যতিক্রম রাশিয়া। দেশটিতে এই উৎসব আসে আরও দুই সপ্তাহ পরে, ৭ জানুয়ারি। তখন আলো ঝলমলে উচ্ছ্বাসের বদলে পরিবেশ থাকে শান্ত, রাস্তাঘাটে নিস্তব্ধতা, আর উৎসবটি যেন আনন্দের চেয়ে বেশি এক ধরনের বিরতি।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

এর কারণ কেবল ক্যালেন্ডারের একটি তারিখ নয়। এটি বিশ্বাস, ইতিহাস এবং এমন এক জাতির গল্প- যারা বিশ্ব এগিয়ে গেলেও নিজেদের ঐতিহ্য আঁকড়ে ধরে রেখেছে।

যে ক্যালেন্ডারে নেই তাড়াহুড়া

রাশিয়ায় ক্রিসমাসের এই ভিন্ন তারিখের ইতিহাস কয়েক শতাব্দীর পুরোনো। একসময় পুরো খ্রিস্টান বিশ্বই জুলিয়ান ক্যালেন্ডার অনুসরণ করত। কিন্তু ১৫৮২ সালে ইউরোপের বড় একটি অংশ নতুন গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার গ্রহণ করে। তবে রুশ অর্থোডক্স চার্চ ধর্মীয় আচার পালনের ক্ষেত্রে পুরোনো জুলিয়ান ক্যালেন্ডারই বজায় রাখে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

এই সিদ্ধান্ত আজও রাশিয়ার জীবনে প্রভাব ফেলছে। দৈনন্দিন রাষ্ট্রীয় কাজে রাশিয়া গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার ব্যবহার করলেও ধর্মীয় উৎসবগুলো পালিত হয় জুলিয়ান ক্যালেন্ডার অনুযায়ী।

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই দুই ক্যালেন্ডারের ব্যবধান বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩ দিনে। ফলে চার্চ যখন ২৫ ডিসেম্বর উদযাপন করে, তখন বিশ্বের অন্য অংশে তারিখ হয়ে যায় ৭ জানুয়ারি।

এই ব্যবধান শুধু ক্রিসমাসের তারিখই বদলায়নি, বদলে দিয়েছে উৎসবের চরিত্রও। রাশিয়ায় জাঁকজমকপূর্ণ কাউন্টডাউন, আতশবাজি আর উপহার বিনিময় হয় নববর্ষের রাতে। সেদিনই পরিবারগুলো ঝলমলে গাছের পাশে জড়ো হয়, শিশুরা অপেক্ষা করে ডেড মোরোজের (সান্তা ক্লজের মতো কিংবদন্তি চরিত্র) জন্য, আর শহরজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে উৎসবের আলো।

বিশ্বাসে গড়া এক উৎসব

নববর্ষের ব্যস্ততা পেরিয়ে ক্রিসমাস আসায় রাশিয়ায় তেমন উৎসবের আমেজ দেখা যায়না। বরং এই উদযাপনে আধ্যাত্মিকতা বেশি। এখানে ভালো উপহার কেনা বা জমকালো পার্টির চাপ নেই। বরং উৎসবটি ঘিরে থাকে এমন সব আচার, যা আধুনিক জীবনের প্রভাব থেকে প্রায় মুক্ত।

ক্রিসমাসের আগের সন্ধ্যায় অনেক পরিবারে এখনও কঠোর উপবাস পালিত হয়। ঐতিহ্য অনুযায়ী প্রস্তুত করা হয় ১২ পদের নিরামিষ ভোজ, যা যিশুর ১২ জন শিষ্যকে সম্মান জানাতে উৎসর্গ করা হয়।

আকাশে প্রথম তারা দেখা না দেওয়া পর্যন্ত কেউ খাবার মুখে তোলে না। এই মুহূর্তটি এক সাধারণ শীতের রাতকে রূপ দেয় নীরব এক জাদুকরী অভিজ্ঞতায়।

বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশেই ২৫ ডিসেম্বর বড়দিন পালন করা হয়, তবে ব্যতিক্রম রাশিয়া। ছবি: রয়টার্স
বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশেই ২৫ ডিসেম্বর বড়দিন পালন করা হয়, তবে ব্যতিক্রম রাশিয়া। ছবি: রয়টার্স

এরপর মানুষ মোমবাতির আলোয় আলোকিত গির্জায় যায়, যেখানে প্রার্থনা চলে গভীর রাত পর্যন্ত। সোনালি আইকন ঝলমল করে, গায়কদল গেয়ে ওঠে প্রাচীন স্তোত্র, আর বাইরের দুনিয়া যেন অনেক দূরে সরে যায়। প্রার্থনা শেষে যখন তারা বরফে ঢাকা রাস্তায় ফিরে আসে, শহর থাকে নিস্তব্ধ-যেন তুষারও নীরবে কান পেতে শুনছে প্রার্থনা।

শীতের লোককথা যখন জীবন্ত হয়ে ওঠে

ক্রিসমাসের পরের দিনগুলো ‘সভিয়াতকি’ নামে পরিচিত, এটি রুশ পরিবারে নিয়ে আসে হাসি, চা আর প্রাচীন ভাগ্যগণনার রীতি।

শিশুরা হাতে তৈরি স্টার নিয়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘোরে, গায় ঐতিহ্যবাহী ক্যারোল গান ‘কলিয়াদকি’। প্রতিবেশীরা দরজা খুলে দেয়, এক অপরের হাতে মিষ্টি আর পিঠা-পায়েস তুলে দেয়, আর বরফঢাকা আঙিনায় অনেক রাত পর্যন্ত ভেসে বেড়ায় গান।

ডেড মোরোজ ও তার নাতনি স্নেগুরোচকা হাজির হন শহরের পার্ক ও চত্বরে-চিমনি বেয়ে নয়, বরং পরিষ্কার ভারী পোশাক পরে, গর্বিত ভঙ্গিতে। তারা গান ধরেন, শিশুদের হাতে তুলে দেন উপহার। তবে তাদের উপস্থিতি ক্রিসমাসের চেয়ে বেশি জড়িয়ে আছে রুশ নববর্ষ উদযাপনের সঙ্গেই।

বিষয়: রাশিয়াবড়দিনপরিবেশউৎসবঋতুনববর্ষক্রিসমাস
সর্বশেষ
  • ১

    সিএমএসএমই খাতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও এনআরবি ব্যাংকের চুক্তি

  • ২

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

  • ৩

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ৪

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৫

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।