
তিব্বতের বন্যা নিয়ে যেভাবে বয়ান নিয়ন্ত্রণ করছে চীন
নেপাল ও তিব্বতে ভয়াবহ বন্যার পর সীমান্তের দুই পাশেই উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। এর মধ্যেই দুর্যোগটি কীভাবে সংবাদমাধ্যমে তুলে ধরা হচ্ছে, তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিতর্ক ক্রমেই তীব্র হচ্ছে।
জ্বালানি সংকট, ভারতের আদানি পাওয়ারের সরবরাহ অর্ধেকে নেমে আসা, নেপাল থেকে চুক্তিকৃত বিদ্যুৎ না পাওয়া এবং একের পর এক বড় বিদ্যুৎ কেন্দ্রে যান্ত্রিক ত্রুটি ও রক্ষণাবেক্ষণজনিত বন্ধের কারণে নজিরবিহীন সংকটকাল অতিক্রম করছে দেশের বিদ্যুৎ খাত।
পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশের (পিজিসিবি) সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় দেশে সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৫৫৭ মেগাওয়াট পর্যন্ত লোডশেডিং করতে হয়েছে। ওইদিন সন্ধ্যার পিক আওয়ারেও (রাত ৯টা) লোডশেডিংয়ের পরিমাণ ছিল ২ হাজার ৬৮৯ মেগাওয়াট। এই সংকট গড়িয়েছে আজ শুক্রবার ভোর পর্যন্ত। যেখানে রাত ১টার দিকে ২ হাজার ৯৮১ মেগাওয়াট এবং সকাল ৬টার দিকে ২ হাজার ১০২ মেগাওয়াট লোডশেডিং রেকর্ড করা হয়েছে। প্রায় সব ধরনের জ্বালানির ঘাটতি তৈরি হওয়ায় আগামী দিনগুলোতে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
আদানির সরবরাহ কমেছে প্রায় অর্ধেক
ভারতের ঝাড়খণ্ডে অবস্থিত আদানি পাওয়ার থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ হঠাৎ কমে যাওয়া জাতীয় গ্রিডে বড় ধরনের সংকট টানাপোড়েন তৈরি করেছে। এক হাজার ৪৯৬ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন এই কেন্দ্র থেকে ৯ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় এক হাজার ৪৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া গেলেও ১০ সেপ্টেম্বর তা এক লাফে কমে দাঁড়ায় মাত্র ৬৯১ থেকে ৭৪৮ মেগাওয়াটে। অর্থাৎ, আদানি পাওয়ার থেকে প্রায় ৭০০ মেগাওয়াটের বেশি সরবরাহ হ্রাস পেয়েছে।

