Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> বিশ্লেষণ
দ্য ইকোনোমিস্টের বিশ্লেষণ

মুদ্রাস্ফীতিকে হারিয়ে দিচ্ছে জিম্বাবুয়ে, কীভাবে?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ২২ এপ্রিল ২০২৬, ১২: ০০
মুদ্রাস্ফীতিকে হারিয়ে দিচ্ছে জিম্বাবুয়ে, কীভাবে?

হারারে থেকে ৫০ কিলোমিটার উত্তরে মাজোয়ে নদী উপত্যকায় গেলেই দেখা যায় সোনার সন্ধানে এক ধরনের উন্মাদনা। পাহাড়ের গাঘেঁষে খননযন্ত্র দিয়ে এমনভাবে খুঁড়ে ফেলা হয়েছে যেন কোনো বাক্স থেকে আইসক্রিম তুলে নেওয়া হয়েছে। পাইপের মাধ্যমে নদীর পানি ঘুরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে ক্ষুদ্র খনি শ্রমিকদের ওয়াশিং স্টেশনে। পানি সরিয়ে নেওয়ার ফলে নদীটি এখন শুকিয়ে একটি কাদাভর্তি পুকুরে পরিণত হয়েছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

এই সোনার উন্মাদনার প্রভাব মাজোয়ের বাইরেও দৃশ্যমান। খামার দখল এবং অতি-মুদ্রাস্ফীতির ইতিহাসের কারণে জিম্বাবুয়েকে দীর্ঘকাল একটি অর্থনৈতিকভাবে পঙ্গু দেশ হিসেবে বিবেচনা করা হতো। কিন্তু দেশটি এখন এক বিচিত্র সমৃদ্ধি উপভোগ করছে। সোনা এবং অন্যান্য পণ্যের উচ্চমূল্যের কারণে এর অনানুষ্ঠানিক অর্থনীতিতে নগদ অর্থের প্রবাহ উপচে পড়ছে। ফলে কর্তৃপক্ষের পক্ষে টাকা ছাপানো এবং মুদ্রা বাজারে হস্তক্ষেপ বন্ধ করা সহজ হয়েছে। মুদ্রাস্ফীতি এখন গত ৩০ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। আইএমএফ দেশটির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস বারবার বৃদ্ধি করছে। যা ২০২৫ সালের জন্য ৭ দশমিক ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। যা আফ্রিকার গড় প্রবৃদ্ধির প্রায় দ্বিগুণ।

তবে জিম্বাবুয়ের অর্থনীতি বাইরের মানুষের ধারণার চেয়ে ভালো চললেও এর রাজনীতি আগের মতোই কলুষিত রয়েছে। ৮৩ বছর বয়সী প্রেসিডেন্ট এমারসন নানগাগওয়া তার পূর্বসূরি রবার্ট মুগাবের পথ অনুসরণ করে আজীবন ক্ষমতায় থাকার লক্ষ্যে সংবিধান সংশোধনের চেষ্টা করছেন।

সোনার ওপর দাঁড়িয়ে ইতিহাস

ব্রিটিশ সাময়িকী ইকোনমিস্টের প্রতিবেদন বলা হয়, সোনা জিম্বাবুয়ের ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ। ব্রিটিশ ব্যবসায়ী সেসিল রোডস এই অঞ্চলটি (একসময় তার নামানুসারে রোডেশিয়া ছিল) দখল করেছিলেন কিংবদন্তি ‘অফির’-এর সন্ধানে। যাকে অনেকে রাজা সলোমনের সোনার উৎস বলে মনে করত। রোডেশীয়রা তেমন কিছু না পেলেও, ১৯৮০ সালে স্বাধীন হওয়া জিম্বাবুয়েতে সোনা এখন অত্যাবশ্যকীয় হয়ে উঠেছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

