Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> জীবনচরচা

কর্মক্ষেত্রে ‘সফট অফ ডে’ কী?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৫: ৩৫
কর্মক্ষেত্রে ‘সফট অফ ডে’ কী?

ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাজ করা আর ক্লান্তি অনুভব করা পেশাজীবীদের জীবনের এক কষ্টকর বাস্তবতা। ইচ্ছা করুক বা না করুক–কাজ তো করতেই হয়। এ পরিস্থিতিতে অনলাইনে নতুন একটি ধারণা বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। সেটি হলো ‘সফট অফ ডে’।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

আনুষ্ঠানিকভাবে ছুটি না নিয়েই মানসিকভাবে নিজেকে কিছুটা বিরতি দেওয়ার উপায় হলো এই ‘সফট অফ ডে’।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ফ্রি প্রেস জার্নালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, কীভাবে কর্মীরা অফিসে উপস্থিত থেকেও কম পরিশ্রমে দিন কাটাতে পারেন-সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক নারী ইনফ্লুয়েন্সার তা দেখানোর পর এই ধারণাটি বেশ ভাইরাল হয়।

‘সফট অফ ডে’ মানে কাজ পুরোপুরি এড়িয়ে যাওয়া নয়। এর মানে হোম অফিস হলে লগইন করে বা অফিসে উপস্থিত থেকে কেবল ন্যূনতম প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করা। এতে মনোযোগ ও শারীরিক শক্তি কম থাকা দিনগুলোতে নিজেকে সামলে নেওয়া যায়।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

ভাইরাল ভিডিওতে ইনফ্লুয়েন্সার ‘সফট অফ ডে’ সফলভাবে কাটানোর কয়েকটি কৌশল তুলে ধরেন। প্রথমত, স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে কিছুটা দেরিতে লগইন করা বা অফিসে পৌঁছানো, যাতে দিনটি একটু দেরিতে শুরু করা যায়।

অফিসে কর্মঘণ্টা কত হওয়া উচিত?Work Hour

দ্বিতীয়ত, দিনের শুরুতেই ইমেইলের জবাব দেওয়া। তার মতে, এতে কর্মীকে সক্রিয় ও উপস্থিত বলে মনে হয়, ফলে কাজের অগ্রগতি নিয়ে প্রশ্নের সম্ভাবনা কমে।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশল হলো অটোমেশন ব্যবহার। মনোযোগ কম থাকলে মিটিং চলাকালে ট্রান্সক্রিপশন বা নোট নেওয়ার টুল ব্যবহার করার পরামর্শ দেন ওই ইনফ্লুয়েন্সার। এতে পুরোপুরি মনোযোগী না থাকলেও কাজ ‘কভার’ হয়েছে-এমন ধারণা তৈরি হয়।

কাজের সীমানা নির্ধারণের ওপরও জোর দেন ওই ইনফ্লুয়েন্সার। অতিরিক্ত কাজ নেওয়া, দেরি পর্যন্ত থাকা বা বাড়তি দায়িত্ব গ্রহণে ‘না’ বলা- এসবকে তিনি ‘সফট অফ ডে’ সফল করার শর্ত হিসেবে উল্লেখ করেন। তার ভাষায়, নিজের সময় ও শক্তি সুরক্ষিত রাখলেই এ পদ্ধতি কার্যকর হয়।

সবশেষে, আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে আগেভাগে অফিস ছাড়ার পরামর্শও দেন তিনি। তার মতে, অধিকাংশ মানুষ সহকর্মীদের কাজ ততটা খেয়াল করেন না, যতটা আমরা ভাবি। আর যারা বাসা থেকে কাজ করেন, তাদের জন্য তার সহজ টিপস হলো লগইন অবস্থায় থাকা, মাঝে মাঝে মাউস নড়ানো এবং অপ্রয়োজনীয় নজর এড়ানো।

বিষয়: কর্মীপেশাবন্ধঅফিস
সর্বশেষ
  • ১

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

  • ২

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ৩

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৪

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

  • ৫

    মহাখালীতে এসকেএস টাওয়ারের পেছনের ভবনে আগুন

সম্পর্কিত
  • কীভাবে বুঝবেন আপনি গরিব?

    কীভাবে বুঝবেন আপনি গরিব?

    নিয়মিত বেতন পেয়ে মোটামুটি ভালোভাবে জীবনযাপন করলেও কিন্তু আর্থিক সমস্যা থাকতে পারে। আপনি দৈনন্দিন বিলগুলো হয়তো পরিশোধ করতে পারছেন, কিন্তু হুট করে বড় কোনো খরচ এসে পড়লে সমস্যায় পড়ে যান। তবে এসব লক্ষণ থাকলেই কাউকে গরিব বলা যায় না। এতে বোঝা যায় যে আপনি আর্থিকভাবে চাপে আছেন।

  • ইসবগুলের ভুষি কি আসলেই ওজেম্পিকের বিকল্প?

    ইসবগুলের ভুষি কি আসলেই ওজেম্পিকের বিকল্প?

    তারা সস্তা ও প্রেসক্রিপশন ছাড়া পাওয়া যাবে এমন কিছু জিনিস নিয়ে প্রচার চালাচ্ছেন, যা নাকি ওজেম্পিকের মতো দ্রুত কমাতে পারে। এই তালিকায় সাম্প্রতিক সময় সবচেয়ে বেশি শোনা গেছে ‘সিলিয়াম হাস্ক’-এর নাম। আর এই সিলিয়াম হাস্ক আর কিছুই নয়— আমাদের অতি পরিচিত ইসবগুলের ভুষি।

  • কেন প্রচলিত ‘ক্যারিয়ার পরামর্শ’ জেন জির ক্ষেত্রে ব্যর্থ হচ্ছে

    কেন প্রচলিত ‘ক্যারিয়ার পরামর্শ’ জেন জির ক্ষেত্রে ব্যর্থ হচ্ছে

    সম্ভবত এটাই আগামী দিনের কর্মজগতের নতুন বাস্তবতা, যেখানে সাফল্যের মাপকাঠি কেবল পদোন্নতি বা চাকরির দীর্ঘমেয়াদি নিশ্চয়তা নয়; বরং পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির সঙ্গে নিজেকে দ্রুত খাপ খাইয়ে নেওয়ার সক্ষমতা।

  • ওয়েট লিফটিং কেন নারীদের জন্য সেরা ব্যায়াম

    ওয়েট লিফটিং কেন নারীদের জন্য সেরা ব্যায়াম

    অনেকেই মনে করেন ওজন তুললে নারীরা পুরুষদের মতো পেশীবহুল ও চওড়া হয়ে যাবেন। তবে বিজ্ঞানী জে. ই. আর্প ও তার সহযোগীদের গবেষণা বলছে, পেশীর বৃদ্ধি অনেকাংশে নির্ভর করে টেস্টোস্টেরন নামক হরমোনের ওপর।