
মহাকাশ অভিযানে বিপ্লব আনতে এসেছে এমন রকেট যা উড়তে উড়তে নিজের কাঠামো ব্যবহার করে। ওজন কমিয়ে এটি কম খরচে আরও দূর ও জটিল কক্ষপথে পৌঁছাতে সক্ষম হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নির্মাতাদের মতে, এই প্রযুক্তি ভবিষ্যৎ মহাকাশ মিশনের ধারণাই বদলে দিতে পারে।

এর আগে ১৯৬০ ও ৭০-এর দশকের অ্যাপোলো মিশনের পর এটিই হতে যাচ্ছে মানবজাতির সবচেয়ে বড় চন্দ্র অভিযান।

জেএএক্সএ (JAXA) নভোচারী কিমিয়া ইউই আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন (ISS) থেকে রোববার একটি ভিডিও প্রকাশ করেছেন। সেখানে পৃথিবীর ওপর অরোরা বা মেরুজ্যোতির মনোমুগ্ধকর রঙ দেখা যাচ্ছিলো। অরোরা নর্দার্ন লাইটস নামেও পরিচিত। সূর্য থেকে তড়িতাহিত সৌরকণা পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে আঘাত করলে তৈরি হয় অরোরা।

বছরের শুরুতেই বড়সড় ধাক্কা খেল ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো। ১২ জানুয়ারি বহু প্রতীক্ষিত PSLV-62 রকেটের উৎক্ষেপণ মিশনটি মাঝপথেই থেমে যায়। একটি প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে রকেটটি তার নির্দিষ্ট কক্ষপথে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়েছে।

শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান মহাকাশ কেন্দ্র থেকে সফলভাবে উৎক্ষেপণ হলেও কক্ষপথে পৌঁছানোর আগেই নিয়ন্ত্রণ হারায় রকেট। এর ফলে এই উপগ্রহবাহী রকেটে থাকা ১৬টি উপগ্রহই মহাকাশে হারিয়ে গিয়েছে।

পৃথিবীর কয়েকশ মাইল উপরে, চীনের তিয়াংগং মহাকাশ স্টেশনে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন শেনঝু-২১ মিশনের সাহসী নভোচারীরা। মিশন কমান্ডার ঝাং লু এবং নভোচারী উ ফেই ও ঝাং হংঝাং ইতিমধ্যে কক্ষপথে ৭০ দিনের বেশি সময় কাটিয়ে ফেলেছেন। গত এক সপ্তাহে তারা সম্পন্ন করেছেন বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ এবং রোমাঞ্চকর কাজ।

মিশেলার এই পথ সহজ ছিল না। ২০১৮ সালে একটি মাউন্টেন বাইকিং দুর্ঘটনার কবলে পড়ে তার মেরুদণ্ড বা স্পাইনাল কর্ড ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরপর থেকেই চলাচলের জন্য হুইলচেয়ারই হয় তার একমাত্র সঙ্গী।

জ্যোতির্বিজ্ঞানী ইলি ভিসবাল’র নেতৃত্বে একটি দল পপ থ্রি’র অস্তিত্বের প্রমাণ পাওয়ার কথা জানিয়েছে। জেডব্লিউএসটি এর ইনফ্রারেড বর্ণালী বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে যে এই নক্ষত্র থেকে নির্গত আল্ট্রা ভায়োলেট রশ্মি সূর্যের চেয়ে প্রায় ১০০ গুণ বেশি শক্তিশালী।

চীনের তিয়ানগং স্পেস স্টেশনে শেনঝৌ-২১ ক্রু সম্পন্ন করেছে নানা বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা, রক্ষণাবেক্ষণ কাজ এবং পূর্ণাঙ্গ জরুরি মহড়া। কক্ষপথে এক মাসে কী কী করলেন তিন নভোচারী?

আমেরিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট জর্জ এইচ. ডব্লিউ. বুশ এলিয়েনদের সঙ্গে যোগাযোগের বিষয়ে জানতেন বলে দাবি করা হয়ে নতুন এক প্রামাণ্যচিত্রে। আজ রোববার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে নিউইয়র্ক পোস্ট।

সূর্য থেকে বের হওয়া চার্জযুক্ত কণার স্রোত পৃথিবীর চৌম্বকক্ষেত্রে আঘাত করলে সৌর ঝড় সৃষ্টি হয়। এটি স্যাটেলাইট, রেডিও যোগাযোগ ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটাতে পারে। সাম্প্রতিক সোলার ম্যাক্সিমামের কারণে এমন ঝড় ও অরোরা আরও বেশি দেখা যাচ্ছে।

বিজ্ঞানীরা এতদিন মনে করতেন, পৃথিবীর মতো চাঁদে বায়ুমণ্ডল ও পানি না থাকায় সেখানে অক্সিডেশন প্রক্রিয়া সম্ভব নয়, অর্থাৎ লোহায় মরিচা পড়ার কথা নয়। কিন্তু এই আবিষ্কার সেই ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করছে।

পৃথিবীতে ফিরে আসার পর বিজ্ঞানীরা এখন এই ইঁদুরদের আচরণগত, শারীরবৃত্তীয় এবং জৈব রাসায়নিক ডেটা বিশ্লেষণ করবেন। একই সময়ে, আরেক দল ইঁদুরকে পৃথিবীতে একইরকম পরিবেশে রাখা হয়েছিল। উভয় গ্রুপের ডেটা মিলিয়ে দেখে বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত হবেন ঠিক কোন কোন কারণে মহাকাশে পরিবর্তন হচ্ছে।

এই গবেষণা মানবজাতির মহাকাশ অনুসন্ধানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সরবরাহ দেবে। ইঁদুরদের এই সাফল্য মানব মহাকাশ যাত্রার পথকে আরও মসৃণ করবে।

এই গবেষণা মানবজাতির মহাকাশ অনুসন্ধানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সরবরাহ দেবে। ইঁদুরদের এই সাফল্য মানব মহাকাশ যাত্রার পথকে আরও মসৃণ করবে।