
সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ের গোল্ড ডিস্ট্রিক্টে বিশ্বের প্রথম ‘গোল্ড স্ট্রিট’ বা সোনার রাস্তা নির্মিত হতে যাচ্ছে। সম্প্রতি আনুষ্ঠানিকভাবে গোল্ড ডিস্ট্রিক্ট উদ্বোধনের সময় এই চমকপ্রদ ঘোষণাটি দেয় আবাসন ও বাণিজ্যিক উন্নয়ন সংস্থা ‘ইথরা দুবাই’।

স্বর্ণের দাম যেন রকেটের গতিতে ছুটছে! ২০২৫ সালেই এর দাম বেড়েছে ৬০%-এর বেশি। কিন্তু কেন হীরা-জহরতকেও হার মানিয়ে বিনিয়োগকারীরা এখন স্বর্ণের পেছনে ছুটছেন? এর পেছনে রয়েছে বৈশ্বিক রাজনীতির অস্থিরতা আর অর্থনৈতিক কিছু সমীকরণ।

বাজার বিশ্লেষক নিকোলাস ফ্রাপেল জানিয়েছেন, বর্তমানে বাজার সংবাদের ওপর ভিত্তি করে চলছে। যদি বিশ্ব পরিস্থিতিতে কোনো ইতিবাচক পরিবর্তন আসে, তবে স্বর্ণের এই বাড়তি দাম আবার কিছুটা কমেও যেতে পারে।

বিশ্ববাজারে সোনার দামের লাগাম যেন টানা যাচ্ছেই না! প্রতিদিনই ভাঙছে নিজের রেকর্ড, আর তার প্রভাব এসে পড়েছে দেশের বাজারেও। চলুন জেনে নিই—বিশ্ব থেকে বাংলাদেশ, কোথায় গিয়ে ঠেকেছে সোনার দাম।

বিশ্ব বাজারে হুট করে বেড়েছে সোনার দাম। এর প্রভাব পড়েছে দেশের সোনার বাজারে। এখন সোনার ভরি ২ লাখ ৩২ হাজার ৫৫ টাকা। এই যখন অবস্থা তখন অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতেই পারে- সোনার দাম বাড়া ও কমার কারণ কী?

দেশের বাজারে আরেক দফা বেড়েছে স্বর্ণের দাম। ভরিতে ৪ হাজার ১৯৯ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩২ হাজার ৫৫ টাকা। যা আজ মঙ্গলবার থেকেই কার্যকর।

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের চন্দ্রিমা বাজারের একটি সোনার দোকানে ৭০ ভরি স্বর্ণ, ৬০০ ভরি রুপা চুরি ও নগদ চার লাখ টাকা চুরির অভিযোগ উঠেছে।

দেশের স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের সংগঠন বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন-বাজুসের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সংগঠনটির সদ্য বিদায়ী সভাপতি ও আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান সায়েম সোবহান আনভীর।

এনামুল হক বলেন, স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের অনেক সময় ভুলভাবে চোরাচালানকারীর সঙ্গে যুক্ত করা হয়, যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, দেশে স্বর্ণের ভ্যাট ১.৫ শতাংশে নামিয়ে আনার জন্য তিনি কাজ করবেন।

অপরিবর্তিত আছে রুপার দাম। জুয়েলার্স সমিতির তথ্য অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ছয় হাজার ২০৫ টাকায়।