
চক্রের মূলহোতা ফারদিন আহমেদ অবৈধভাবে অর্জিত টাকা বিভিন্ন শোরুম থেকে ব্যাংক লেনদেনের মাধ্যমে গাড়ি কিনে তা দ্রুত কম দামে বিক্রি করে দিতেন । এভাবে কাগজে-কলমে ব্যবসায়িক লোকসান দেখিয়ে তিনি অবৈধ অর্থ বৈধ করার চেষ্টা করতেন।

২০১৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থেকে সুইফট কোড ব্যবহার করে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার চুরি করা হয়।

এর আগে মামলার তদন্ত সংস্থা সিআইডি প্রতিবেদন দাখিল করতে না পারায় বিচারক আজ সোমবার দিন ধার্য করেছিলেন।

একইসাথে কোনো প্রার্থী বা রাজনৈতিক ব্যক্তির সঙ্গে ছবি তোলা এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গের কাছ থেকে কোনো ধরনের সহযোগিতা গ্রহণ থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেন তিনি।

২০২৪ সালের ৬ নভেম্বর পশ্চিম ধানমন্ডি এলাকা থেকে সাবেক মন্ত্রী আমুকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি বর্তমানে কারাগারে আছেন।

রুবেল আদালতে দাবি করেন, তিনি ভুলভাবে গ্রেপ্তার হয়েছেন। তার বক্তব্য–“যে রুবেলকে খোঁজা হচ্ছে আমি সে রুবেল না। আমি একটি চাকরি করি এবং এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত নই।”

গ্রেপ্তারকৃত দুজনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে।

গত ৬ জানুয়ারি মামলার প্রথম তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির পরিদর্শক ফয়সাল আহমেদ ঘটনাটিতে জড়িত থাকার অভিযোগে ১৭ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেন।

নির্বাচন-পূর্ব, নির্বাচনকালীন ও নির্বাচন-পরবর্তী প্রতিটি ধাপে পুলিশের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রুবেল স্বীকার করেছেন, তিনি ঘটনার পূর্ব পরিকল্পনা এবং পরবর্তীতে আসামিদের আত্মগোপনে থাকতে সরাসরি সহায়তা করেছেন।

২০২৪ সালের ৮ জুলাই বিসিএসসহ ৩০টি নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে সিআইডির হাতে গ্রেপ্তার হন আবেদ আলী। পরবর্তীতে তিনি কারাবন্দি রয়েছেন। সিআইডির মামলার ভিত্তিতে অবৈধ সম্পদের খোঁজে মাঠে নামে দুদক। যার প্রেক্ষিতে এই নতুন মামলায় আবেদ আলীকে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছিল।

সিআইডির তদন্তে আরও জানা যায়, শুধু নিজের নামে থাকা ব্যাংক হিসাবই নয়–অপরিচিত ব্যক্তিদের জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করে একাধিক বিকাশ অ্যাকাউন্ট খুলে তিনি টাকা লেনদেন করতেন।

পুলিশ জানায়, জিজ্ঞাসাবাদে সালাউদ্দিন স্বীকার করেছেন, তিনি ৮০-৮৫ জন নারীর সঙ্গে একই পদ্ধতিতে প্রতারণা করেছেন।

বিভ্রান্তিকর তথ্যের পাশাপাশি শামীম ওসমান জেলা প্রশাসকের কাছে মাসিক ‘কালেকশন’ নিয়ে জানতে চান এবং তার ব্যক্তিগত বিকাশ নম্বরে জরুরি ভিত্তিতে ১ লক্ষ টাকা পাঠাতে বলেন।

বিভ্রান্তিকর তথ্যের পাশাপাশি শামীম ওসমান জেলা প্রশাসকের কাছে মাসিক ‘কালেকশন’ নিয়ে জানতে চান এবং তার ব্যক্তিগত বিকাশ নম্বরে জরুরি ভিত্তিতে ১ লক্ষ টাকা পাঠাতে বলেন।