
আন্তর্জাতিক ও দেশীয় অনলাইন জুয়ার সাইট পরিচালনার মাধ্যমে প্রতিদিন কোটি কোটি টাকা সংগ্রহ করে অবৈধভাবে বিদেশে পাচারের অভিযোগে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের আট সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

স্বপন বশাক ওই প্রতিষ্ঠানে মাত্র ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা বেতনে সেলসম্যান হিসেবে কাজ করতেন। কিন্তু মালিকের অগাধ বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে অন্যান্য কর্মচারীদের সহযোগিতায় ২০১৯ সাল থেকে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে মোট ৭ হাজার ৫৫ ভরি স্বর্ণালঙ্কার আত্মসাৎ করেন। বর্তমান বাজারদরে যার মূল্য প্রায় ৯৪

পুলিশ জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত মৃত নারীর পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অসুস্থতাজনিত কারণেই তার মৃত্যু হতে পারে।

অনুমোদনহীন ভবনটিতে হোটেল ব্যবসা পরিচালনার মাধ্যমে অভিযুক্তরা অবৈধভাবে ১১৫ কোটি ৫৮ লাখ ২৪ হাজার ৭০৭ টাকা আয় করে এবং তা হস্তান্তর, স্থানান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে পাচার করেছে বলে প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে।

এসআই আরও বলেন, “আশপাশের লোকদের জিজ্ঞেস করে আমরা ওই ব্যক্তির নাম পরিচয় জানতে পারিনি। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। আমরা সিআইডির ক্রাইম সিনকে খবর দিয়েছি।

এভাবে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব ব্যবহার করে ধাপে ধাপে মোট ২১ লাখ ৮৮ হাজার ৫৭ টাকা আত্মসাৎ করা হয়। পরে আরও বড় শেয়ার বরাদ্দের কথা বলে অতিরিক্ত টাকা দাবি করলে ভুক্তভোগী প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পারেন এবং মোহাম্মদপুর থানায় মামলা করেন।

সিআইডি জানায়, হেলালের অস্ত্র বিক্রির লাইসেন্সটি ২০১৪ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত নবায়ন করা ছিল। এরপর লাইসেন্স নবায়ন না করেই তিনি অস্ত্রটি কেনেন। ওই অস্ত্রটি কীভাবে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের হাতে পৌঁছায়, তা জানতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন বলে তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে রিমান্ড আবেদন করেন।

সর্বমোট ১৩ লাখ ৭৫ হাজার ৫১৫ টাকা আত্মসাৎ করে। ঘটনার পর ভুক্তভোগী বিষয়টি বুঝতে পেরে তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের সাথে যোগাযোগ করেন এবং পরবর্তীতে সোনাডাঙ্গা থানায় মামলা করেন।

২০১৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকে সংরক্ষিত বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব থেকে হ্যাকাররা ৮ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার চুরি করে নেয়।

এ ঘটনায় গত বছরের ২৭ জুলাই নারায়ণগঞ্জ সদর থানায় মামলা দায়ের করা হয়।

তদন্তে বলা হয়েছে, অবহেলা, অসাবধানতা ও বেপরোয়া কর্মকাণ্ডের কারণে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ ঘটে এবং আগুনে দগ্ধ ও ধোঁয়ায় শ্বাসরোধ হয়ে বহু মানুষের মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী খিলক্ষেত থানায় গত ১৬ জানুয়ারি একটি মামলা দায়ের করেন। প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, একই কৌশলে প্রতারক চক্র অন্য এক ভুক্তভোগীর কাছ থেকেও ৭২ হাজার ৭০০ টাকা আত্মসাৎ করেছে।

সিআইডি জানায়, ঘটনার শুরু ২০২৫ সালের মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময়ে। একটি ভুয়া ফেসবুক আইডি থেকে ভুক্তভোগী নারীকে মেসেজ পাঠিয়ে তার এবং তার স্বামীর ব্যক্তিগত ছবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে টাকা দাবি করা হয়।

এ ঘটনায় ঢাকা মহানগর পুলিশের কাফরুল থানায় মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় আসামি হিসেবে রাসেল, শামীমা, ই-ভ্যালি.কম লিমিটেড এবং অজ্ঞাতনামা সহযোগীদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় ঢাকা মহানগর পুলিশের কাফরুল থানায় মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় আসামি হিসেবে রাসেল, শামীমা, ই-ভ্যালি.কম লিমিটেড এবং অজ্ঞাতনামা সহযোগীদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।