চরচা প্রতিবেদক

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান বিন হাদিকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত আসামি মো. রুবেল আহমেদকে ৬ দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম এই আদেশ দেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার আবদুল কাদির ভূঞা আসামিকে আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জালাল উদ্দিন মার্জিন জানান, শুনানি শেষে আদালত ৬ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন। শুনানির সময়ে আসামি পক্ষে কোনো আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না।
গত ২১ জানুয়ারি কেরানীগঞ্জ এলাকা থেকে রুবেলকে গ্রেপ্তার করা হয়। রুবেল আহমেদ এই মামলার প্রধান আসামি ও শুটার ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে দাউদ খানের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সহযোগী বলে অভিযোগ করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রুবেল স্বীকার করেছেন, তিনি ঘটনার পূর্ব পরিকল্পনা এবং পরবর্তীতে আসামিদের আত্মগোপনে থাকতে সরাসরি সহায়তা করেছেন।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত বছরের ১২ ডিসেম্বর পল্টন মডেল থানাধীন বক্স কালভার্ট রোড এলাকায় মোটরসাইকেলে আসা দুর্বৃত্তরা ওসমান হাদিকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। গুলি তার মাথায় ও কানের নিচে বিদ্ধ হয়।
গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল ও পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে গত ১৫ ডিসেম্বর ওসমান হাদিকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১৮ ডিসেম্বর তার মৃত্যু হয়।
ঘটনার পর গত ১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবের পল্টন থানায় একটি হত্যাচেষ্টা মামলা করেছিলেন। যা হাদির মৃত্যুর পর হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়। পুলিশ ও সিআইডির তদন্তে এ পর্যন্ত এই মামলায় মোট ১২ জনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান বিন হাদিকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত আসামি মো. রুবেল আহমেদকে ৬ দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম এই আদেশ দেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার আবদুল কাদির ভূঞা আসামিকে আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জালাল উদ্দিন মার্জিন জানান, শুনানি শেষে আদালত ৬ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন। শুনানির সময়ে আসামি পক্ষে কোনো আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না।
গত ২১ জানুয়ারি কেরানীগঞ্জ এলাকা থেকে রুবেলকে গ্রেপ্তার করা হয়। রুবেল আহমেদ এই মামলার প্রধান আসামি ও শুটার ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে দাউদ খানের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সহযোগী বলে অভিযোগ করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রুবেল স্বীকার করেছেন, তিনি ঘটনার পূর্ব পরিকল্পনা এবং পরবর্তীতে আসামিদের আত্মগোপনে থাকতে সরাসরি সহায়তা করেছেন।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত বছরের ১২ ডিসেম্বর পল্টন মডেল থানাধীন বক্স কালভার্ট রোড এলাকায় মোটরসাইকেলে আসা দুর্বৃত্তরা ওসমান হাদিকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। গুলি তার মাথায় ও কানের নিচে বিদ্ধ হয়।
গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল ও পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে গত ১৫ ডিসেম্বর ওসমান হাদিকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১৮ ডিসেম্বর তার মৃত্যু হয়।
ঘটনার পর গত ১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবের পল্টন থানায় একটি হত্যাচেষ্টা মামলা করেছিলেন। যা হাদির মৃত্যুর পর হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়। পুলিশ ও সিআইডির তদন্তে এ পর্যন্ত এই মামলায় মোট ১২ জনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।