চরচা প্রতিবেদক

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদের ‘ঘনিষ্ঠ সহযোগী’ ফয়সাল রুবেল আহমেদকে ফের তিন দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। আজ বুধবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মো. রুকনুজ্জামান রিমান্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির ঢাকা মেট্রো (পূর্ব)–এর সহকারী পুলিশ সুপার আবদুর কাদির ভূঁইয়া রুবেলকে সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে গত ২২ জানুয়ারি একই আদালত রুবেলকে ছয় দিনের রিমান্ড দিয়েছিলেন। সেই রিমান্ডে পাওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই এবং পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারসহ রুবেলের কাছ থেকে পাওয়া দুটি মোবাইল ফোনের ফরেনসিক রিপোর্টের তথ্য পেতে নতুন রিমান্ড প্রয়োজন বলে আদালতকে জানান তদন্ত কর্মকর্তা।
গত ২১ জানুয়ারি রাত দেড়টার দিকে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের আটিরচর নয়াবাজার এলাকা থেকে ডিবি পুলিশের সহায়তায় রুবেলকে গ্রেপ্তার করে সিআইডি।
রিমান্ড শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষের প্রসিকিউটর শামসুদ্দোহা সুমন বলেন, “হাদি হত্যার ঘটনা হুটহাট করে হয়নি। সে অন্যতম আসামি। তার কাছে দুইটা মোবাইল পাওয়া গেছে। ফরেনসিকে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট আসলে আরও তথ্য পাওয়া যাবে। মামলার ন্যায় বিচারের স্বার্থে তাকে সাতদিনের রিমান্ডে পাঠানো হোক।‘’
এ সময় রুবেল আদালতে দাবি করেন, তিনি ভুলভাবে গ্রেপ্তার হয়েছেন। তার বক্তব্য–“যে রুবেলকে খোঁজা হচ্ছে আমি সে রুবেল না। আমি একটি চাকরি করি এবং এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত নই।”
তবে তদন্ত কর্মকর্তা জানান, রুবেল রিমান্ডে হত্যাকাণ্ডে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন এবং তিনি ফয়সাল করিম মাসুদের ঘনিষ্ঠ সহযোগী।
রিমান্ড আবেদনে আরও বলা হয়, জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে অস্থিতিশীল করা, রাজনৈতিক দলের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি তৈরি এবং প্রার্থীদের মনোবল দুর্বল করার উদ্দেশ্যে একটি চক্র হাদিকে গুলি করে হত্যা করে। হত্যাকাণ্ডের পর রুবেল আত্মগোপনে চলে যান এবং পলাতক আসামিদের লুকিয়ে থাকতে সহায়তা করেন।

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদের ‘ঘনিষ্ঠ সহযোগী’ ফয়সাল রুবেল আহমেদকে ফের তিন দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। আজ বুধবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মো. রুকনুজ্জামান রিমান্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির ঢাকা মেট্রো (পূর্ব)–এর সহকারী পুলিশ সুপার আবদুর কাদির ভূঁইয়া রুবেলকে সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে গত ২২ জানুয়ারি একই আদালত রুবেলকে ছয় দিনের রিমান্ড দিয়েছিলেন। সেই রিমান্ডে পাওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই এবং পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারসহ রুবেলের কাছ থেকে পাওয়া দুটি মোবাইল ফোনের ফরেনসিক রিপোর্টের তথ্য পেতে নতুন রিমান্ড প্রয়োজন বলে আদালতকে জানান তদন্ত কর্মকর্তা।
গত ২১ জানুয়ারি রাত দেড়টার দিকে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের আটিরচর নয়াবাজার এলাকা থেকে ডিবি পুলিশের সহায়তায় রুবেলকে গ্রেপ্তার করে সিআইডি।
রিমান্ড শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষের প্রসিকিউটর শামসুদ্দোহা সুমন বলেন, “হাদি হত্যার ঘটনা হুটহাট করে হয়নি। সে অন্যতম আসামি। তার কাছে দুইটা মোবাইল পাওয়া গেছে। ফরেনসিকে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট আসলে আরও তথ্য পাওয়া যাবে। মামলার ন্যায় বিচারের স্বার্থে তাকে সাতদিনের রিমান্ডে পাঠানো হোক।‘’
এ সময় রুবেল আদালতে দাবি করেন, তিনি ভুলভাবে গ্রেপ্তার হয়েছেন। তার বক্তব্য–“যে রুবেলকে খোঁজা হচ্ছে আমি সে রুবেল না। আমি একটি চাকরি করি এবং এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত নই।”
তবে তদন্ত কর্মকর্তা জানান, রুবেল রিমান্ডে হত্যাকাণ্ডে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন এবং তিনি ফয়সাল করিম মাসুদের ঘনিষ্ঠ সহযোগী।
রিমান্ড আবেদনে আরও বলা হয়, জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে অস্থিতিশীল করা, রাজনৈতিক দলের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি তৈরি এবং প্রার্থীদের মনোবল দুর্বল করার উদ্দেশ্যে একটি চক্র হাদিকে গুলি করে হত্যা করে। হত্যাকাণ্ডের পর রুবেল আত্মগোপনে চলে যান এবং পলাতক আসামিদের লুকিয়ে থাকতে সহায়তা করেন।