Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> জীবনচরচা

‘পাওয়ার ন্যাপ’ কীভাবে কাজে আসে?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ২১ নভেম্বর ২০২৫, ১১: ৩৯
‘পাওয়ার ন্যাপ’ কীভাবে কাজে আসে?

দুপুরের ক্লান্তি, চোখের পাতা ভারী হয়ে আসা, মনোযোগ হঠাৎ কমে যাওয়া- এই অভিজ্ঞতা প্রায় সবারই। কাজের ব্যস্ততা এবং মানসিক চাপের কারণে দিনের মাঝামাঝি সময়ে শরীর যখন একটু বিশ্রাম দাবি করে, তখন অল্প সময়ের ঘুম অর্থাৎ ‘পাওয়ার ন্যাপ’ আমাদের কর্মক্ষমতা পুনরুদ্ধারের অন্যতম সহজ এবং বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত উপায়। এই নিয়ে প্রচুর গবেষণা হয়েছে। ১৯৯৮ সালে কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞানী জেমস বি মাস এর নাম দেয় ‘পাওয়ার ন্যাপ’ শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন। সে সময় তিনি কর্মক্ষেত্রে ছোট ঘুমের প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ এবং গ্রহণযোগ্যতার পক্ষে সমর্থন করার জন্য এই শব্দটি চালু করেন। তিনি দাবি করেন, মাত্র ১০ থেকে ২০ মিনিটের এই ঘুম শরীর-মনকে অবিশ্বাস্যভাবে রিচার্জ করতে পারে। পরে এর আরও অনেক উপকারি দিক বিজ্ঞানীরা বের করেন।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

মনোযোগ ও স্মৃতিশক্তি বাড়ায়

গবেষণায় দেখা গেছে, দিনের বেলা স্বল্প সময়ের ন্যাপ মস্তিষ্কের হিপোক্যাম্পাস অংশকে সক্রিয় করে, যা স্মৃতিশক্তি ও শেখার ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণ করে। আপনি যদি সকাল থেকে টানা কাজ করে মানসিকভাবে ক্লান্ত হয়ে পড়েন, একটি পাওয়ার ন্যাপ মস্তিষ্কের তথ্য প্রক্রিয়াকরণকে আবার তীক্ষ্ণ করে তোলে। শিক্ষার্থী, সাংবাদিক, প্রোগ্রামার কিংবা যেকোনো মানুষ যাদের মস্তিষ্ক-নির্ভর কাজ বেশি তাদের জন্য এই ছোট্ট ন্যাপ কার্যকরভাবে ‘মেন্টাল রিসেট’ হিসেবে কাজ করে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement
পাওয়ার ন্যাপ মস্তিষ্কের তথ্য প্রক্রিয়াকরণকে আবার তীক্ষ্ণ করে তোলে। ছবি: পেক্সেল ডট কম
পাওয়ার ন্যাপ মস্তিষ্কের তথ্য প্রক্রিয়াকরণকে আবার তীক্ষ্ণ করে তোলে। ছবি: পেক্সেল ডট কম

স্ট্রেস কমায় এবং মেজাজ ভালো করে

স্ট্রেস হরমোন কর্টিসল দিনের শেষভাগে স্বাভাবিকভাবেই বাড়তে থাকে। তবে একটি পাওয়ার ন্যাপ এর মাত্রা কমিয়ে মস্তিষ্কে প্রশান্তি আনে। এতে চাপ, বিরক্তি কমে যায় এবং মন ভালো হয়ে ওঠে। যারা অফিসের কাজে অতিরিক্ত চাপ অনুভব করেন বা সম্পর্কজনিত দুশ্চিন্তায় ভোগেন, তাদের জন্য ১৫ মিনিটের ন্যাপ মানসিক সুস্থতার ফার্স্ট-এইডের মতো কাজ করতে পারে।

সৃজনশীলতা বাড়ায়

পাওয়ার ন্যাপ সৃজনশীলতাও বাড়ায়। ঘুমের হালকা প্রথম ধাপে (এনওয়ান) মস্তিষ্ক অবচেতনভাবে নানা সংযোগ তৈরি করে, যা আইডিয়া জেনারেশনের ক্ষমতা বাড়ায়। অনেক লেখক, শিল্পী, বিজ্ঞানী বা ডিজাইনার দুপুরে ছোট ঘুমকে ‘আইডিয়া ট্রিগার’ হিসেবেই ব্যবহার করেন। আপনি যদি লেখালেখি, কন্টেন্ট ক্রিয়েশন, স্টোরিটেলিং বা যেকোনো সৃজনশীল কাজ করেন এক কাপ কফির চেয়েও একটি পাওয়ার ন্যাপ হতে পারে অনেক বেশি কার্যকর।

হৃদ্‌স্বাস্থ্য রক্ষা করে

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত স্বল্প সময়ের ন্যাপ হৃদ্‌স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। এটি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে, হার্টরেট কিছুটা কমায় এবং শরীরকে সামগ্রিকভাবে আরাম দেয়। যারা অফিসে দীর্ঘ সময় বসে কাজ করেন বা মানসিক চাপ বেশি নেন- তাদের জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এমনকি কিছু বিশেষজ্ঞ বলেন, অল্প ন্যাপ দীর্ঘমেয়াদে হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতেও সহায়ক হতে পারে।

