Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> জীবনচরচা

ভিনেগারের যত উপকার

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ১৫: ১১
ভিনেগারের যত উপকার

রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ এবং সুস্থ জীবনধারার জন্য বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যে কয়টি প্রাকৃতিক উপাদান নিয়ে সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে, তার মধ্যে ভিনেগার বা অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার অন্যতম। ভিনেগার মূলত একটি অম্লীয় তরল, যা শর্করা বা চিনি জাতীয় উপাদানকে গেঁজিয়ে তৈরি করা হয়। রান্নার স্বাদ বাড়ানো থেকে শুরু করে ঘরোয়া পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং শারীরিক সুস্থতায় এর ব্যবহার প্রাচীনকাল থেকেই। ভিনেগারের প্রধান কার্যকরী উপাদান হলো অ্যাসিটিক অ্যাসিড, যা শরীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

ভিনেগারের প্রধান স্বাস্থ্য উপকারিতা

ভিনেগারের সবচেয়ে বড় অবদান হলো এটি ইনসুলিনের কার্যকারিতা বাড়াতে সাহায্য করে। কার্বোহাইড্রেট বা চিনিযুক্ত খাবার খাওয়ার পর রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ বেড়ে যাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। ভিনেগার এই স্পাইক প্রতিরোধে দারুণ কার্যকর।

বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে যে, ভিনেগার দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে। ফলে অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা কমে এবং সারাদিনে ক্যালরি গ্রহণের পরিমাণ সীমিত হয়। এটি দীর্ঘমেয়াদে ওজন কমাতে এবং পেটের চর্বি নিয়ন্ত্রণে সহায়ক।

ভিনেগার একটি শক্তিশালী অ্যান্টি-সেপটিক। খাবারের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতে এর জুড়ি নেই। সালাদ বা কাঁচা সবজি ধোয়ার কাজে এটি ব্যবহার করলে সংক্রমণের ঝুঁকি কমে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

প্রাণীদের ওপর করা কিছু গবেষণায় দেখা গেছে যে, ভিনেগার রক্তে ট্রাইগ্লিসারাইড এবং ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া এটি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।

অনেকের পাকস্থলীতে প্রাকৃতিকভাবে অ্যাসিডের পরিমাণ কম থাকে, যার ফলে বদহজমের সমস্যা হয়। ভিনেগারের অম্লীয় গুণাগুণ হজম প্রক্রিয়াকে গতিশীল করতে সাহায্য করে।

‘গ্লুকোজ গডেস’ জেসি ইনচাওস্পের বৈজ্ঞানিক হ্যাকস

ফরাসি বায়োকেমিস্ট এবং বিখ্যাত লেখক জেসি ইনচাওস্পে যিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘গ্লুকোজ গডেস’ নামে পরিচিত, রক্তে শর্করার ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য ভিনেগারের ব্যবহারকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। তার মতে, আমাদের বর্তমান খাদ্যাভ্যাসে যে গ্লুকোজ স্পাইক ঘটে, তা কমানোর সবচেয়ে সস্তা ও সহজ উপায় হলো ভিনেগার।

ভিনেগার কেন কাজ করে?

জেসির ব্যাখ্যা অনুযায়ী, ভিনেগারের অ্যাসিটিক অ্যাসিড দুটি কাজ করে। প্রথমত, এটি আমাদের পরিপাকতন্ত্রে থাকা আলফা-অ্যামাইলেজ এনজাইমের কার্যকারিতা ধীর করে দেয়, ফলে স্টার্চ বা শর্করা খুব দ্রুত গ্লুকোজে রূপান্তরিত হতে পারে না।

দ্বিতীয়ত, এটি পেশিকে সংকেত দেয় যাতে রক্ত থেকে অতিরিক্ত গ্লুকোজ দ্রুত শুষে নেওয়া হয় এবং গ্লাইকোজেন হিসেবে জমা রাখা হয়।

অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার ইনসুলিন স্পাইক প্রায় ২০ শতাংশ কমিয়ে দিতে পারে। ছবি: ফ্রিপিক
অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার ইনসুলিন স্পাইক প্রায় ২০ শতাংশ কমিয়ে দিতে পারে। ছবি: ফ্রিপিক

জেসির বিখ্যাত ‘ভিনেগার হ্যাক’

জেসি ইনচাওস্পের সবচেয়ে জনপ্রিয় পরামর্শ হলো—যেকোনো ভারী খাবার বা কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার প্রায় ২০ মিনিট আগে ১ টেবিল চামচ ভিনেগার এক গ্লাস পানিতে মিশিয়ে পান করা। তিনি বৈজ্ঞানিক তথ্য দিয়ে দেখিয়েছেন যে, এই সাধারণ অভ্যাসটি খাবারের ফলে সৃষ্ট গ্লুকোজ স্পাইক প্রায় ৩০ শতাংশ এবং ইনসুলিন স্পাইক প্রায় ২০ শতাংশ কমিয়ে দিতে পারে। এর ফলে শরীরের প্রদাহ কমে, ক্লান্তি দূর হয় এবং পিসিওএস বা হরমোনাল সমস্যায় ভোগা ব্যক্তিদের জন্য বেশ উপকারি।

