চরচা প্রতিবেদক

আমেরিকা প্রবাসী এক নারীর সঙ্গে ভুয়া বিয়ের সম্পর্ক গড়ে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে চট্টগ্রাম থেকে সালাউদ্দিন নামের একজনকে গ্রেপ্তার করেছে সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টার। আজ সোমবার লোহাগাড়া এলাকার বটতলী থেকে তাকে আটক করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারের পর তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট মোবাইল ফোন ও সিম উদ্ধার করা হয়েছে।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, একটি ম্যারেজ মিডিয়া পেজের মাধ্যমে নিজেকে কানাডা প্রবাসী নাদিম আহমেদ সুমন পরিচয়ে আমেরিকা প্রবাসী এক নারীর সঙ্গে পরিচিত হন সালাউদ্দিন। বিশ্বাস অর্জনের জন্য ভিডিও কলে তার মা ও বোন পরিচয়ে আরও দুজনকে দেখান। পরে মোবাইল ফোনে বিয়ে সম্পন্নের পর আমেরিকায় যাওয়ার কথা বলে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নেন তিনি।
এক পর্যায়ে ভিডিও কলে কৌশলে ভিক্টিমের আপত্তিকর ভিডিও ধারণ করে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে ব্ল্যাকমেইল করতে থাকেন তিনি। ভয়ভীতি দেখিয়ে বিভিন্ন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও বিকাশের মাধ্যমে আনুমানিক ১ লাখ ২৫ হাজার মার্কিন ডলার–বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১ কোটি ৫৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেন বলে পুলিশ জানায়।
ঘটনার পর ভিক্টিমের ভাই বাদী হয়ে মিরপুর মডেল থানায় দুইটি ধারাসহ পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা করেন। মামলাটি তদন্তে নিয়ে সিআইডি প্রযুক্তিগত ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সালাউদ্দিনের অবস্থান শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করেন।
পুলিশ জানায়, জিজ্ঞাসাবাদে সালাউদ্দিন স্বীকার করেছেন, তিনি ৮০-৮৫ জন নারীর সঙ্গে একই পদ্ধতিতে প্রতারণা করেছেন।
এর আগেও মোহাম্মদপুর থানার আরেক মামলায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছিল। জামিনে বের হয়ে আবারও প্রতারণায় জড়িয়ে পড়েন তিনি।
সিআইডি জানিয়েছে, তার প্রতারণা সিন্ডিকেটে অন্য কেউ জড়িত আছে কিনা সে বিষয়ে তদন্ত চলছে।

আমেরিকা প্রবাসী এক নারীর সঙ্গে ভুয়া বিয়ের সম্পর্ক গড়ে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে চট্টগ্রাম থেকে সালাউদ্দিন নামের একজনকে গ্রেপ্তার করেছে সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টার। আজ সোমবার লোহাগাড়া এলাকার বটতলী থেকে তাকে আটক করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারের পর তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট মোবাইল ফোন ও সিম উদ্ধার করা হয়েছে।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, একটি ম্যারেজ মিডিয়া পেজের মাধ্যমে নিজেকে কানাডা প্রবাসী নাদিম আহমেদ সুমন পরিচয়ে আমেরিকা প্রবাসী এক নারীর সঙ্গে পরিচিত হন সালাউদ্দিন। বিশ্বাস অর্জনের জন্য ভিডিও কলে তার মা ও বোন পরিচয়ে আরও দুজনকে দেখান। পরে মোবাইল ফোনে বিয়ে সম্পন্নের পর আমেরিকায় যাওয়ার কথা বলে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নেন তিনি।
এক পর্যায়ে ভিডিও কলে কৌশলে ভিক্টিমের আপত্তিকর ভিডিও ধারণ করে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে ব্ল্যাকমেইল করতে থাকেন তিনি। ভয়ভীতি দেখিয়ে বিভিন্ন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও বিকাশের মাধ্যমে আনুমানিক ১ লাখ ২৫ হাজার মার্কিন ডলার–বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১ কোটি ৫৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেন বলে পুলিশ জানায়।
ঘটনার পর ভিক্টিমের ভাই বাদী হয়ে মিরপুর মডেল থানায় দুইটি ধারাসহ পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা করেন। মামলাটি তদন্তে নিয়ে সিআইডি প্রযুক্তিগত ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সালাউদ্দিনের অবস্থান শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করেন।
পুলিশ জানায়, জিজ্ঞাসাবাদে সালাউদ্দিন স্বীকার করেছেন, তিনি ৮০-৮৫ জন নারীর সঙ্গে একই পদ্ধতিতে প্রতারণা করেছেন।
এর আগেও মোহাম্মদপুর থানার আরেক মামলায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছিল। জামিনে বের হয়ে আবারও প্রতারণায় জড়িয়ে পড়েন তিনি।
সিআইডি জানিয়েছে, তার প্রতারণা সিন্ডিকেটে অন্য কেউ জড়িত আছে কিনা সে বিষয়ে তদন্ত চলছে।