চ্যাটজিপিটি

এআই কোম্পানিগুলো কেন দার্শনিকদের চাকরি দিচ্ছে?
সিলিকন ভ্যালির আরেকটি গবেষণাগার ‘ইনফ্লেকশন এআই’ তাদের ‘পাই’ চ্যাটবটের ওপর এই কর্তব্যবাদী সীমাবদ্ধতাগুলো আরোপ করেছে, যা মূলত ব্যবহারকারীদের মানসিক সহায়তা দেওয়ার জন্য তৈরি করা হয়েছে। এর প্রধান শন হোয়াইট জানান, পাই ব্যবহারকারীর নিজের বা অন্যদের ক্ষতি করার ঝুঁকিপূর্ণ মানসিকতা শনাক্ত করতে বেশ পারদর্শ

পরীক্ষাধীন ৪ এআই মডেলের দুটিই ভুয়া এনআইডি বানিয়ে দিয়েছে!
চ্যাটজিপিটি, ক্লড, জেমিনাই ও গ্রোক এই চারটি এআই টুল পরীক্ষা করে দেখেছে ডিসমিসল্যাব। এই পরীক্ষায় দেখা গেছে, চারটি এআই মডেলের দুটি কোনো প্রশ্ন ছাড়াই বাংলাদেশের জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করে দিয়েছে। সাধারণ মানুষের এনআইডির নিরাপত্তা তাহলে কতটা?

শ্রেণিকক্ষে এআই: শিক্ষার্থীদের চিন্তা, আলোচনা ও মূল্যায়নের ধরন বদলে যাচ্ছে?
বাংলাদেশে এখনো অতটা না হলেও উন্নত বিশ্বের দিকে তাকালে দেখা যায়–এআই শিক্ষাক্ষেত্রে এক নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলে দিয়েছে। এটি শেখাকে সহজ করেছে, সময় বাঁচাচ্ছে এবং জটিল বিষয়কে সহজভাবে বোঝার সুযোগ দিয়েছে। তবে অতিরিক্ত নির্ভরতা বিপজ্জনক হতে পারে।

পৃথিবীর বাইরে বিশাল রেডিয়েটর বসানোর প্ল্যান, কিন্তু কেন
চ্যাট-জিপিটি কিংবা এআই, এইসব চালাতে যে ডাটা সেন্টার দরকার, সেটা জায়গা এবং কারেন্টের অভাবে এখন দুনিয়ায় চালানো দায়! এই সমস্যার সমাধান দেওয়ার জন্য ইলন মাস্ক এখন নজর দিইয়েছেন মহাকাশে। মহাকাশে ডাটা সেন্টার পাঠাইলে কি আসলেই খরচ কমাবে?

এন্ট্রি-লেভেল চাকরিতে নতুনদের জায়গা নিয়ে নেবে এআই?
যেকোনো সংগঠনের কাঠামো ও জ্যামিতি নিয়ে যাদের আগ্রহ আছে তারা জানেন, প্রচলিতভাবে কোম্পানির কাঠামো পিরামিডের মতো। এর মানে হলো নিচে অনেক কর্মী থাকেন, আর ওপরে একক শীর্ষ। তবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারের ফলে প্রতিষ্ঠানে কর্মীর প্রয়োজন কমে গেলে এই পিরামিড কাঠামো অতীত স্মৃতিতে পরিণত হতে পারে।

নিয়োগকর্তা না প্রার্থী–চাকরির বাজারে এআই ব্যবহারে এগিয়ে কারা?
চাকরির আবেদনপত্রের এই প্রবাহ ঠেকানোর জন্য নিয়োগকর্তারা নানা পদক্ষেপ নিচ্ছেন। কেউ কেউ বিনয়ের সঙ্গে প্রার্থীদের অনুরোধ করছেন, সিভি তৈরির সময় তারা যেন চ্যাটবট ব্যবহার না করেন।

এআই চাকরি কেড়ে নিচ্ছে না, তৈরি করছে নতুন সুযোগ
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উত্থানের ফলে চাকরি হারানোর আশঙ্কা নিয়ে অনেকে উদ্বেগ প্রকাশ করলেও, এই প্রযুক্তি ইতিমধ্যেই নতুন ধরনের কর্মসংস্থান তৈরি করছে। বিশেষ করে এআই এজেন্টদের প্রশিক্ষণ দেওয়া, সেগুলোকে প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থায় সংযুক্ত করা এবং তাদের আচরণ নিয়ন্ত্রণ করার মতো কাজে মানুষের চাহিদা বাড়ছে।

এআই যেভাবে একটি ‘নিষিদ্ধ’ ইন্ডাস্ট্রিকে বদলে দিচ্ছে
বিশ্লেষকেরা বলছেন, অপেশাদার কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য এক্ষেত্রে এআই আশীর্বাদ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। চ্যাটবট তাদের হাজার হাজার প্রাইভেট মেসেজের জবাব দিচ্ছে, ভিডিও এডিটিংয়ের সময় কমে গেছে। কিন্তু বড় তারকাদের জন্য এটি হুমকি হয়েই দেখা দিয়েছে।

এআইকে এম ড্যাশের সর্বনাশ করতে দেবেন না
এটি বন্ধনীর চেয়ে কম কাজে লাগে, কিন্তু কমার চেয়ে বেশি। এর দৈর্ঘ্য একটি ‘এম’-এর সমান, যা এটিকে বিরক্তিকর ও ছোট এন ড্যাশ থেকে আলাদা করে। লেখকদের জন্য এটি পুরুষের চেঞ্জিং রুমের মতো।

এআই যা বলে তা অন্ধভাবে বিশ্বাস করবেন না: সুন্দর পিচাই
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) টুলগুলো মানুষকে যা বলে তা অন্ধভাবে বিশ্বাস করা উচিত নয় বলে জানিয়েছেন গুগলের মূল প্রতিষ্ঠান অ্যালফাবেটের প্রধান নির্বাহী সুন্দর পিচাই।

চ্যাটজিপিটির মাধ্যমে দ্রুত আয় শেখার ৩ উপায়
স্টাডি মোড ব্যবহার করে চ্যাটজিপিটি এখন একধরনের ভার্চুয়াল টিউটরের মতো কাজ করছে-যা সরাসরি উত্তর না দিয়ে ব্যবহারকারীকে প্রশ্ন করে চিন্তা করার অভ্যাস তৈরি করে। এতে বিশ্লেষণাত্মক চিন্তা, সমস্যা সমাধান ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার দক্ষতা বাড়ে।

কর্মক্ষেত্রের অভ্যাস যেভাবে বদলে ফেলছে এআই
বর্তমানে অনেক প্রতিষ্ঠানেই এআই ব্যবহারে কর্মীদের উৎসাহিত করা হচ্ছে, এমনকি কিছু ক্ষেত্রে এটি প্রায় বাধ্যতামূলক হয়ে উঠেছে।



