চরচা প্রতিবেদক

মানি লন্ডারিং, প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগে সাবেক শিল্পমন্ত্রী ও ১৪ দলের সমন্বয়ক আমির হোসেন আমুর আটটি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। আজ সোমবার সিআইডির আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন। বিষয়টি আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন নিশ্চিত করেন।
সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম অ্যান্ড অর্গানাইজড বিভাগের উপপরিদর্শক মো. জুলফিকার আলী এসব ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আবেদন করেন।
আবেদনে বলা হয়, অনুসন্ধানে আমু ও তার স্বার্থ–সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা যোগসাজশে প্রতারণা, জালিয়াতি, দেশি–বিদেশি মুদ্রা পাচার, চাঁদাবাজিসহ মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।
প্রাথমিক তদন্তে আমুর নামে বিভিন্ন ব্যাংকে মোট ৮টি অ্যাকাউন্ট শনাক্ত করা হয়। এসব অ্যাকাউন্ট মোট ৭ কোটি ৫১ লাখ ৯১ হাজার ৯২৭ টাকা রয়েছে বলে জানায় তারা।
সিআইডির দাবি, এসব অ্যাকাউন্টে হুন্ডি বা বিদেশি মুদ্রা পাচারের অর্থ লেনদেন হয়েছে এবং অপরাধলব্ধ অর্থের উৎস গোপন করতেই এমন লেনদেন করা হয়েছে।
পরে সুষ্ঠু অনুসন্ধান ও আইনানুগ ব্যবস্থা নিশ্চিতে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এসব হিসাব অবরুদ্ধ রাখা প্রয়োজন বলে আদালত মনে করেন এবং ৮ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ দেন।
২০২৪ সালের ৬ নভেম্বর পশ্চিম ধানমন্ডি এলাকা থেকে সাবেক মন্ত্রী আমুকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি বর্তমানে কারাগারে আছেন।

মানি লন্ডারিং, প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগে সাবেক শিল্পমন্ত্রী ও ১৪ দলের সমন্বয়ক আমির হোসেন আমুর আটটি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। আজ সোমবার সিআইডির আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন। বিষয়টি আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন নিশ্চিত করেন।
সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম অ্যান্ড অর্গানাইজড বিভাগের উপপরিদর্শক মো. জুলফিকার আলী এসব ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আবেদন করেন।
আবেদনে বলা হয়, অনুসন্ধানে আমু ও তার স্বার্থ–সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা যোগসাজশে প্রতারণা, জালিয়াতি, দেশি–বিদেশি মুদ্রা পাচার, চাঁদাবাজিসহ মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।
প্রাথমিক তদন্তে আমুর নামে বিভিন্ন ব্যাংকে মোট ৮টি অ্যাকাউন্ট শনাক্ত করা হয়। এসব অ্যাকাউন্ট মোট ৭ কোটি ৫১ লাখ ৯১ হাজার ৯২৭ টাকা রয়েছে বলে জানায় তারা।
সিআইডির দাবি, এসব অ্যাকাউন্টে হুন্ডি বা বিদেশি মুদ্রা পাচারের অর্থ লেনদেন হয়েছে এবং অপরাধলব্ধ অর্থের উৎস গোপন করতেই এমন লেনদেন করা হয়েছে।
পরে সুষ্ঠু অনুসন্ধান ও আইনানুগ ব্যবস্থা নিশ্চিতে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এসব হিসাব অবরুদ্ধ রাখা প্রয়োজন বলে আদালত মনে করেন এবং ৮ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ দেন।
২০২৪ সালের ৬ নভেম্বর পশ্চিম ধানমন্ডি এলাকা থেকে সাবেক মন্ত্রী আমুকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি বর্তমানে কারাগারে আছেন।