২০২৫ সালে দেশটি রেকর্ড ৪৭ টন সোনা উৎপাদন করেছে। যা এক দশক আগের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। পাচার বিবেচনায় নিলে প্রকৃত পরিমাণ আরও অনেক বেশি। বৈশ্বিক আর্থিক বাজারের অস্থিরতার কারণে সোনার চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় এর দাম গত পাঁচ বছরে প্রায় তিনগুণ বেড়েছে। যার ফলে রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৪ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার। যা মোট রপ্তানি আয়ের অর্ধেক। খনিতে বিনিয়োগকারী ভিক্টর গাপেরে বলেন, “আমরা কখনও এমন দাম কল্পনা করিনি। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে ধন্যবাদ।”

মহাদেশ হিসেবে আফ্রিকা কেন এত গরিব!Africa proverty

তবে এর নেতিবাচক প্রভাবও অনেক। কারিগর খনি শ্রমিকরা পারদ এবং সায়ানাইড ব্যবহার করছে, যা পানীয় এবং সেচের পানিতে মিশছে। সোনার উচ্চমূল্য পাচারকারীদের জন্য বড় সুযোগ তৈরি করেছে, যাদের সাথে বড় রাজনৈতিক নেতাদের যোগসাজশ থাকার অভিযোগ রয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নানগাগওয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের ক্ষেত্রেও তার কথিত সংশ্লিষ্টতার কথা উল্লেখ করেছে।

নগদ অর্থের প্রবাহ ও কালোবাজার

খনি থেকে আসা আয়ের একটি অংশ সাধারণ জিম্বাবুয়েবাসীদের পকেটে যাচ্ছে যারা কারিগর হিসেবে কাজ করে। তারা মাসে কয়েকশ মার্কিন ডলার আয় করতে পারছে। একজন বিক্রেতা জানান, মোটরসাইকেল, ইলেকট্রনিক্স এবং ওষুধের বিক্রি অনেক বেড়ে গেছে।

শুধু সোনাই নয়, তামাক চাষেও এবার রেকর্ড হয়েছে। লিথিয়াম, ক্রোম এবং প্লাটিনাম খনিগুলো (যার বেশিরভাগই চীনাদের মালিকানাধীন) উৎপাদন বাড়িয়েছে। এছাড়া বিদেশে থাকা জিম্বাবুয়েবাসীরা গত বছর ২.৫ বিলিয়ন ডলার দেশে পাঠিয়েছে। সব মিলিয়ে বাজারে নগদ অর্থের ব্যাপক চাহিদা তৈরি হয়েছে।

জিম্বাবুয়ের স্বর্ণের খনি। ছবি: রয়টার্স
জিম্বাবুয়ের স্বর্ণের খনি। ছবি: রয়টার্স

এই ব্যয়ের বেশিরভাগই হচ্ছে কালোবাজারে, যা ট্যাক্স বা শুল্ক কর্মকর্তাদের নজর এড়িয়ে যায়। একজন অর্থদাতা একে জিম্বাবুয়ের ‘কঙ্গো-ফিকেশন’ বা কঙ্গোর মতো পরিস্থিতির সাথে তুলনা করেছেন। রাজধানী হারারেতে বাড়িগুলো রেকর্ড দামে নগদে বিক্রি হচ্ছে। কারণ মানুষ ব্যাংকে টাকা জমানোর চেয়ে সম্পত্তিতে বিনিয়োগকে নিরাপদ মনে করছে। ব্যক্তিগত ভল্ট বা সেফটি লকার ব্যবসা এখন জমজমাট। ধারণা করা হয়, প্রায় ২-৪ বিলিয়ন ডলারের সোনা ও নগদ অর্থ এই ভল্টগুলোতে জমা আছে।

রাজনীতি ও ক্ষমতার মোহ

অর্থনৈতিক অবস্থা মুগাবের আমলের চেয়ে কিছুটা সহনীয় হলেও রাজনীতি বদলায়নি। গত ফেব্রুয়ারিতে ক্ষমতাসীন জানু-পিএফ দল রাজনীতিবিদদের মেয়াদ পাঁচ বছর থেকে বাড়িয়ে সাত বছর করার প্রস্তাব দিয়েছে। এতে নানগাগওয়ার মেয়াদ ২০২৮ থেকে ২০৩০ পর্যন্ত দীর্ঘায়িত হবে। যদি তিনি যুক্তি দেখান যে সংশোধিত সংবিধান তাকে আরও দুই মেয়াদে থাকার সুযোগ দেয়, তবে তিনি ১০০ বছর বয়স পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকতে পারেন।

