
৫৭ রানে একবার জীবন পান লিটন। এরপর যোগ করেন আরও ১২ রান। তবে ৯২ বলে তার ৬৯ রানের ইনিংসটি পাকিস্তানের ম্যাচে ফেরার আশাকে প্রায় শেষ করে দিয়েছে।

লিটন ও শেষ দিকের ব্যাটসম্যানদের দৃঢ়তায় বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থামে ২৭৮ রানে। জবাবে পাকিস্তান করেছে বিনা উইকেটে ২১ রান। এখনো তারা পিছিয়ে ২৫৭ রানে।

পাঁচ দিনের দুর্দান্ত ক্রিকেটের পর প্রথম টেস্টে বাংলাদেশ পেয়েছে ১০৪ রানের জয়। পাকিস্তানের বিপক্ষে দেশের মাটিতে এটি বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট জয়।

পাকিস্তানের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টের দ্বিতীয় দিনে বাংলাদেশ শেষ পাঁচ উইকেট হারিয়েছে ৫৯ রানে। এই ব্যর্থতায় ইনিংস থেমেছে ৪১৩ রানেই। চা বিরতিতে পাকিস্তান বিনা উইকেটে করেছে ৫০ রান।

৬.৪ ওভারে বৃষ্টির কারণে যখন খেলা বন্ধ হয়ে যায়, তখন বাংলাদেশের রান ৩ উইকেটে ৫০। এর মধ্যে লিটন একাই করেন ১৩ বলে ২৫ রান।

১৮৩ রান তাড়ায় বাংলাদেশ দল কেমন মানসিকতা নিয়ে ব্যাটিং করে, সেটা ছিল দেখার বিষয়। কারণ, গত এক বছরে এই ফরম্যাটে সেরা ক্রিকেটই খেলেছিল লিটন দাসের দল। তবে সব প্রস্তুতি মাটি করে বিশ্বকাপ বয়কট করে বাংলাদেশ।

শান্ত অবশ্য সেঞ্চুরি মিস করেননি। তবে নব্বই থেকে একশতে পা রাখার পথে ক্লান্তি ধরে যায় তাকে। ফলে তিন অঙ্কের ঘরে যাওয়ার পরই বিদায় নেন ১০৫ রানে।