চরচা ডেস্ক

ঘি বা পরিশোধিত মাখন দীর্ঘদিন ধরেই ভারতীয় উপমহাদেশের রান্নায় একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। নোনতা ও মিষ্টি স্বাদের বহু খাবারেই এটি ব্যবহার করা হয়। ঘিয়ের আলাদা স্বাদ ও সুগন্ধ সাধারণ খাবারকেও বিশেষ মাত্রা দেয়।
দিল্লির বসন্ত কুঞ্জের ফোর্টিস হাসপাতালের গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট ও হেপাটোলজিস্ট ডা. শুভম বাত্স্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে দেওয়া পোস্টে খালি পেটে ঘি খাওয়ার উপকারিতার কথা জানান।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুস্তান টাইমস তার পোস্টের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে লিখেছে, ভারতীয় উপমহাদেশে অনেক আগে থেকেই স্বাস্থ্যকর উপাদান হিসেবে খাবারে ঘি ব্যবহার করা হলেও বর্তমানে তারকাদের মধ্যেও এর জনপ্রিয়তা বেড়েছে। বিশেষত খালি পেটে ঘি খাওয়া অনেক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।
হেলথলাইনের তথ্য অনুযায়ী, এক টেবিল চামচ (১৪ গ্রাম) ঘিতে থাকে প্রায় ১২৩ ক্যালরি। এতে থাকা পুষ্টিগুণের মধ্যে রয়েছে-স্যাচুরেটেড ফ্যাট ৯ গ্রাম, মনোআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট ৪ গ্রাম, পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট শূন্য দশমিক ৫ গ্রাম, প্রোটিন ও কার্বোহাইড্রেট অল্প পরিমাণে।
এ ছাড়া ভিটামিন এ-এর দৈনিক চাহিদার ১৩ শতাংশ, ভিটামিন ই-এর ৩ শতাংশ এবং ভিটামিন কে-এর ১ শতাংশ সরবরাহ করে ঘি।
খালি পেটে ঘি খাওয়া কেন ভালো?
ডা. শুভমের ভাষ্য, ঘিতে থাকা বুটিরিক অ্যাসিড অন্ত্রের ভেতরের স্তরকে পুষ্টি জোগায়, অম্লতা ও পেট ফাঁপার সমস্যা কমাতে সহায়তা করে এবং হজম প্রক্রিয়াকে ভালো রাখে।
এতে থাকা গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন হাড় ও হরমোনের স্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজনীয়। পাশাপাশি ঘিতে থাকা প্রদাহরোধী ফ্যাট জয়েন্টের যত্নে ও শরীরের শক্তভাব কমাতে সহায়ক। এজন্য খালি পেটে ঘি খাওয়ার পরামর্শ দেন এই চিকিৎসক।
ডা. শুভম আরও জানান, সঠিক পরিমাণে নিয়মিত খাদ্যতালিকায় ঘি রাখলে তা ওজন বাড়ায় না বরং এটি ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ ও রক্তে শর্করার মাত্রা স্থিতিশীল রাখতে সহায়তা করে।
স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস হিসেবে ডা. শুভমের পরামর্শ, সকালে এক চা-চামচ ঘি কুসুম গরম পানির সঙ্গে খাওয়া একটি সহজ, নিরাপদ ও অন্ত্রবান্ধব পদ্ধতি, যা ঘির উপকারিতা পাওয়ার কার্যকর উপায় হতে পারে।

ঘি বা পরিশোধিত মাখন দীর্ঘদিন ধরেই ভারতীয় উপমহাদেশের রান্নায় একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। নোনতা ও মিষ্টি স্বাদের বহু খাবারেই এটি ব্যবহার করা হয়। ঘিয়ের আলাদা স্বাদ ও সুগন্ধ সাধারণ খাবারকেও বিশেষ মাত্রা দেয়।
দিল্লির বসন্ত কুঞ্জের ফোর্টিস হাসপাতালের গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট ও হেপাটোলজিস্ট ডা. শুভম বাত্স্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে দেওয়া পোস্টে খালি পেটে ঘি খাওয়ার উপকারিতার কথা জানান।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুস্তান টাইমস তার পোস্টের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে লিখেছে, ভারতীয় উপমহাদেশে অনেক আগে থেকেই স্বাস্থ্যকর উপাদান হিসেবে খাবারে ঘি ব্যবহার করা হলেও বর্তমানে তারকাদের মধ্যেও এর জনপ্রিয়তা বেড়েছে। বিশেষত খালি পেটে ঘি খাওয়া অনেক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।
হেলথলাইনের তথ্য অনুযায়ী, এক টেবিল চামচ (১৪ গ্রাম) ঘিতে থাকে প্রায় ১২৩ ক্যালরি। এতে থাকা পুষ্টিগুণের মধ্যে রয়েছে-স্যাচুরেটেড ফ্যাট ৯ গ্রাম, মনোআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট ৪ গ্রাম, পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট শূন্য দশমিক ৫ গ্রাম, প্রোটিন ও কার্বোহাইড্রেট অল্প পরিমাণে।
এ ছাড়া ভিটামিন এ-এর দৈনিক চাহিদার ১৩ শতাংশ, ভিটামিন ই-এর ৩ শতাংশ এবং ভিটামিন কে-এর ১ শতাংশ সরবরাহ করে ঘি।
খালি পেটে ঘি খাওয়া কেন ভালো?
ডা. শুভমের ভাষ্য, ঘিতে থাকা বুটিরিক অ্যাসিড অন্ত্রের ভেতরের স্তরকে পুষ্টি জোগায়, অম্লতা ও পেট ফাঁপার সমস্যা কমাতে সহায়তা করে এবং হজম প্রক্রিয়াকে ভালো রাখে।
এতে থাকা গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন হাড় ও হরমোনের স্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজনীয়। পাশাপাশি ঘিতে থাকা প্রদাহরোধী ফ্যাট জয়েন্টের যত্নে ও শরীরের শক্তভাব কমাতে সহায়ক। এজন্য খালি পেটে ঘি খাওয়ার পরামর্শ দেন এই চিকিৎসক।
ডা. শুভম আরও জানান, সঠিক পরিমাণে নিয়মিত খাদ্যতালিকায় ঘি রাখলে তা ওজন বাড়ায় না বরং এটি ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ ও রক্তে শর্করার মাত্রা স্থিতিশীল রাখতে সহায়তা করে।
স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস হিসেবে ডা. শুভমের পরামর্শ, সকালে এক চা-চামচ ঘি কুসুম গরম পানির সঙ্গে খাওয়া একটি সহজ, নিরাপদ ও অন্ত্রবান্ধব পদ্ধতি, যা ঘির উপকারিতা পাওয়ার কার্যকর উপায় হতে পারে।