Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> জীবনচরচা

মহাকাশে হোটেল: বিলাসবহুল ভ্রমণের নতুন দিগন্ত

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ২১: ৫৪
মহাকাশে হোটেল: বিলাসবহুল ভ্রমণের নতুন দিগন্ত

মহাকাশ ভ্রমণ দীর্ঘদিন ধরে মানুষের কল্পনার জগতে সীমাবদ্ধ ছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক প্রযুক্তিগত অগ্রগতি এবং বেসরকারি মহাকাশ কোম্পানিগুলোর দ্রুত উত্থানের ফলে সেই কল্পনা এখন বাস্তবের দিকে এগোচ্ছে। সায়েন্টিফিক আমেরিকান-এ প্রকাশিত জোনাথান ও’কালাঘানের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, অদূর ভবিষ্যতে মহাকাশে হোটেল তৈরির পরিকল্পনা বাস্তব রূপ নিতে চলেছে। তবে এই স্বপ্নের পেছনে যেমন রয়েছে অভূতপূর্ব সম্ভাবনা, তেমনি রয়েছে বহু জটিল প্রযুক্তিগত ও বাস্তব সীমাবদ্ধতা।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

প্রতিবেদন অনুযায়ী, নতুন প্রজন্মের বেসরকারি মহাকাশ স্টেশনগুলো– যেগুলোকে ‘অরবিটাল হ্যাবিট্যাট’ বলা হচ্ছে, শুধু মহাকাশচারীদের জন্য নয়, ধনী পর্যটকদের জন্যও উন্মুক্ত হতে পারে। এই স্টেশনগুলোতে কাঠের প্যানেলিং, আরামদায়ক ইন্টেরিয়র, উন্নতমানের স্লিপিং পড এবং পৃথিবীর অসাধারণ দৃশ্য দেখার জন্য বড় জানালা থাকবে। অনেকটা বিলাসবহুল হোটেলের অভিজ্ঞতা দেওয়ার প্রতিশ্রুতির মতো।

তবে বাস্তবতা হলো, বর্তমান ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশন বা আইএসএসের অভিজ্ঞতা একেবারেই ভিন্ন। এটি সংকীর্ণ, গন্ধযুক্ত এবং সীমিত আরামের পরিবেশে পরিচালিত হয়, যা মহাকাশে বিলাসিতার ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করে।

মহাকাশ থেকে অজানা তথ্য নিয়ে ফিরল ইঁদুরchina space

এই বৈপরীত্যই যে প্রশ্ন ওঠে– মহাকাশে সত্যিই কি বিলাসবহুল জীবন সম্ভব? মহাকাশ শিল্প বিশেষজ্ঞ এবং নাসার সাবেক ব্যবস্থাপক জেফ নোসানভ এই ধারণা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন। তার মতে, একটি কার্যকর মহাকাশ স্টেশন পরিচালনা করাই অত্যন্ত কঠিন কাজ, সেখানে বিলাসিতা যোগ করা আরও জটিল। মহাকাশে বায়ুমণ্ডল নিয়ন্ত্রণ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং যান্ত্রিক ব্যবস্থাগুলো সচল রাখা– সবই বড় চ্যালেঞ্জ।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

এই পরিস্থিতিতে, নতুন বাণিজ্যিক মহাকাশ স্টেশনগুলোর পরিকল্পনা এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করছে। ক্যালিফোর্নিয়া-ভিত্তিক কোম্পানি ভাস্ট তাদের ‘হেভেন–১’ স্টেশন ২০২৭ সালের শুরুতে উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা করছে। এছাড়া টেক্সাসের অ্যাক্সিওম স্পেস -এর অ্যাক্সিয়ম স্টেশন এবং ব্লু ওরিজিন-এর নেতৃত্বাধীন অরবিটাল রিফ প্রকল্পও এই দশকের মধ্যেই চালু করার লক্ষ্য নিয়েছে। একইসঙ্গে ভয়েজার টেকনোলজিস তাদের ‘স্টারল্যাব স্পেস স্টেশন’ তৈরির কাজ করছে, যা ২০২৯ সালে উৎক্ষেপণের লক্ষ্যে এগোচ্ছে।

এই নতুন স্টেশনগুলো মূলত আইএসএসের উত্তরসূরি হিসেবে তৈরি হচ্ছে, কারণ ২০৩০-এর দশকে আইএসএস–এর অবসর নেওয়ার কথা। ফলে মানব ইতিহাসে প্রথমবারের মতো মহাকাশ স্টেশন পরিচালনার দায়িত্ব সরকারি সংস্থা থেকে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের হাতে চলে যাচ্ছে। এই পরিবর্তন শুধু প্রযুক্তিগত নয়, বরং অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক দৃষ্টিকোণ থেকেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

মহাকাশে হারিয়ে গেল ভারতের ১৬ স্যাটেলাইটsattelile

এই স্টেশনগুলো সাধারণত পৃথিবী থেকে প্রায় ২৫০ মাইল উচ্চতায় কক্ষপথে ঘুরবে এবং একসঙ্গে ৪ থেকে ১০ জন মানুষকে ধারণ করতে পারবে। পরিবহন ব্যবস্থায় স্পেস এক্স-এর ক্রিউ ড্রাগন বা বোয়িং-এর স্টারলিনার ব্যবহৃত হতে পারে। শুরুতে কয়েক সপ্তাহের জন্য ভ্রমণ হলেও ভবিষ্যতে তা কয়েক মাস বা বছরের জন্যও বাড়ানো যেতে পারে।

তবে এই বিলাসবহুল ভ্রমণের খরচ হবে অত্যন্ত বেশি– প্রতিজনের জন্য প্রায় ১০ কোটি ডলার পর্যন্ত। ফলে সম্ভাব্য গ্রাহকের সংখ্যা সীমিত থাকবে। নিউইয়র্ক-ভিত্তিক কোম্পানি স্পেস ভিআইপি-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা রোমান চিপরুখার মতে, বিশ্বে হয়তো হাতেগোনা এক হাজার মানুষ আছেন যারা এই ধরনের ব্যয় বহন করতে সক্ষম।

এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো– এই হোটেলগুলো শুধুমাত্র পর্যটনের জন্য নয়। গবেষণা, উন্নত প্রযুক্তি উৎপাদন (যেমন সেমিকন্ডাক্টর বা ওষুধ) এবং সরকারি মহাকাশ কর্মসূচির জন্যও ব্যবহৃত হবে। ফলে এগুলোকে কেবল ‘মহাকাশ হোটেল’ হিসেবে দেখলে পুরো চিত্র বোঝা যাবে না। বরং এগুলো হবে বহুমুখী বৈজ্ঞানিক ও অর্থনৈতিক প্ল্যাটফর্ম।

তবে প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জগুলো এখনো বড় বাধা। মহাকাশে ঘুমের সমস্যা একটি বড় বিষয়, কারণ দিনে ১৫-১৬ বার সূর্যোদয়-সূর্যাস্ত ঘটে। তাই কৃত্রিম আলো ব্যবহার করে দিন-রাতের চক্র তৈরি করতে হবে। একইভাবে, টয়লেট ব্যবস্থাও অত্যন্ত জটিল এবং অস্বস্তিকর– যা বিলাসবহুল অভিজ্ঞতার সঙ্গে একেবারেই সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

আরেকটি বড় সমস্যা হলো রক্ষণাবেক্ষণ। আইএসএসে মহাকাশচারীদের অধিকাংশ সময় ব্যয় হয় স্টেশন সচল রাখার কাজে। নতুন স্টেশনগুলোতেও একই চ্যালেঞ্জ থাকবে। ফলে শুধু পর্যটক নয়, দক্ষ মহাকাশচারীদের উপস্থিতি অপরিহার্য হবে।

