চরচা ডেস্ক

চাঁদ প্রদক্ষিণের মিশন সফলভাবে শেষ করে আর্টেমিস-২–এর চার নভোচারী এখন পৃথিবীতে ফিরছেন। এই যাত্রার অভিজ্ঞতা, তোলা ছবি এবং বৈজ্ঞানিক পর্যবেক্ষণ নিয়ে তাদের বর্ণনায় উচ্ছ্বসিত হয়ে উঠেছেন নাসার বিজ্ঞানী ও মিশন কন্ট্রোলের কর্মকর্তারা। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।
হিউস্টন থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মিশনের অন্যতম আকর্ষণ ছিল নভোচারীদের তোলা একটি ‘আর্থসেট’ ছবি। চাঁদের এবড়োখেবড়ো দিগন্তের নিচে পৃথিবীকে অস্ত যেতে দেখা যায় ছবিটিতে। ১৯৬৮ সালের অ্যাপোলো-৮ মিশনের ‘আর্থরাইজ’ ছবির অনুপ্রেরণায় সচেতনভাবে এই দৃশ্য ধারণ করা হয়েছে। নাসা প্রকাশিত ছবিতে একদিকে নীল পৃথিবী, অন্যদিকে চাঁদের রুক্ষ পৃষ্ঠ এবং মাঝখানে গভীর মহাকাশের বিস্তার দেখা যায়।
গতকাল মঙ্গলবার হিউস্টন মিশন কন্ট্রোলে বিজ্ঞানীদের সঙ্গে কথা বলেন নভোচারীরা। চাঁদের চারপাশে প্রায় সাত ঘণ্টার পর্যবেক্ষণকালীন অভিজ্ঞতা তারা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন। মিশনের প্রধান কেলসি ইয়াং বলেন, “আপনারা যা করেছেন, তা বিজ্ঞানের ইতিহাসে সত্যিই বড় অর্জন।”
চার সদস্যের এই দলে রয়েছেন মার্কিন নভোচারী রিড ওয়াইজম্যান, ক্রিস্টিনা কোচ, ভিক্টর গ্লোভার এবং কানাডার জেরেমি হ্যানসেন। এই মিশনের মাধ্যমে ভিক্টর গ্লোভার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ, ক্রিস্টিনা কোচ প্রথম নারী এবং জেরেমি হ্যানসেন প্রথম অ-মার্কিন নভোচারী হিসেবে চাঁদ প্রদক্ষিণ করে ইতিহাস গড়েছেন।
আর্টেমিস-২ পৃথিবী থেকে ২ লাখ ৫২ হাজার ৭৫৬ মাইল দূরত্বে পৌঁছে অ্যাপোলো-১৩–এর পুরোনো রেকর্ড ভেঙেছে। এই যাত্রায় তারা সূর্যগ্রহণ, চন্দ্রপৃষ্ঠে আলোর ঝলকানি এবং উল্কাপাতের দৃশ্যও প্রত্যক্ষ করেন। ভিক্টর গ্লোভার বলেন, “এটি এমন কিছু, যা মানুষের দেখা বা বর্ণনার সীমার বাইরে–অভাবনীয়।”
পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে আগামী শুক্রবার রাতে ক্যালিফোর্নিয়া উপকূলের প্রশান্ত মহাসাগরে ওরিয়ন ক্যাপসুলের অবতরণ করার কথা রয়েছে। নাসা জানিয়েছে, উদ্ধারকারী জাহাজ ইতোমধ্যে নির্ধারিত স্থানের দিকে রওনা দিয়েছে। এই মিশনকে ২০২৮ সালে চাঁদে মানুষ অবতরণের প্রস্তুতির বড় ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে

