
ঐতিহাসিক চন্দ্রাভিযান সফলভাবে সম্পন্ন করে প্রশান্ত মহাসাগরে অবতরণ করেছেন আর্টেমিস-২ মিশনের চার নভোচারী। আজ শনিবার সকাল ৬টা ৭ মিনিটে (যুক্তরাষ্ট্রের পূর্বাঞ্চলীয় সময় শুক্রবার রাত ৮টা ৭ মিনিট) তাদের বহনকারী ‘ওরিয়ন’ মহাকাশযানটি ক্যালিফোর্নিয়ার সান দিয়েগো উপকূলে অবতরণ করে। এর মাধ্যমে ৯ দিন ১ ঘণ্টা

আর্টেমিস-২ পৃথিবী থেকে ২ লাখ ৫২ হাজার ৭৫৬ মাইল দূরত্বে পৌঁছে অ্যাপোলো-১৩–এর পুরোনো রেকর্ড ভেঙেছে।
আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান নাসা এবার কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছে! নাসার নতুন বস জ্যারেড আইজ্যাকম্যানের এক মেমোতেই তোলপাড় শুরু হয়েছে। এখন আর শুধু ঘুরে আসা নয়, নাসা চায় চাঁদে স্থায়ী আস্তানা গড়তে। চীন আসুক আর না আসুক, নাসা সাফ জানিয়ে দিয়েছে,

নাসার তথ্যমতে, এদিন সন্ধ্যা ৭টা ০৫ মিনিটে তারা পৃথিবী থেকে প্রায় ২ লাখ ৫২ হাজার ৭৫৭ মাইল দূরত্ব অতিক্রম করবেন, যা আগের রেকর্ডের চেয়ে ৪ হাজার ১০২ মাইল বেশি।

পৃথিবীর মায়া কাটিয়ে অজানার পথে! নাসার আর্টেমিস-২ মিশনের ওরিয়ন ক্যাপসুল এখন চাঁদের পথে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) এক ঐতিহাসিক থ্রাস্টার ফায়ারিংয়ের মাধ্যমে চার মহাকাশচারী পৃথিবীর কক্ষপথ ত্যাগ করেছেন।

ওরিয়ন ক্যাপসুলের ছোট জানালার ওপাশে তখন আদিগন্ত নীল রঙের এক গোলক। যে ধুলিকণায় আমাদের সব আনন্দ, সব বেদনা—সেই পৃথিবী থেকে তখন ক্রমশ দূরে সরে যাচ্ছেন চারজন মহাকাশচারী।

তাদের এই ১০ দিনের সফরের সফল সমাপ্তিই ঠিক করে দেবে, পরবর্তী প্রজন্মের মানুষ পৃথিবীর বাইরে অন্য কোনো গ্রহে বসতি গড়তে পারবে কি না। সারা বিশ্ব এখন অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে ১০ এপ্রিলের সেই মাহেন্দ্রক্ষণের জন্য, যখন ওরিয়ন সফলভাবে পৃথিবীতে ফিরে আসবে।

৫৩ বছরের বেশি সময় পর আবারও চাঁদের উদ্দেশে নভোচারী পাঠাল আমেরিকা। স্থানীয় সময় গতকাল বুধবার মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসার ‘আর্টেমিস-২’ মিশনের চার নভোচারী কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে ‘ওরিয়ন’ ক্যাপসুলে চড়ে এ ঐতিহাসিক যাত্রা শুরু করেন।

দুই সপ্তাহের কোয়ারেন্টাইন শেষে তারা এখন চূড়ান্ত প্রস্তুতির অপেক্ষায়। লঞ্চ ডিরেক্টর চার্লি ব্ল্যাকওয়েল-থম্পসন জানিয়েছেন, কারিগরি ও আবহাওয়াগত দিক থেকে মিশনটি এখন পর্যন্ত বেশ ভালো অবস্থানে রয়েছে।

চ্যাট-জিপিটি কিংবা এআই, এইসব চালাতে যে ডাটা সেন্টার দরকার, সেটা জায়গা এবং কারেন্টের অভাবে এখন দুনিয়ায় চালানো দায়! এই সমস্যার সমাধান দেওয়ার জন্য ইলন মাস্ক এখন নজর দিইয়েছেন মহাকাশে। মহাকাশে ডাটা সেন্টার পাঠাইলে কি আসলেই খরচ কমাবে?

দীর্ঘমেয়াদি মহাকাশ অভিযানে নভোচারীদের সুস্থ রাখতে তৈরি হচ্ছে নতুন ডিভাইস HIFIm। এটি ব্যবহার করে শূন্য মহাকর্ষেও শতাধিক ধরনের ব্যায়াম করা সম্ভব। ছোট ও বিদ্যুৎবিহীন এই প্রযুক্তি ভবিষ্যতের মহাকাশ মিশনে কাজে লাগতে পারে।

স্নায়ুযুদ্ধের উত্তাপে সোভিয়েত ইউনিয়ন মহাকাশে শক্তির বার্তা দেয় মির স্পেস স্টেশন উৎক্ষেপণের মাধ্যমে। গবেষণা, দীর্ঘমেয়াদি বসবাস ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার নতুন দিগন্ত খুলে দেয় এই স্টেশন। মির হয়ে ওঠে আধুনিক মহাকাশ স্টেশনের ধারণার ভিত্তিপ্রস্তর।

মহাকাশ অভিযানে বিপ্লব আনতে এসেছে এমন রকেট যা উড়তে উড়তে নিজের কাঠামো ব্যবহার করে। ওজন কমিয়ে এটি কম খরচে আরও দূর ও জটিল কক্ষপথে পৌঁছাতে সক্ষম হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নির্মাতাদের মতে, এই প্রযুক্তি ভবিষ্যৎ মহাকাশ মিশনের ধারণাই বদলে দিতে পারে।

এর আগে ১৯৬০ ও ৭০-এর দশকের অ্যাপোলো মিশনের পর এটিই হতে যাচ্ছে মানবজাতির সবচেয়ে বড় চন্দ্র অভিযান।

এর আগে ১৯৬০ ও ৭০-এর দশকের অ্যাপোলো মিশনের পর এটিই হতে যাচ্ছে মানবজাতির সবচেয়ে বড় চন্দ্র অভিযান।