পিজিসিবি সূত্রে জানা যায়, ঝড়ের কারণে কয়লা সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় গত ৭ আগস্ট থেকে উৎপাদন কমেছে আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রে। গত মাসের শেষ দিকে উৎপাদন বাড়িয়ে দিনের বেলায় ৯০০ মেগাওয়াট করে তারা। আর সন্ধ্যা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত এক হাজার ২০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত সরবরাহ করছিল। গত বুধবার রাতেও এক হাজার ৪০০ মেগাওয়াট ছাড়িয়ে যায় আদানির উৎপাদন। তবে একটি ইউনিট বন্ধের পর উৎপাদন হচ্ছে ৭৫০ মেগাওয়াটের কম।
আদানির বিদ্যুৎ কেন্দ্র সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, কেন্দ্রটির বয়লারে সমস্যা হয়েছে। এটি শীতল হতে ৪৮ ঘণ্টা লাগতে পারে। এরপর ত্রুটি মেরামতের কাজ শুরু হবে। কবে নাগাদ পূর্ণ সক্ষমতায় আবার চালু হবে, তা জানতে আরও কিছু দিন অপেক্ষা করতে হবে।
আজ শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে আদানির সঙ্গে করা বাংলাদেশের চুক্তি নিয়ে সমালোচনা করেছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। তিনি বলেন, “আদানি কয়লা আনবে অস্ট্রেলিয়া থেকে। জাহাজ আদানির, কয়লার ফিল্ড আদানির, যে ঘাটে নামবে সেটা আদানির, যে প্ল্যান্টে যাবে সেটা আদানির। যে বিদ্যুতের দাম ২ টাকা, সে বিদ্যুৎ আমরা ২০ টাকায় কিনেছি। ১৭ শতাংশ বিদ্যুতের ক্ষেত্রে আমরা বিদেশের ওপর নির্ভরশীল। ইনডেমনিটি ছিল, বিদ্যুতের ব্যাপারে সরকারকে প্রশ্ন করা যাবে না। শেখ হাসিনা এটা করে গিয়েছিলেন। অন্তর্বর্তী সরকার বাতিল করেছে।”
চাহিদার তিন ভাগের এক ভাগ গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে
পেট্রোবাংলার দৈনিক গ্যাস সরবরাহ প্রতিবেদন থেকে দেখা যায়, বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর জন্য দৈনিক ২ হাজার ৫২৪ দশমিক ৯ মিলিয়ন ঘটফুট গ্যাসের চাহিদা থাকলেও সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে মাত্র ৮৬১ দশমিক ১ মিলিয়ন ঘনফুট। অর্থাৎ, চাহিদার মাত্র ৩৪ শতাংশ গ্যাস পাচ্ছে বিদ্যুৎ খাত।
পিডিবির তথ্য বলছে, গ্যাস ও তরল জ্বালানির স্বল্পতার কারণে ৯ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যার পিক আওয়ারে ৪ হাজার ৫৪১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে, যেখানে মোট গ্যাস সরবরাহ ছিল মাত্র ৮২২ এমএমসিএফডি।
গ্যাস সরবরাহের সংকটে ঘোড়াশাল এক হাজার ৩১৫ মেগাওয়াট, সামিট মেঘনাঘাট-২ (৫৮৩ মেগাওয়াট), রাউজান ২১০ মেগাওয়াট, ভেড়ামারা ৩৬০ মেগাওয়াট ও রূপসা ৮০০ মেগাওয়াটের মতো একাধিক বৃহৎ কেন্দ্র পুরোপুরি বন্ধ রাখতে হচ্ছে। এছাড়া চালু থাকা কেন্দ্রগুলোর মধ্যে ঘোড়াশাল ইউনিট-৪ , ইউনিট-৫, ইউনিট-৭, সামিট মেঘনাঘাট ৩৩৫ মেগাওয়াট, জেআরএ মেঘনাঘাট ৭১৮ মেগাওয়াট, চট্টগ্রাম টিপিপি, আশুগঞ্জ ১৯৫ মেগাওয়াট, আরপিসিএল ২১০ মেগাওয়াট, সিরাজগঞ্জ ২২৫ মেগাওয়াটের তিনটি ইউনিট ও ৪০০ মেগাওয়াটের ৪ নম্বর ইউনিট এবং ভেড়ামারা ৪১০ মেগাওয়াট সিসিডিবি গ্যাস সরবরাহ না পাওয়ায় উৎপাদন কম করতে বা পুরোপুরি বন্ধ রাখতে বাধ্য হচ্ছে।

