চরচা ডেস্ক

গ্রীষ্মকালীন ফল আম। স্বাদে এই ফলের জুড়ি মেলা ভার। বাংলাদেশের প্রায় সব এলাকায় কমবেশি আমগাছ জন্মায়। বর্তমানে বাজারে আসতে শুরু করেছে নানা জাতের আম। স্বাদের পাশাপাশি আমের পুষ্টিগুণও রয়েছে অনেক।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রতিদিন আম খেলে শরীরে নানা উপকারী পুষ্টি উপাদান পৌঁছে যায়। আমে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, হজমে সহায়ক এনজাইম ও প্রয়োজনীয় ভিটামিন শরীরের বিভিন্ন কাজে সাহায্য করতে পারে।
এক প্রতিবেদনে প্রতিদিন আম খাওয়ার উপকারিতা তুলে ধরেছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম নিউজ এইটটিন।
হজমশক্তি ভালো হতে পারে
বিশেষজ্ঞরা জানান, আমে অ্যামাইলেজ নামের এক ধরনের এনজাইম থাকে, যা জটিল শর্করা ভাঙতে সহায়তা করে। এর সঙ্গে থাকা খাদ্যআঁশ কোষ্ঠকাঠিন্য ও পেট ফাঁপার সমস্যা কমাতে সহায়ক হতে পারে। এছাড়া আমে থাকা প্রিবায়োটিক উপকারী অন্ত্রের জীবাণুকে পুষ্টি জোগায়, যা হজমব্যবস্থা ভালো রাখতে ভূমিকা রাখে।
ত্বকে আসতে পারে স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা
আমে থাকা বিটা-ক্যারোটিন ও ভিটামিন এ ত্বকের কোষের পুনর্গঠনে সাহায্য করে। নিয়মিত খেলে ত্বকের লোমকূপে জমে থাকা তেল বা সিবাম পরিষ্কার হতে সাহায্য করতে পারে এবং অতিবেগুনি (ইউভি) রশ্মির ক্ষতির বিরুদ্ধে ত্বককে কিছুটা সুরক্ষা দিতে পারে। পাশাপাশি ভিটামিন সি ও ই ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা বজায় রাখতে এবং ত্বককে উজ্জ্বল দেখাতে সহায়তা করতে পারে মত বিশেষজ্ঞদের।
রোগ প্রতিরোধক্ষমতা শক্তিশালী হতে পারে
বিশেষজ্ঞরা জানান, একটি আম থেকে দৈনিক প্রয়োজনীয় ভিটামিন সি–এর বড় অংশ পাওয়া যায়। ভিটামিন সি শ্বেত রক্তকণিকা তৈরিতে সহায়তা করে, যা শরীরকে সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়তে সাহায্য করে। এছাড়া আমে থাকা ফলেট ও বি-ভিটামিন শরীরের প্রতিরোধব্যবস্থা সচল রাখতে ভূমিকা রাখে।
তবে পুষ্টিবিদরা সতর্ক করে বলেন, শুধু আম খেলেই সব স্বাস্থ্য উপকার মিলবে–এমন নয়। সুষম খাদ্যাভ্যাস ও পরিমিত পরিমাণে ফল খাওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