ব্যবহারের সঠিক নিয়ম ও সতর্কতা

ভিনেগার অত্যন্ত অম্লীয়, তাই এর ব্যবহারে সচেতনতা জরুরি। জেসি ইনচাওস্পে এবং পুষ্টিবিদরা কিছু নির্দিষ্ট নিয়মের কথা বলেন:

কখনোই সরাসরি ভিনেগার খাবেন না। ১ টেবিল চামচ ভিনেগার অন্তত বড় এক গ্লাস (২৫০-৩০০ মিলি) পানিতে মিশিয়ে নিতে হবে।

সরাসরি ভিনেগার খেলে দাঁতের এনামেল ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই এটি পান করার সময় স্ট্র ব্যবহার করা সবচেয়ে নিরাপদ।

অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার স্বাদের জন্য জনপ্রিয় হলেও সাধারণ সাদা ভিনেগার বা রাইস ভিনেগারও সমান কাজ করে। তবে চিনি বা সিরাপযুক্ত বালসামিক ভিনেগার এড়িয়ে চলাই ভালো।

যদি পানিতে মিশিয়ে খেতে সমস্যা হয়, তবে খাবারের শুরুতে সালাদের ড্রেসিং হিসেবে ভিনেগার এবং অলিভ অয়েল ব্যবহার করলেও একই ফল পাওয়া যায়।

সবার শরীর সমান নয়। যাদের গ্যাস্ট্রাইটিস বা আলসারের সমস্যা আছে, তারা খালি পেটে ভিনেগার এড়িয়ে চলবেন। এছাড়া যারা ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপের নিয়মিত ওষুধ খান, তাদের উচিত ভিনেগারকে অভ্যাসে পরিণত করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া। কারণ এটি ওষুধের সাথে বিক্রিয়া করে রক্তে শর্করার মাত্রা অতিরিক্ত কমিয়ে দিতে পারে।

তথ্যসূত্র: ভোগ, হেলথলাইন

বিষয়: সুস্থ জীবনকোলেস্টেরলউচ্চরক্তচাপজীবনধারালাইফস্টাইল
সর্বশেষ
  • ১

    লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

  • ২

    মহাখালীতে পরিত্যক্ত ভবনে আগুন

  • ৩

    রাজধানীর ধানমন্ডিতে ভবনে আগুন

  • ৪

    হংকংয়ের বিনিয়োগ আকর্ষণে বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব বাংলাদেশের

  • ৫

    মেঘের শারীরিক অবস্থা এখনো ‘অস্থিতিশীল’, মেডিকেল বোর্ড গঠন

সম্পর্কিত
  • কীভাবে বুঝবেন আপনি গরিব?

    কীভাবে বুঝবেন আপনি গরিব?

    নিয়মিত বেতন পেয়ে মোটামুটি ভালোভাবে জীবনযাপন করলেও কিন্তু আর্থিক সমস্যা থাকতে পারে। আপনি দৈনন্দিন বিলগুলো হয়তো পরিশোধ করতে পারছেন, কিন্তু হুট করে বড় কোনো খরচ এসে পড়লে সমস্যায় পড়ে যান। তবে এসব লক্ষণ থাকলেই কাউকে গরিব বলা যায় না। এতে বোঝা যায় যে আপনি আর্থিকভাবে চাপে আছেন।

  • ইসবগুলের ভুষি কি আসলেই ওজেম্পিকের বিকল্প?

    ইসবগুলের ভুষি কি আসলেই ওজেম্পিকের বিকল্প?

    তারা সস্তা ও প্রেসক্রিপশন ছাড়া পাওয়া যাবে এমন কিছু জিনিস নিয়ে প্রচার চালাচ্ছেন, যা নাকি ওজেম্পিকের মতো দ্রুত কমাতে পারে। এই তালিকায় সাম্প্রতিক সময় সবচেয়ে বেশি শোনা গেছে ‘সিলিয়াম হাস্ক’-এর নাম। আর এই সিলিয়াম হাস্ক আর কিছুই নয়— আমাদের অতি পরিচিত ইসবগুলের ভুষি।

  • কেন প্রচলিত ‘ক্যারিয়ার পরামর্শ’ জেন জির ক্ষেত্রে ব্যর্থ হচ্ছে

    কেন প্রচলিত ‘ক্যারিয়ার পরামর্শ’ জেন জির ক্ষেত্রে ব্যর্থ হচ্ছে

    সম্ভবত এটাই আগামী দিনের কর্মজগতের নতুন বাস্তবতা, যেখানে সাফল্যের মাপকাঠি কেবল পদোন্নতি বা চাকরির দীর্ঘমেয়াদি নিশ্চয়তা নয়; বরং পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির সঙ্গে নিজেকে দ্রুত খাপ খাইয়ে নেওয়ার সক্ষমতা।

  • ওয়েট লিফটিং কেন নারীদের জন্য সেরা ব্যায়াম

    ওয়েট লিফটিং কেন নারীদের জন্য সেরা ব্যায়াম

    অনেকেই মনে করেন ওজন তুললে নারীরা পুরুষদের মতো পেশীবহুল ও চওড়া হয়ে যাবেন। তবে বিজ্ঞানী জে. ই. আর্প ও তার সহযোগীদের গবেষণা বলছে, পেশীর বৃদ্ধি অনেকাংশে নির্ভর করে টেস্টোস্টেরন নামক হরমোনের ওপর।