
চ্যাট-জিপিটি কিংবা এআই, এইসব চালাতে যে ডাটা সেন্টার দরকার, সেটা জায়গা এবং কারেন্টের অভাবে এখন দুনিয়ায় চালানো দায়! এই সমস্যার সমাধান দেওয়ার জন্য ইলন মাস্ক এখন নজর দিইয়েছেন মহাকাশে। মহাকাশে ডাটা সেন্টার পাঠাইলে কি আসলেই খরচ কমাবে?

যেকোনো সংগঠনের কাঠামো ও জ্যামিতি নিয়ে যাদের আগ্রহ আছে তারা জানেন, প্রচলিতভাবে কোম্পানির কাঠামো পিরামিডের মতো। এর মানে হলো নিচে অনেক কর্মী থাকেন, আর ওপরে একক শীর্ষ। তবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারের ফলে প্রতিষ্ঠানে কর্মীর প্রয়োজন কমে গেলে এই পিরামিড কাঠামো অতীত স্মৃতিতে পরিণত হতে পারে।

চাকরির আবেদনপত্রের এই প্রবাহ ঠেকানোর জন্য নিয়োগকর্তারা নানা পদক্ষেপ নিচ্ছেন। কেউ কেউ বিনয়ের সঙ্গে প্রার্থীদের অনুরোধ করছেন, সিভি তৈরির সময় তারা যেন চ্যাটবট ব্যবহার না করেন।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উত্থানের ফলে চাকরি হারানোর আশঙ্কা নিয়ে অনেকে উদ্বেগ প্রকাশ করলেও, এই প্রযুক্তি ইতিমধ্যেই নতুন ধরনের কর্মসংস্থান তৈরি করছে। বিশেষ করে এআই এজেন্টদের প্রশিক্ষণ দেওয়া, সেগুলোকে প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থায় সংযুক্ত করা এবং তাদের আচরণ নিয়ন্ত্রণ করার মতো কাজে মানুষের চাহিদা বাড়ছে।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, অপেশাদার কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য এক্ষেত্রে এআই আশীর্বাদ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। চ্যাটবট তাদের হাজার হাজার প্রাইভেট মেসেজের জবাব দিচ্ছে, ভিডিও এডিটিংয়ের সময় কমে গেছে। কিন্তু বড় তারকাদের জন্য এটি হুমকি হয়েই দেখা দিয়েছে।

এটি বন্ধনীর চেয়ে কম কাজে লাগে, কিন্তু কমার চেয়ে বেশি। এর দৈর্ঘ্য একটি ‘এম’-এর সমান, যা এটিকে বিরক্তিকর ও ছোট এন ড্যাশ থেকে আলাদা করে। লেখকদের জন্য এটি পুরুষের চেঞ্জিং রুমের মতো।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) টুলগুলো মানুষকে যা বলে তা অন্ধভাবে বিশ্বাস করা উচিত নয় বলে জানিয়েছেন গুগলের মূল প্রতিষ্ঠান অ্যালফাবেটের প্রধান নির্বাহী সুন্দর পিচাই।

স্টাডি মোড ব্যবহার করে চ্যাটজিপিটি এখন একধরনের ভার্চুয়াল টিউটরের মতো কাজ করছে-যা সরাসরি উত্তর না দিয়ে ব্যবহারকারীকে প্রশ্ন করে চিন্তা করার অভ্যাস তৈরি করে। এতে বিশ্লেষণাত্মক চিন্তা, সমস্যা সমাধান ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার দক্ষতা বাড়ে।

বর্তমানে অনেক প্রতিষ্ঠানেই এআই ব্যবহারে কর্মীদের উৎসাহিত করা হচ্ছে, এমনকি কিছু ক্ষেত্রে এটি প্রায় বাধ্যতামূলক হয়ে উঠেছে।