চোখের স্বাস্থ্যে উপকার হতে পারে
আমে লুটেইন ও জিয়াজ্যানথিন নামের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে, যা চোখের রেটিনার জন্য উপকারী। এগুলো সূর্যের আলো ও ডিজিটাল স্ক্রিনের ক্ষতিকর নীল আলো থেকে কিছুটা সুরক্ষা দিতে পারে। নিয়মিত আম খেলে চোখের ক্লান্তি কমতে এবং বয়স বাড়ার সঙ্গে ছানি বা দৃষ্টিশক্তির কিছু সমস্যা হওয়ার ঝুঁকি কমতে পারে।
রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করতে পারে
পুষ্টিবিদদের ভাষ্য, আম মিষ্টি হলেও এর গ্লাইসেমিক সূচক তুলনামূলক কম। এতে ম্যাঙ্গিফেরিন নামের একটি উপাদান থাকে, যা ইনসুলিনের কার্যকারিতা বাড়াতে সাহায্য করতে পারে। পরিমিত পরিমাণে আম খেলে শরীরে গ্লুকোজ ধীরে শোষিত হয়, ফলে শক্তি দ্রুত কমে যাওয়ার অনুভূতি কিছুটা কম হতে পারে।
ব্যায়ামের পর দ্রুত চাঙ্গা হতে সাহায্য করতে পারে
বিশেষজ্ঞদের মতে, যারা নিয়মিত শরীরচর্চা করেন, তাদের জন্য আম উপকারী হতে পারে। এতে থাকা কিছু প্রাকৃতিক অ্যাসিড শরীরের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে এবং ব্যায়ামের পর পেশিতে তৈরি হওয়া ক্লান্তি কিছুটা কমাতে পারে। এছাড়া আমের প্রাকৃতিক শর্করা ও খনিজ উপাদান দ্রুত শক্তি ফিরিয়ে আনতে সহায়ক।
মস্তিষ্কের কার্যকারিতায় ইতিবাচক প্রভাব থাকতে পারে
কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, আমে থাকা কিছু পুষ্টি উপাদান স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগ বাড়াতে সহায়তা করতে পারে। এগুলো মস্তিষ্কের কোষের কাজ ও কোষগুলোর মধ্যে যোগাযোগ বজায় রাখতে ভূমিকা রাখে। তবে এ বিষয়ে আরও গবেষণা প্রয়োজন।
মিষ্টি খাবারের আকাঙ্ক্ষা কমাতে পারে
পুষ্টিবিদরা জানান, আমের প্রাকৃতিক মিষ্টি স্বাদ ও উচ্চ আঁশ দীর্ঘক্ষণ তৃপ্তি দিতে পারে। ফলে অনেকের চকলেট, কোমল পানীয় বা অতিরিক্ত মিষ্টি প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়ার ইচ্ছা কিছুটা কমতে পারে।
তবে মনে রাখতে হবে, ডায়াবেটিস বা বিশেষ খাদ্যনিয়ন্ত্রণে থাকা ব্যক্তিদের আম খাওয়ার পরিমাণ চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ অনুযায়ী হওয়া উচিত।

গ্রীষ্মকালীন ফল আম। স্বাদে এই ফলের জুড়ি মেলা ভার। বাংলাদেশের প্রায় সব এলাকায় কমবেশি আমগাছ জন্মায়। বর্তমানে বাজারে আসতে শুরু করেছে নানা জাতের আম। স্বাদের পাশাপাশি আমের পুষ্টিগুণও রয়েছে অনেক।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রতিদিন আম খেলে শরীরে নানা উপকারী পুষ্টি উপাদান পৌঁছে যায়। আমে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, হজমে সহায়ক এনজাইম ও প্রয়োজনীয় ভিটামিন শরীরের বিভিন্ন কাজে সাহায্য করতে পারে।
এক প্রতিবেদনে প্রতিদিন আম খাওয়ার উপকারিতা তুলে ধরেছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম নিউজ এইটটিন।
হজমশক্তি ভালো হতে পারে
বিশেষজ্ঞরা জানান, আমে অ্যামাইলেজ নামের এক ধরনের এনজাইম থাকে, যা জটিল শর্করা ভাঙতে সহায়তা করে। এর সঙ্গে থাকা খাদ্যআঁশ কোষ্ঠকাঠিন্য ও পেট ফাঁপার সমস্যা কমাতে সহায়ক হতে পারে। এছাড়া আমে থাকা প্রিবায়োটিক উপকারী অন্ত্রের জীবাণুকে পুষ্টি জোগায়, যা হজমব্যবস্থা ভালো রাখতে ভূমিকা রাখে।
ত্বকে আসতে পারে স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা
আমে থাকা বিটা-ক্যারোটিন ও ভিটামিন এ ত্বকের কোষের পুনর্গঠনে সাহায্য করে। নিয়মিত খেলে ত্বকের লোমকূপে জমে থাকা তেল বা সিবাম পরিষ্কার হতে সাহায্য করতে পারে এবং অতিবেগুনি (ইউভি) রশ্মির ক্ষতির বিরুদ্ধে ত্বককে কিছুটা সুরক্ষা দিতে পারে। পাশাপাশি ভিটামিন সি ও ই ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা বজায় রাখতে এবং ত্বককে উজ্জ্বল দেখাতে সহায়তা করতে পারে মত বিশেষজ্ঞদের।
রোগ প্রতিরোধক্ষমতা শক্তিশালী হতে পারে
বিশেষজ্ঞরা জানান, একটি আম থেকে দৈনিক প্রয়োজনীয় ভিটামিন সি–এর বড় অংশ পাওয়া যায়। ভিটামিন সি শ্বেত রক্তকণিকা তৈরিতে সহায়তা করে, যা শরীরকে সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়তে সাহায্য করে। এছাড়া আমে থাকা ফলেট ও বি-ভিটামিন শরীরের প্রতিরোধব্যবস্থা সচল রাখতে ভূমিকা রাখে।
তবে পুষ্টিবিদরা সতর্ক করে বলেন, শুধু আম খেলেই সব স্বাস্থ্য উপকার মিলবে–এমন নয়। সুষম খাদ্যাভ্যাস ও পরিমিত পরিমাণে ফল খাওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

