
এই ইস্যুতে এতদিন বাংলাদেশের পাশে ছিল পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। তবে বাংলাদেশ বিশ্বকাপ বয়কটের ঘোষণা দেওয়ার পর তারা বলছে, সিদ্ধান্ত নেবে পাকিস্তান সরকার।

টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট বিশ্বকাপে বাংলাদেশ না গেলে কী মাশুল গুনতে হবে? ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছে না বাংলাদেশ। এই সিদ্ধান্ত কি আবেগপূর্ণ হচ্ছে, নাকি কৌশলগত? এর কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশ ক্রিকেটে? খেলা হবে-এ নাইর ইকবালের সঙ্গে এ বিষয়ে বিশ্লেষণ করেছেন ক্রীড়া সাংবাদিক আতিফ আজম

ভারতে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেবে না বাংলাদেশ। এ ব্যাপারে অনড় অবস্থানেই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বাংলাদেশ সরকারের অবস্থানও পরিস্কার—কোনোভাবেই ভারতে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে পাঠানো হবে না। ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের মন্তব্যেও ব্যাপারটি পরিষ্কার।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলতে ভারতেই যেতে হবে বাংলাদেশকে, আইসিসি এমনটা জানিয়ে দিয়েছে। বাংলাদেশ কী করবে, সিদ্ধান্তটা নিতে হবে ২১ জানুয়ারির মধ্যে। অর্থাৎ, বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া, না নেওয়া নিয়ে বাংলাদেশের হাতে সময় ৪৮ ঘণ্টা! বাংলাদেশ বিশ্বকাপে অংশ না নিলে আইসিসি অন্য একটি দেশকে সুযোগ দেবে।

বিসিবির গঠনতন্ত্র বলছে, একজন পরিচালক যদি নিজে থেকে সরে না যান, তাহলে তাকে সরানো যাবে না। একজন পরিচালকের পদ শূন্য হয় কয়েকটি ব্যাপারে—তার মৃত্যু হলে, তিনি মানসিক ভারসাম্য হারালে, গুরুতর কোনো অনৈতিক কারণে আর পরপর তিনটি বোর্ড সভায় অনুপস্থিত থাকলে আর নিজে থেকে পদত্যাগ করলে।

বিশ্বকাপে নিজেদের ম্যাচ ভারত থেকে সরিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে আইসিসিকে চিঠি দিয়েছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। সেই আবেদন নাকি অগ্রাহ্যই হতে চলেছে।

ভারতে ক্ষমতাসীন বিজেপির অন্যতম শীর্ষ নেতার পুত্র হিসেবেই ক্রিকেট প্রশাসনে এসেছেন জয় শাহ। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সচিব হিসেবে কাজ করে তিনি আইসিসির চেয়ারম্যান হয়েছেন। মোস্তাফিজ-ইস্যুতে ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে না যেতে অনড় বাংলাদেশ। এটি এখন বাংলাদেশের জাতীয় মর্যাদার বিষয়। জয় শাহ এখন কী সিদ্ধান্ত নেবেন?

বিপিএল মানেই যেন বিতর্ক। মাঠের খেলার বাইরে মাঠের বাইরের বিষয় নিয়েই বেশি খবর। বাংলাদেশের এই টি–টোয়েন্টি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ যেন খবরের চেয়ে বেখবরের জন্যই বেশি বিখ্যাত। প্রতিটি সংস্করণ যেন নতুন নতুন বিতর্কের জন্মদাতা। বিপিএলকে তাই ‘বিতর্ক লিগ’ বললে বাড়িয়ে বলা হয় না।

বিপিএলের খেলা শুরু হচ্ছে ২৬ ডিসেম্বর থেকে । এর আগে ঢাকায় ২৫ ডিসেম্বর হওয়ার কথা ছিল উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। তবে সেটি হচ্ছে না। নিরাপত্তা জনিত কারণে সরকারের পরামর্শ বিবেচনাতেই এই সিদ্ধান্ত বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের...