Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> জীবনচরচা

জেন জি’রা কেন ‘বস’ হতে আগ্রহী নয়

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ২৬ নভেম্বর ২০২৫, ১৬: ৫৪
জেন জি’রা কেন ‘বস’ হতে আগ্রহী নয়

এখনকার কর্মক্ষেত্রে একটি বিস্ময়কর পরিবর্তন লক্ষ করা যাচ্ছে। সেটি হলো, জেন জি প্রজন্মের বহু তরুণ-তরুণী 'বস' হতে আগ্রহী নন! এমনকি এ নিয়ে তাদের তেমন কোনো আকাঙ্ক্ষাও নেই।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

সম্প্রতি ডেলয়েটের ২০২৫ সালের গ্লোবাল জেন জি ও মিলেনিয়াল সমীক্ষা অনুসারে, মাত্র ৬% জেন জি কর্মীর ক্যারিয়ারের প্রাথমিক লক্ষ্য হলো, উচ্চপদস্থ নেতৃত্বে পৌঁছানো। এদিকে গ্লোবাল রিক্রুটমেন্ট সংস্থা রবার্ট ওয়াল্টারসের সমীক্ষা বলছে, ৫২% জেন জি কর্মী মাঝারি পর্যায়ের ম্যানেজার হতে চায় না। এই অবস্থা থেকে বৈশ্বিক চাকরির বাজারে নতুন একটি বিষয় বেশ জনপ্রিয় হচ্ছে। সেটি হলো, ‘কনশাস আনবসিং’।

অথচ আগের প্রজন্মের কাছে নেতৃত্বের চেয়ারে বসা মানেই ছিল সাফল্যের সবচেয়ে বড় পরিচয়। তাহলে এই প্রজন্মের দৃষ্টিভঙ্গি এত আলাদা হলো কীভাবে? এর জবাব খুঁজলে উঠে আসে কিছু প্রজন্মগত, সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক কারণ।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, কর্মক্ষেত্রে জেন জি প্রজন্ম স্বাধীনতা ও মানসিক শান্তিকে মাপকাঠি হিসেবে দেখে। তারা চাকরিকে জীবনের কেন্দ্র নয়, বরং জীবনের একটি অংশ মনে করে। বস হওয়ার সাথে আসে অতিরিক্ত দায়িত্ব, দীর্ঘ সময় কাজ, স্ট্রেস ও সারাক্ষণ ‘ডিউটি মোড’-এ থাকার চাপ। এটি জেন জি’দের কাছে জীবনের মান কমিয়ে দেয়। তারা জানে,মানসিক স্বাস্থ্য অগ্রাধিকার পাওয়ার মতো বিষয় এবং যদি কর্মক্ষেত্রে পাওয়া নেতৃত্বের পদ তাদের শান্তি ও স্বাধীনতাকে খেয়ে ফেলে, তাহলে সেই পদ থেকে দূরে থাকাই বরং ভালো বলে মনে করে তারা!

Advertisement
Advertisement
Advertisement
জেন জিরা সমতাভিত্তিক কর্মসংস্কৃতি পছন্দ করে যেখানে সবাই সমানভাবে মতামত দিতে পারে, সিদ্ধান্ত নিতে পারে। ছবি: ফ্রিপিক
জেন জিরা সমতাভিত্তিক কর্মসংস্কৃতি পছন্দ করে যেখানে সবাই সমানভাবে মতামত দিতে পারে, সিদ্ধান্ত নিতে পারে। ছবি: ফ্রিপিক

জেন জি’রা ক্ষমতার কাঠামোতে কম বিশ্বাসী। তারা এমন সমতাভিত্তিক কর্মসংস্কৃতি পছন্দ করে, যেখানে সবাই সমানভাবে মতামত দিতে পারে, সিদ্ধান্ত নিতে পারে। জেন জি’দের আকর্ষণ করে এমন কর্মক্ষেত্র, যেখানে কাজের মূল্যায়ন হয় দক্ষতার ভিত্তিতে, পদবির নয়। নেতৃত্ব মানেই তাদের কাছে দূরত্ব তৈরি করা বা কর্তৃত্ব দেখানো। এজন্য তারা সেই ভূমিকা এড়িয়ে যেতে চায়।