কয়লা সংকট ও যান্ত্রিক ত্রুটির কবলে পায়রা-পটুয়াখালী
দেশের অন্যতম বড় পায়রা এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াট থার্মাল পাওয়ার প্ল্যান্টে যান্ত্রিক সমস্যার কারণে ৫১৬ মেগাওয়াট উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। অন্যদিকে, দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া ২৭৫ মেগাওয়াট কেন্দ্রটির ৩ নম্বর ইউনিটে আইডি ফ্যান সমস্যার কারণে ১১৭ মেগাওয়াট উৎপাদন কম হচ্ছে এবং কেন্দ্রটির ২ নম্বর ইউনিটটি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বন্ধ রাখায় ১১৯ মেগাওয়াট ঘাটতি থাকছে। অন্যদিকে, কয়লা সংকটের কারণে ২৯৪ মেগাওয়াট উৎপাদন কম করছে পটুয়াখালী এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াট (আরএনপিএল) বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি। বাগেরহাটের রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রও কয়লার সংকটে উৎপাদন কমিয়েছে।
নেপাল থেকে আমদানি শূন্য
নেপাল থেকে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির চুক্তি ও পরিকল্পনা থাকলেও ঘণ্টাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের তথ্য অনুযায়ী দেশটিতে ভয়াবহ বন্যার পর থেকে পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে বিদ্যুৎ সরবরাহ।
তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র শেষ ভরসা, কিন্তু ...
গ্যাস ও কয়লার ঘাটতি সামাল দিতে ফার্নেস অয়েল (এইচএফও) ও ডিজেলভিত্তিক কেন্দ্রগুলো থেকে বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদনের চেষ্টা করা হচ্ছে। গত বুধবার সন্ধ্যার পিক টাইমে তেলভিত্তিক কেন্দ্র থেকে ৩ হাজার ৩৫৯ মেগাওয়াট এবং গতকাল বৃহস্পতিবার ৩ হাজার ২৫৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়েছে। এতে জ্বালানি ব্যয়ের ক্ষেত্রে চাপ তৈরি হচ্ছে নিশ্চিতভাবেই। বুধবার এক দিনেই জ্বালানি বাবদ মোট ২৭০ কোটি ৯৯ লাখ টাকা ব্যয়ের মধ্যে শুধু তেলের পেছনেই খরচ হয়েছে ১০৪ কোটি ৬৭ লাখ টাকা, যা মোট জ্বালানি খরচের প্রায় ৩৮ দশমিক ৬ শতাংশ।

রূপপুরের বিদ্যুৎ এই গরমে পাওয়া গেল না
সার্বিক বিদ্যুৎ পরিস্থিতির এমন নাজুক অবস্থায় রূপপুরের বিদ্যুৎ স্বস্তি দিতে পারত। সেপ্টেম্বরে রূপপুরের প্রথম ইউনিট থেকে বিদ্যুৎ পাওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও কমিশনিং পর্যায়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভালভের কারিগরি সমস্যায় সেই সময়সূচি পিছিয়েছে। ফলে এই মাসে সম্ভাব্য প্রায় ৫০০ মেগাওয়াট পারমাণবিক বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যোগ হচ্ছে না। ঘাটতির সময়ে এই বিদ্যুৎ পাওয়া গেলে গ্যাস ও আমদানিকৃত জ্বালানি দিয়ে সমপরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদনের ওপর চাপ কিছুটা কমানো যেত।
ময়মনসিংহের অবস্থা নাজুক, স্বস্তিতে চট্টগ্রাম
গত বুধবার জাতীয় গ্রিডের সান্ধ্য পিকের অঞ্চলভিত্তিক তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, চাহিদার বিপরীতে বিদ্যুৎ ঘাটতি বা লোডশেডিংয়ের অনুপাতের দিক থেকে সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় রয়েছে ময়মনসিংহ। যেখানে এক হাজার ৫১৮ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে ৩৭৬ মেগাওয়াট লোডশেডিং করতে হয়েছে, যা মোট চাহিদার প্রায় চার ভাগের এক ভাগ। শতকরা ঘাটতির হিসাবে দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে রয়েছে যথাক্রমে সিলেট ও কুমিল্লা অঞ্চল। সিলেটে ৭৭৪ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে ১৪২ মেগাওয়াট (১৮ দশমিক ৩৫ শতাংশ) এবং কুমিল্লায় এক হাজার ৭৬৩ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে ২৯০ মেগাওয়াট (১৬ দশমিক ৪৫ শতাংশ) বিদ্যুৎ ঘাটতি ছিল।
খুলনা অঞ্চলে ২ হাজার ৯৩ মেগাওয়াটের চাহিদার বিপরীতে ৩০৭ মেগাওয়াট বা ১৪ দশমিক ৬৭ শতাংশ লোডশেডিং ছিল ওই সন্ধ্যায়। সবচেয়ে বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী ঢাকায় পরিমাণের দিক থেকে সর্বোচ্চ ৪৪৭ মেগাওয়াট লোডশেডিং করা হলেও চাহিদার অনুপাতে এটি ৭ দশমিক ২৮ শতাংশ। রংপুরে এক হাজার ৫৬ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে ৭৬ মেগাওয়াট (৭ দশমিক ২০ শতাংশ), রাজশাহীতে এক হাজার ৬৫৬ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে ১১৮ মেগাওয়াট (৭ দশমিক ১৩ শতাংশ) এবং বরিশাল অঞ্চলে ৫৪৬ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে ১২ মেগাওয়াট (২ দশমিক ২০ শতাংশ) লোডশেডিং রেকর্ড করা হয় বুধবার সন্ধ্যায়।
সবচেয়ে ভালো বা স্বস্তিদায়ক পরিস্থিতিতে রয়েছে চট্টগ্রাম অঞ্চল। এক হাজার ৫৯৫ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে মাত্র ৩ মেগাওয়াট বা শূন্য দশমিক ১৯ শতাংশ লোডশেডিং করতে হয়েছে।
চলতি গরমের মৌসুমে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা ১৭ হাজার ৮৫৫ মেগাওয়াট পর্যন্ত উঠছে। দেশের ক্যাপটিভ বাদে বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ২৯ হাজার মেগাওয়াটের বেশি। অথচ গ্যাস সরবরাহের বিশাল ঘাটতি, আদানির সরবরাহ কমে যাওয়া এবং শীর্ষ কয়লা ও গ্যাসচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর যান্ত্রিক বিপর্যয় বিদ্যুৎ ব্যবস্থাকে গভীর সংকটে ফেলেছে। দ্রুত প্রাথমিক জ্বালানি সরবরাহ বৃদ্ধি ও যান্ত্রিক গোলযোগ সমাধান না হলে সাধারণ গ্রাহক ও শিল্পখাতকে দীর্ঘমেয়াদী লোডশেডিংয়ের কবলে পড়তে হতে পারে বলে মনে করছেন বিদ্যুৎ খাত বিশেষজ্ঞরা।

