
শেষবার যখন চাঁদে মানুষের পদচিহ্ন পড়েছিল, তারপর কেটে গেছে দীর্ঘ ৫৪ বছর। সেই অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে নাসা এবার পাড়ি দিচ্ছে তার ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী রকেট ‘স্পেস লঞ্চ সিস্টেম’ নিয়ে। আর্টেমিস-২ মিশনের মাধ্যমে চারজন দুঃসাহসী নভোচারী যাচ্ছেন এমন এক অজানার উদ্দেশ্যে, যা আগে কখনো সম্ভব হয়নি।

এর আগে ১৯৬০ ও ৭০-এর দশকের অ্যাপোলো মিশনের পর এটিই হতে যাচ্ছে মানবজাতির সবচেয়ে বড় চন্দ্র অভিযান।

রসকসমস আরও বলেছে, এই প্রকল্পটি প্রধান লক্ষ্য হলো স্থায়ীভাবে কার্যকর একটি বৈজ্ঞানিক চন্দ্র স্টেশন তৈরি। তাদের মতে বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন, এককালীন অভিযান থেকে দীর্ঘমেয়াদী চন্দ্র অনুসন্ধান কর্মসূচির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

চিলির প্যাটাগোনিয়ার আকাশে ৪ ডিসেম্বর ফুটে উঠেছিল এক মায়াবী সুপারমুন, সাধারণের তুলনায় আরও বড়, আরও উজ্জ্বল। পৃথিবীর কাছাকাছি অবস্থানের কারণে চাঁদের এই বিশেষ রূপ বছরে মাত্র কয়েকবারই দেখা যায়। নাসার হিসাব অনুযায়ী, এটিই ছিল বছরের শেষ সুপারমুন।

বিজ্ঞানীরা এতদিন মনে করতেন, পৃথিবীর মতো চাঁদে বায়ুমণ্ডল ও পানি না থাকায় সেখানে অক্সিডেশন প্রক্রিয়া সম্ভব নয়, অর্থাৎ লোহায় মরিচা পড়ার কথা নয়। কিন্তু এই আবিষ্কার সেই ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করছে।
অফিস অফ সাইন্স এন্ড টেকনোলজি মনে করে, মহাকাশযানের ডকিং বা চাঁদে অবতরণের মতো সূক্ষ্ম কাজের জন্য বর্তমান পদ্ধতির চেয়ে আরও বেশি নির্ভুলতা প্রয়োজন। যা পরবর্তীতে চন্দ্র অভিযানকে সহজ করে তুলবে।

আগামী ৭ ও ৮ সেপ্টেম্বর সেপ্টেম্বর রাতে আবারও দেখা যাবে ‘ব্লাড মুন’। পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণের এ সময় চাঁদ ধীরে ধীরে রূপ নেবে লালচে আভায়, যা আকাশ জুড়ে ছড়িয়ে পড়বে এক রহস্যময় সৌন্দর্যে।