অর্থনীতিতে উন্নয়নের খোলসcontainer

এই বিলটি সরাসরি প্রেসিডেন্ট নির্বাচন পদ্ধতি বাতিল করে সংসদ সদস্যদের মাধ্যমে নির্বাচনের ব্যবস্থা করবে। যা তাকে পৃষ্ঠপোষকতার মাধ্যমে ক্ষমতা ধরে রাখতে সাহায্য করবে। সমালোচক এমপি এবং এনজিওগুলোকে হয় দমানো হয়েছে নয়তো বশ করা হয়েছে। ব্যবসায়ীরা মনে মনে এই বিল নিয়ে উদ্বিগ্ন হলেও প্রকাশ্যে সমালোচনা করার সাহস পাচ্ছেন না। অনেকে বলছেন, ভাইস-প্রেসিডেন্ট কনস্ট্যান্টিনো চিওয়েঙ্গা, যিনি ২০১৭ সালে মুগাবেকে হটাতে সাহায্য করেছিলেন, তিনি অভ্যুত্থানের পরিকল্পনা করছেন। কারণ তিনি ২০২৮ সালে ক্ষমতা নেওয়ার অপেক্ষায় ছিলেন। প্রেসিডেন্ট ইতোমধ্যেই তার ডেপুটির ঘনিষ্ঠ কর্মকর্তাদের বরখাস্ত করে এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করছেন।

পাশ্চাত্যের সাথে সম্পর্ক উন্নয়নের আশা থাকলেও, এই ক্ষমতার লিপ্সা সেই সম্ভাবনাকে ম্লান করে দিচ্ছে। জিম্বাবুয়ে প্রায় ৩০ বছর ধরে বিশ্বব্যাংক ও পশ্চিমা দেশগুলোর ৭ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার ঋণ পরিশোধ করতে না পারায় কোনো উন্নয়নমূলক অর্থায়ন পাচ্ছে না। ঋণ পুনর্গঠন রাজনৈতিক সংস্কারের ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় বর্তমান পরিস্থিতি নতুন কোনো চুক্তিকে কঠিন করে তুলবে।

স্বর্ণের বার। ছবি: রয়টার্স
স্বর্ণের বার। ছবি: রয়টার্স

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রত্যাবর্তন কোনো সমঝোতার পথ প্রশস্ত করতে পারেনি। ট্রাম্পের আফ্রিকার খনিজ সম্পদের প্রতি লোভ রয়েছে কিন্তু সেখানকার গণতন্ত্র নিয়ে খুব একটা মাথা ঘামান না তিনি। কিছু বিশ্লেষক মনে করেছিলেন, তার ব্যবসায়িক বা লেনদেনমুখী মনোভাব হয়তো জানু-পিএফ দলের জন্য সুবিধাজনক হবে। দলটি ট্রাম্পপন্থীদের প্রতি তেমন কোনো আগ্রহই দেখায়নি। গত ফেব্রুয়ারিতে তারা আমেরিকার একটি সহায়তার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে। যে ফান্ডের মাধ্যমে জিম্বাবুয়ের ১৩ লাখ রোগীর এইচআইভি-প্রতিরোধী ওষুধসহ অন্যান্য চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা হতো।