চোখের স্বাস্থ্যে উপকার হতে পারে
আমে লুটেইন ও জিয়াজ্যানথিন নামের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে, যা চোখের রেটিনার জন্য উপকারী। এগুলো সূর্যের আলো ও ডিজিটাল স্ক্রিনের ক্ষতিকর নীল আলো থেকে কিছুটা সুরক্ষা দিতে পারে। নিয়মিত আম খেলে চোখের ক্লান্তি কমতে এবং বয়স বাড়ার সঙ্গে ছানি বা দৃষ্টিশক্তির কিছু সমস্যা হওয়ার ঝুঁকি কমতে পারে।
রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করতে পারে
পুষ্টিবিদদের ভাষ্য, আম মিষ্টি হলেও এর গ্লাইসেমিক সূচক তুলনামূলক কম। এতে ম্যাঙ্গিফেরিন নামের একটি উপাদান থাকে, যা ইনসুলিনের কার্যকারিতা বাড়াতে সাহায্য করতে পারে। পরিমিত পরিমাণে আম খেলে শরীরে গ্লুকোজ ধীরে শোষিত হয়, ফলে শক্তি দ্রুত কমে যাওয়ার অনুভূতি কিছুটা কম হতে পারে।
ব্যায়ামের পর দ্রুত চাঙ্গা হতে সাহায্য করতে পারে
বিশেষজ্ঞদের মতে, যারা নিয়মিত শরীরচর্চা করেন, তাদের জন্য আম উপকারী হতে পারে। এতে থাকা কিছু প্রাকৃতিক অ্যাসিড শরীরের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে এবং ব্যায়ামের পর পেশিতে তৈরি হওয়া ক্লান্তি কিছুটা কমাতে পারে। এছাড়া আমের প্রাকৃতিক শর্করা ও খনিজ উপাদান দ্রুত শক্তি ফিরিয়ে আনতে সহায়ক।
মস্তিষ্কের কার্যকারিতায় ইতিবাচক প্রভাব থাকতে পারে
কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, আমে থাকা কিছু পুষ্টি উপাদান স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগ বাড়াতে সহায়তা করতে পারে। এগুলো মস্তিষ্কের কোষের কাজ ও কোষগুলোর মধ্যে যোগাযোগ বজায় রাখতে ভূমিকা রাখে। তবে এ বিষয়ে আরও গবেষণা প্রয়োজন।
মিষ্টি খাবারের আকাঙ্ক্ষা কমাতে পারে
পুষ্টিবিদরা জানান, আমের প্রাকৃতিক মিষ্টি স্বাদ ও উচ্চ আঁশ দীর্ঘক্ষণ তৃপ্তি দিতে পারে। ফলে অনেকের চকলেট, কোমল পানীয় বা অতিরিক্ত মিষ্টি প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়ার ইচ্ছা কিছুটা কমতে পারে।
তবে মনে রাখতে হবে, ডায়াবেটিস বা বিশেষ খাদ্যনিয়ন্ত্রণে থাকা ব্যক্তিদের আম খাওয়ার পরিমাণ চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ অনুযায়ী হওয়া উচিত।

বৈশ্বিক কর্মীসংখ্যা প্রায় ১০ শতাংশ কমানোর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে প্রযুক্তি জায়ান্ট মেটাতে নতুন করে কর্মী ছাঁটাই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ব্লুমবার্গের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই সিদ্ধান্তের ফলে প্রায় ৮ হাজার কর্মী চাকরি হারাতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।