তারা ‘ওয়ার্ক-লাইফ ফ্লেক্সিবিলিটি’–কে ভবিষ্যতের সবচেয়ে বড় সুবিধা মনে করে। বস হওয়া মানে অনেক ক্ষেত্রে নিজেকে নমনীয়তা বা ফ্লেক্সিবিলিটি থেকে বঞ্চিত করা। অনেক সিদ্ধান্ত তাদের নিয়ন্ত্রণে থাকলেও দৈনন্দিন কাজের চাপ তাদের ব্যক্তিগত সময়কে কমিয়ে দেয়। জেন জি বরং দক্ষতা, সৃজনশীলতা ও টিম ওয়ার্ক’কে বেশি মূল্য দেয়; সিইও হওয়ার চেয়ে কোন নির্দিষ্ট কাজে একজন দক্ষ বিশেষজ্ঞ হওয়াতেও তারা সন্তুষ্ট।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রজন্ম অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যে বড় হয়েছে। মহামারি, অর্থনৈতিক মন্দা, চাকরির অনিরাপত্তা, অটোমেশন ইত্যাদি তাদের মনোভাব গড়ে তুলেছে। তারা দেখে, উচ্চপদে থাকা মানুষরাও হঠাৎ চাকরি হারাচ্ছেন কিংবা কাজের চাপে মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্য হারাচ্ছেন। তাই পদোন্নতি তাদের চোখে নিরাপদ বা আকর্ষণীয় নয়।

জেন জিদের কাছে নিজের প্রজেক্টে নেতৃত্ব দেওয়া নেতৃত্বের শক্তিশালী রূপ। ছবি: ফ্রিপিক
জেন জিদের কাছে নিজের প্রজেক্টে নেতৃত্ব দেওয়া নেতৃত্বের শক্তিশালী রূপ। ছবি: ফ্রিপিক

বর্তমানে চাকরির বাজারে অবশ্য নেতৃত্বের ধারণাও বদলে গেছে। এটি এখন কেবল চেয়ারে বসে সিদ্ধান্ত নেওয়া নয়; বরং কর্মক্ষেত্রের ভিতর ও বাইরে থেকে প্রভাব তৈরি করা, মানুষের জীবনে পরিবর্তন আনা বা কোনো উদ্দেশ্যের পাশে দাঁড়ানো। এই প্রজন্ম মনে করে- ইনফ্লুয়েন্সার, উদ্যোক্তা, ফ্রিল্যান্সার কিংবা নিজের প্রজেক্টে নেতৃত্ব দেওয়া এসবই নেতৃত্বের শক্তিশালী রূপ। তাই তাদের কাছে ‘বস’ না হয়ে, ‘লিডার’ হওয়ার বিষয়টি বেশি প্রাধান্য পাচ্ছে।

বিভিন্ন জরিপে দেখা গেছে, জেন জি’দের ‘বার্নআউট’ হয়ে যাওয়ার ভয় অনেক। আগের প্রজন্ম ‘নীরবে সহ্য’ করে কাজ করত, কিন্তু জেন জি তা আর করতে রাজি নয়। তাদের কাছে সুখ, স্বাস্থ্য ও ব্যক্তিগত উন্নয়নই সাফল্যের নতুন সংজ্ঞা।

সব মিলিয়ে, জেন জি বস হতে চায় না মানে এই নয় যে, তারা দায়িত্ব নিতে পারে না বা নেতৃত্বদানে অক্ষম। বরং তারা নেতৃত্বকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করতে চায় কম চাপ, বেশি স্বাধীনতা আর মানবিকতার ভিত্তিতে। তারা এমন এক কর্মসংস্কৃতি তৈরি করতে চায় যেখানে নেতৃত্ব মানে ক্ষমতা নয়, বরং সহযোগিতা।