যার যৌক্তিক উপসংহার হলো, জিম্বাবুয়ের অভিজাত শ্রেণি বর্তমান স্থিতাবস্থা বজায় রাখতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। পণ্যের উচ্চমূল্যের কারণে বর্তমানে বৈধ এবং অবৈধ উভয় পথেই প্রচুর টাকা আয়ের সুযোগ রয়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকায় কর্মরত জিম্বাবুয়ের আয়া ও মালিরা যতক্ষণ দেশে টাকা পাঠাচ্ছে, ততক্ষণ স্বর্ণ ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত না থাকা লাখ লাখ মানুষের জীবন এই প্রবাসীদের পাঠানো অর্থের ওপর ভিত্তি করেই চলে যাবে। আর যখন চীনের মতো বন্ধু পাশে আছে, তখন পশ্চিমের দরকারই বা কী? শেষ পর্যন্ত অর্থনীতি উন্মুক্ত করে দেওয়ার অর্থ হলো নিয়ন্ত্রণ হারানো, আর জানু-পিএফ তা মোটেও চায় না।

হারারের একজন ব্যবসায়ী লক্ষ্য করেছেন যে, জিম্বাবুয়েতে অপরাধের হার কতটা কম তা দেখে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা অবাক হয়ে যান। তারপর তিনি একটু থেমে হাসলেন এবং একটি স্থানীয় কৌতুক শোনালেন: “জিম্বাবুয়েতে কোনো অপরাধী গ্যাং না থাকার কারণ হলো, এখানকার সবচেয়ে বড় গ্যাংটি খোদ ক্ষমতাসীন দলই।”

বিষয়: অর্থনীতিআমেরিকারাজনীতিবিদআফ্রিকাডোনাল্ড ট্রাম্পপ্রেসিডেন্টসোনারাজনীতিঅপরাধজিম্বাবুয়েস্বর্ণ
সর্বশেষ
  • ১

    লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

  • ২

    মহাখালীতে পরিত্যক্ত ভবনে আগুন

  • ৩

    রাজধানীর ধানমন্ডিতে ভবনে আগুন

  • ৪

    হংকংয়ের বিনিয়োগ আকর্ষণে বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব বাংলাদেশের

  • ৫

    মেঘের শারীরিক অবস্থা এখনো ‘অস্থিতিশীল’, মেডিকেল বোর্ড গঠন

সম্পর্কিত
  • লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

    লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

    চলতি মাসে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যে লং মার্চ করেছে তাকে সরকারের জন্য ‘ওয়েক আপ কল’ বলে উল্লেখ করছেন জোটটির নেতারা। প্রায় ১ হাজার গাড়ি নিয়ে এই লং মার্চ করে জোটের পক্ষ থেকে সরকারকে ৬ দফা দাবি দেওয়া হয়েছে। জোট নেতারা ওই ৬ দফায় বিদ্যুৎ, গ্যাস সংকট

  • বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    ১৭ বছরের বেশি সময় ক্ষমতার বাইরে থেকে আন্দোলন-সংগ্রাম, মামলা-গ্রেপ্তার আর রাজনৈতিক চাপ সামলে এখন সরকারে বিএনপি। গত ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পর দলের শীর্ষ নেতাদের বড় একটি অংশ এখন সরকারের দায়িত্বে ব্যস্ত। মন্ত্রিসভা, সংসদ, প্রশাসন, অর্থনীতি ও আইনশৃঙ্

  • কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    চীনের সরকার আসলে কী কী বন্ধ করে দেয় – শুধুই কি বিদেশি ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেয়, নাকি দেশের ভেতরে থাকা সমালোচকদের ওপরও এই নিষেধাজ্ঞা আছে, এমন চিন্তাটা আসা খুবই স্বাভাবিক। তবে এখানে সরকারের লক্ষ্য এর চেয়েও বড়।

  • ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধের ছয় মাস পেরিয়েছে। এই যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বিভিন্ন খাতে বিশেষ করে তেলের বাজার তীব্রভাবে প্রভাবিত হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে আমেরিকানদের ওপর। গ্যাসের দাম কয়েক সপ্তাহ ধরে ৪ ডলারের বেশি। বন্ধকী ঋণের সুদের হারও বেড়ে প্রায় ৭ শতাংশের দিকে যাচ্ছে। আবার ডিজেলের রেকর্ড