এই প্রেক্ষাপটে, মহাকাশ হোটেলের ধারণা যতটা আকর্ষণীয়, বাস্তবতা ততটাই কঠিন। প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা, উচ্চ ব্যয়, সীমিত গ্রাহক এবং জটিল অপারেশন– সব মিলিয়ে এটি একটি উচ্চঝুঁকিপূর্ণ উদ্যোগ। তবে দীর্ঘমেয়াদে এটি মানব সভ্যতার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হতে পারে।

বিষয়: অর্থনীতিআমেরিকাপ্রযুক্তিহোটেলমহাকাশনাসাভ্রমণমহাকাশচারী
সর্বশেষ
  • ১

    লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

  • ২

    মহাখালীতে পরিত্যক্ত ভবনে আগুন

  • ৩

    রাজধানীর ধানমন্ডিতে ভবনে আগুন

  • ৪

    হংকংয়ের বিনিয়োগ আকর্ষণে বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব বাংলাদেশের

  • ৫

    মেঘের শারীরিক অবস্থা এখনো ‘অস্থিতিশীল’, মেডিকেল বোর্ড গঠন

সম্পর্কিত
  • কীভাবে বুঝবেন আপনি গরিব?

    কীভাবে বুঝবেন আপনি গরিব?

    নিয়মিত বেতন পেয়ে মোটামুটি ভালোভাবে জীবনযাপন করলেও কিন্তু আর্থিক সমস্যা থাকতে পারে। আপনি দৈনন্দিন বিলগুলো হয়তো পরিশোধ করতে পারছেন, কিন্তু হুট করে বড় কোনো খরচ এসে পড়লে সমস্যায় পড়ে যান। তবে এসব লক্ষণ থাকলেই কাউকে গরিব বলা যায় না। এতে বোঝা যায় যে আপনি আর্থিকভাবে চাপে আছেন।

  • ইসবগুলের ভুষি কি আসলেই ওজেম্পিকের বিকল্প?

    ইসবগুলের ভুষি কি আসলেই ওজেম্পিকের বিকল্প?

    তারা সস্তা ও প্রেসক্রিপশন ছাড়া পাওয়া যাবে এমন কিছু জিনিস নিয়ে প্রচার চালাচ্ছেন, যা নাকি ওজেম্পিকের মতো দ্রুত কমাতে পারে। এই তালিকায় সাম্প্রতিক সময় সবচেয়ে বেশি শোনা গেছে ‘সিলিয়াম হাস্ক’-এর নাম। আর এই সিলিয়াম হাস্ক আর কিছুই নয়— আমাদের অতি পরিচিত ইসবগুলের ভুষি।

  • কেন প্রচলিত ‘ক্যারিয়ার পরামর্শ’ জেন জির ক্ষেত্রে ব্যর্থ হচ্ছে

    কেন প্রচলিত ‘ক্যারিয়ার পরামর্শ’ জেন জির ক্ষেত্রে ব্যর্থ হচ্ছে

    সম্ভবত এটাই আগামী দিনের কর্মজগতের নতুন বাস্তবতা, যেখানে সাফল্যের মাপকাঠি কেবল পদোন্নতি বা চাকরির দীর্ঘমেয়াদি নিশ্চয়তা নয়; বরং পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির সঙ্গে নিজেকে দ্রুত খাপ খাইয়ে নেওয়ার সক্ষমতা।

  • ওয়েট লিফটিং কেন নারীদের জন্য সেরা ব্যায়াম

    ওয়েট লিফটিং কেন নারীদের জন্য সেরা ব্যায়াম

    অনেকেই মনে করেন ওজন তুললে নারীরা পুরুষদের মতো পেশীবহুল ও চওড়া হয়ে যাবেন। তবে বিজ্ঞানী জে. ই. আর্প ও তার সহযোগীদের গবেষণা বলছে, পেশীর বৃদ্ধি অনেকাংশে নির্ভর করে টেস্টোস্টেরন নামক হরমোনের ওপর।