তথ্যসূত্র: ডেলয়েটের ওয়েবসাইট, টাইমস অব ইন্ডিয়া

বিষয়: অফিসকর্মীকর্মস্থলকর্মসংস্থানজীবনজেনারেশন জেডচাকরিলাইফস্টাইল
সর্বশেষ
  • ১

    লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

  • ২

    মহাখালীতে পরিত্যক্ত ভবনে আগুন

  • ৩

    রাজধানীর ধানমন্ডিতে ভবনে আগুন

  • ৪

    হংকংয়ের বিনিয়োগ আকর্ষণে বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব বাংলাদেশের

  • ৫

    মেঘের শারীরিক অবস্থা এখনো ‘অস্থিতিশীল’, মেডিকেল বোর্ড গঠন

সম্পর্কিত
  • কীভাবে বুঝবেন আপনি গরিব?

    কীভাবে বুঝবেন আপনি গরিব?

    নিয়মিত বেতন পেয়ে মোটামুটি ভালোভাবে জীবনযাপন করলেও কিন্তু আর্থিক সমস্যা থাকতে পারে। আপনি দৈনন্দিন বিলগুলো হয়তো পরিশোধ করতে পারছেন, কিন্তু হুট করে বড় কোনো খরচ এসে পড়লে সমস্যায় পড়ে যান। তবে এসব লক্ষণ থাকলেই কাউকে গরিব বলা যায় না। এতে বোঝা যায় যে আপনি আর্থিকভাবে চাপে আছেন।

  • ইসবগুলের ভুষি কি আসলেই ওজেম্পিকের বিকল্প?

    ইসবগুলের ভুষি কি আসলেই ওজেম্পিকের বিকল্প?

    তারা সস্তা ও প্রেসক্রিপশন ছাড়া পাওয়া যাবে এমন কিছু জিনিস নিয়ে প্রচার চালাচ্ছেন, যা নাকি ওজেম্পিকের মতো দ্রুত কমাতে পারে। এই তালিকায় সাম্প্রতিক সময় সবচেয়ে বেশি শোনা গেছে ‘সিলিয়াম হাস্ক’-এর নাম। আর এই সিলিয়াম হাস্ক আর কিছুই নয়— আমাদের অতি পরিচিত ইসবগুলের ভুষি।

  • কেন প্রচলিত ‘ক্যারিয়ার পরামর্শ’ জেন জির ক্ষেত্রে ব্যর্থ হচ্ছে

    কেন প্রচলিত ‘ক্যারিয়ার পরামর্শ’ জেন জির ক্ষেত্রে ব্যর্থ হচ্ছে

    সম্ভবত এটাই আগামী দিনের কর্মজগতের নতুন বাস্তবতা, যেখানে সাফল্যের মাপকাঠি কেবল পদোন্নতি বা চাকরির দীর্ঘমেয়াদি নিশ্চয়তা নয়; বরং পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির সঙ্গে নিজেকে দ্রুত খাপ খাইয়ে নেওয়ার সক্ষমতা।

  • ওয়েট লিফটিং কেন নারীদের জন্য সেরা ব্যায়াম

    ওয়েট লিফটিং কেন নারীদের জন্য সেরা ব্যায়াম

    অনেকেই মনে করেন ওজন তুললে নারীরা পুরুষদের মতো পেশীবহুল ও চওড়া হয়ে যাবেন। তবে বিজ্ঞানী জে. ই. আর্প ও তার সহযোগীদের গবেষণা বলছে, পেশীর বৃদ্ধি অনেকাংশে নির্ভর করে টেস্টোস্টেরন নামক হরমোনের ওপর।