চাঁদ প্রদক্ষিণের মিশন সফলভাবে শেষ করে আর্টেমিস-২–এর চার নভোচারী এখন পৃথিবীতে ফিরছেন। এই যাত্রার অভিজ্ঞতা, তোলা ছবি এবং বৈজ্ঞানিক পর্যবেক্ষণ নিয়ে তাদের বর্ণনায় উচ্ছ্বসিত হয়ে উঠেছেন নাসার বিজ্ঞানী ও মিশন কন্ট্রোলের কর্মকর্তারা। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।
হিউস্টন থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মিশনের অন্যতম আকর্ষণ ছিল নভোচারীদের তোলা একটি ‘আর্থসেট’ ছবি। চাঁদের এবড়োখেবড়ো দিগন্তের নিচে পৃথিবীকে অস্ত যেতে দেখা যায় ছবিটিতে। ১৯৬৮ সালের অ্যাপোলো-৮ মিশনের ‘আর্থরাইজ’ ছবির অনুপ্রেরণায় সচেতনভাবে এই দৃশ্য ধারণ করা হয়েছে। নাসা প্রকাশিত ছবিতে একদিকে নীল পৃথিবী, অন্যদিকে চাঁদের রুক্ষ পৃষ্ঠ এবং মাঝখানে গভীর মহাকাশের বিস্তার দেখা যায়।
গতকাল মঙ্গলবার হিউস্টন মিশন কন্ট্রোলে বিজ্ঞানীদের সঙ্গে কথা বলেন নভোচারীরা। চাঁদের চারপাশে প্রায় সাত ঘণ্টার পর্যবেক্ষণকালীন অভিজ্ঞতা তারা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন। মিশনের প্রধান কেলসি ইয়াং বলেন, “আপনারা যা করেছেন, তা বিজ্ঞানের ইতিহাসে সত্যিই বড় অর্জন।”
চার সদস্যের এই দলে রয়েছেন মার্কিন নভোচারী রিড ওয়াইজম্যান, ক্রিস্টিনা কোচ, ভিক্টর গ্লোভার এবং কানাডার জেরেমি হ্যানসেন। এই মিশনের মাধ্যমে ভিক্টর গ্লোভার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ, ক্রিস্টিনা কোচ প্রথম নারী এবং জেরেমি হ্যানসেন প্রথম অ-মার্কিন নভোচারী হিসেবে চাঁদ প্রদক্ষিণ করে ইতিহাস গড়েছেন।
আর্টেমিস-২ পৃথিবী থেকে ২ লাখ ৫২ হাজার ৭৫৬ মাইল দূরত্বে পৌঁছে অ্যাপোলো-১৩–এর পুরোনো রেকর্ড ভেঙেছে। এই যাত্রায় তারা সূর্যগ্রহণ, চন্দ্রপৃষ্ঠে আলোর ঝলকানি এবং উল্কাপাতের দৃশ্যও প্রত্যক্ষ করেন। ভিক্টর গ্লোভার বলেন, “এটি এমন কিছু, যা মানুষের দেখা বা বর্ণনার সীমার বাইরে–অভাবনীয়।”
পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে আগামী শুক্রবার রাতে ক্যালিফোর্নিয়া উপকূলের প্রশান্ত মহাসাগরে ওরিয়ন ক্যাপসুলের অবতরণ করার কথা রয়েছে। নাসা জানিয়েছে, উদ্ধারকারী জাহাজ ইতোমধ্যে নির্ধারিত স্থানের দিকে রওনা দিয়েছে। এই মিশনকে ২০২৮ সালে চাঁদে মানুষ অবতরণের প্রস্তুতির বড় ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে

আইজিপি বলেন, বর্তমান বিশ্বে অপরাধের ধরন বদলে যাচ্ছে। বিশেষ করে প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধ, সাইবার ক্রাইম ও জঙ্গিবাদ মোকাবিলায় পুলিশ সদস্যদের দক্ষতা ও সচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই প্রশিক্ষণে অর্জিত জ্ঞান বাস্তবে কাজে লাগিয়ে নিজেদের আধুনিক রাখতে হবে।