তিব্বতের বন্যা নিয়ে যেভাবে বয়ান নিয়ন্ত্রণ করছে চীন
নেপাল ও তিব্বতে ভয়াবহ বন্যার পর সীমান্তের দুই পাশেই উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। এর মধ্যেই দুর্যোগটি কীভাবে সংবাদমাধ্যমে তুলে ধরা হচ্ছে, তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিতর্ক ক্রমেই তীব্র হচ্ছে।

সরকার বদলালেই বদলে যায় সোনালী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ, কী ক্ষতি হয়
সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে বদলে যায় রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদও। আওয়ামী লীগ সরকারের শেষ সময়ে যে পরিচালনা পর্ষদ ব্যাংকটি পরিচালনা করছিল, সরকার পতনের পর অল্প সময়ের মধ্যেই সেই বোর্ডে বড় ধরনের পরিবর্তন আসে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে নতুন চেয়ারম্যানসহ একাধিক পরিচালক নিয়োগ

নেপালে তরুণদের দাবি কতটা পূরণ হয়েছে?
নেপালে জেন-জি নেতৃত্বাধীন আন্দোলনের এক বছর পেরিয়েছে। গতবছর এ সময় সরকারের দুর্নীতির বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমেছিলেন হাজারো নেপালি তরুণ-তরুণী। বিক্ষোভ দমাতে সরকার কারফিউ জারি করে, অনেককে গ্রেপ্তার করা হয় এবং পুলিশের গুলিতে বেশ কয়েকজন নিহত হন। তবে সরকারের এসব পদেক্ষেপের ফল হয় উল্টো। আন্দোলনের চাপে শে

ট্রাম্প কি ক্ষমতার চূড়া ছুঁয়ে পতনের দিকে যাচ্ছেন?
ফরেন পলিসির সম্পাদক রবি আগারওয়াল সম্প্রতি লিখেছেন, কীভাবে ২০২৬ সালের শুরুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক বিশাল উদ্যাপনের মাধ্যমে তার দ্বিতীয় মেয়াদের সূচনা সফলভাবে উদ্যাপন করছিলেন। বিশ্বনেতা থেকে শুরু করে বিলিয়নেয়ারদের সমাগম ঘটেছিল সেখানে। মার-আ-লাগোর সেই বিলাসবহুল নৈশভোজ থেকে শুরু ক