চরচা ডেস্ক

বিশ্বজুড়ে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ৫ হাজার মার্কিন ডলার ছাড়িয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, শুধু গত এক বছরেই এর দাম বেড়েছে ৬০ শতাংশের বেশি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, যখন শেয়ার বাজার বা মুদ্রার দাম পড়ে যাওয়ার ভয় থাকে, তখন মানুষ নিরাপদ সঞ্চয় হিসেবে স্বর্ণ কেনে।
বিশেষজ্ঞরা স্বর্ণের দাম বৃদ্ধির বিষয়ে জানান, গ্রিনল্যান্ড নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটোর মধ্যে বিরোধ এবং ইউক্রেন ও গাজা যুদ্ধ বিনিয়োগকারীদের চিন্তায় ফেলেছে। পাশাপাশি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি কানাডার ওপর ১০০% ট্যারিফ আরোপের হুমকি দিয়েছেন, যা বিশ্ববাজারে অস্থিরতা তৈরি করেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ‘ফেডারেল রিজার্ভ’ এ বছর সুদের হার কমাতে পারে। এমন খবরে বিনিয়োগকারীরা বন্ড ছেড়ে স্বর্ণের দিকে ঝুঁকছেন। পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডলারের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে প্রচুর পরিমাণে স্বর্ণ মজুত করছে।
অন্যদিকে, পৃথিবীতে এ পর্যন্ত মাত্র ২ লাখ ১৬ হাজার টন স্বর্ণ উত্তোলন করা হয়েছে। নতুন খনি পাওয়ার সম্ভাবনাও কমে আসছে। ভারত ও চীনে উৎসব এবং বিয়েতে স্বর্ণ কেনার ব্যাপক প্রচলন রয়েছে। বর্তমানে লুনার নিউ ইয়ার বা 'বর্ষবরণ' উৎসবের কারণেও স্বর্ণের চাহিদা তুঙ্গে।
বাজার বিশ্লেষক নিকোলাস ফ্রাপেল জানিয়েছেন, বর্তমানে বাজার সংবাদের ওপর ভিত্তি করে চলছে। যদি বিশ্ব পরিস্থিতিতে কোনো ইতিবাচক পরিবর্তন আসে, তবে স্বর্ণের এই বাড়তি দাম আবার কিছুটা কমেও যেতে পারে।

বিশ্বজুড়ে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ৫ হাজার মার্কিন ডলার ছাড়িয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, শুধু গত এক বছরেই এর দাম বেড়েছে ৬০ শতাংশের বেশি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, যখন শেয়ার বাজার বা মুদ্রার দাম পড়ে যাওয়ার ভয় থাকে, তখন মানুষ নিরাপদ সঞ্চয় হিসেবে স্বর্ণ কেনে।
বিশেষজ্ঞরা স্বর্ণের দাম বৃদ্ধির বিষয়ে জানান, গ্রিনল্যান্ড নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটোর মধ্যে বিরোধ এবং ইউক্রেন ও গাজা যুদ্ধ বিনিয়োগকারীদের চিন্তায় ফেলেছে। পাশাপাশি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি কানাডার ওপর ১০০% ট্যারিফ আরোপের হুমকি দিয়েছেন, যা বিশ্ববাজারে অস্থিরতা তৈরি করেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ‘ফেডারেল রিজার্ভ’ এ বছর সুদের হার কমাতে পারে। এমন খবরে বিনিয়োগকারীরা বন্ড ছেড়ে স্বর্ণের দিকে ঝুঁকছেন। পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডলারের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে প্রচুর পরিমাণে স্বর্ণ মজুত করছে।
অন্যদিকে, পৃথিবীতে এ পর্যন্ত মাত্র ২ লাখ ১৬ হাজার টন স্বর্ণ উত্তোলন করা হয়েছে। নতুন খনি পাওয়ার সম্ভাবনাও কমে আসছে। ভারত ও চীনে উৎসব এবং বিয়েতে স্বর্ণ কেনার ব্যাপক প্রচলন রয়েছে। বর্তমানে লুনার নিউ ইয়ার বা 'বর্ষবরণ' উৎসবের কারণেও স্বর্ণের চাহিদা তুঙ্গে।
বাজার বিশ্লেষক নিকোলাস ফ্রাপেল জানিয়েছেন, বর্তমানে বাজার সংবাদের ওপর ভিত্তি করে চলছে। যদি বিশ্ব পরিস্থিতিতে কোনো ইতিবাচক পরিবর্তন আসে, তবে স্বর্ণের এই বাড়তি দাম আবার কিছুটা কমেও যেতে পারে।