শরীরের এনার্জি পুনরুদ্ধার

দিনের মাঝামাঝি সময়ে শরীরের এনার্জি নেমে যাওয়া খুবই স্বাভাবিক। বিশেষ করে ভারী লাঞ্চ, ঘুমের ঘাটতি বা রাতের অনিদ্রা থাকলে ক্লান্তি দ্রুত চলে আসে। একটি পাওয়ার ন্যাপ শরীরের এনার্জি লেভেলকে আবার পূরণ করে, মাংসপেশিকে আরাম দেয় এবং টানটান ভাব কমায়। ফলাফল দুপুরের পরের কাজগুলো আপনি অনেক বেশি মনোযোগ ও সতেজতা নিয়ে করতে পারবেন।

পাওয়ার ন্যাপ শরীরের এনার্জি লেভেলকে আবার পূরণ করে। ছবি: ফ্রিপিক
পাওয়ার ন্যাপ শরীরের এনার্জি লেভেলকে আবার পূরণ করে। ছবি: ফ্রিপিক

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করে

ঘুমের অভাব ইমিউন সিস্টেম দুর্বল করে। অল্প সময়ের পাওয়ার ন্যাপ শরীরে রোগ প্রতিরোধকারী কোষগুলোকে কিছুটা হলেও সক্রিয় করে এবং প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। তাই যারা নিয়মিত কম ঘুমের কারণে অসুস্থ হয়ে পড়েন, তাদের জন্য পাওয়ার ন্যাপ একটি দ্রুত পুনরুদ্ধারের পদ্ধতি।

সঠিক সময় ও দৈর্ঘ্য গুরুত্বপূর্ণ

সব ন্যাপ কিন্তু পাওয়ার ন্যাপ নয়। পাওয়ার ন্যাপকে কার্যকর করতে কয়েকটি বিষয় জরুরি—

সময়: দুপুর ১টা থেকে ৩টার মধ্যে ন্যাপ নিলে সবচেয়ে ভালো।

দৈর্ঘ্য: ১০-২০ মিনিট আদর্শ। এর বেশি ঘুমালে ‘স্লিপ ইনর্শিয়া’ (ঘুম ঘুম ভাব এবং মাথা ভার হয়ে থাকে) তৈরি হয়।

পরিবেশ: শান্ত, অন্ধকার ও আরামদায়ক জায়গা বেছে নিন।

ক্যাফেইন: ন্যাপের ১ ঘণ্টা আগে কফি বা চা না খাওয়াই ভালো।

তথ্যসূত্র: হেলথ এসেনশিয়ালস

বিষয়: মানসিক স্বাস্থ্যরোগকর্মস্থলজীবনধারাহৃদ্‌রোগমনোবিজ্ঞানীস্বাস্থ্যলাইফস্টাইল
সর্বশেষ
  • ১

    লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

  • ২

    মহাখালীতে পরিত্যক্ত ভবনে আগুন

  • ৩

    রাজধানীর ধানমন্ডিতে ভবনে আগুন

  • ৪

    হংকংয়ের বিনিয়োগ আকর্ষণে বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব বাংলাদেশের

  • ৫

    মেঘের শারীরিক অবস্থা এখনো ‘অস্থিতিশীল’, মেডিকেল বোর্ড গঠন

সম্পর্কিত
  • কীভাবে বুঝবেন আপনি গরিব?

    কীভাবে বুঝবেন আপনি গরিব?

    নিয়মিত বেতন পেয়ে মোটামুটি ভালোভাবে জীবনযাপন করলেও কিন্তু আর্থিক সমস্যা থাকতে পারে। আপনি দৈনন্দিন বিলগুলো হয়তো পরিশোধ করতে পারছেন, কিন্তু হুট করে বড় কোনো খরচ এসে পড়লে সমস্যায় পড়ে যান। তবে এসব লক্ষণ থাকলেই কাউকে গরিব বলা যায় না। এতে বোঝা যায় যে আপনি আর্থিকভাবে চাপে আছেন।

  • ইসবগুলের ভুষি কি আসলেই ওজেম্পিকের বিকল্প?

    ইসবগুলের ভুষি কি আসলেই ওজেম্পিকের বিকল্প?

    তারা সস্তা ও প্রেসক্রিপশন ছাড়া পাওয়া যাবে এমন কিছু জিনিস নিয়ে প্রচার চালাচ্ছেন, যা নাকি ওজেম্পিকের মতো দ্রুত কমাতে পারে। এই তালিকায় সাম্প্রতিক সময় সবচেয়ে বেশি শোনা গেছে ‘সিলিয়াম হাস্ক’-এর নাম। আর এই সিলিয়াম হাস্ক আর কিছুই নয়— আমাদের অতি পরিচিত ইসবগুলের ভুষি।

  • কেন প্রচলিত ‘ক্যারিয়ার পরামর্শ’ জেন জির ক্ষেত্রে ব্যর্থ হচ্ছে

    কেন প্রচলিত ‘ক্যারিয়ার পরামর্শ’ জেন জির ক্ষেত্রে ব্যর্থ হচ্ছে

    সম্ভবত এটাই আগামী দিনের কর্মজগতের নতুন বাস্তবতা, যেখানে সাফল্যের মাপকাঠি কেবল পদোন্নতি বা চাকরির দীর্ঘমেয়াদি নিশ্চয়তা নয়; বরং পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির সঙ্গে নিজেকে দ্রুত খাপ খাইয়ে নেওয়ার সক্ষমতা।

  • ওয়েট লিফটিং কেন নারীদের জন্য সেরা ব্যায়াম

    ওয়েট লিফটিং কেন নারীদের জন্য সেরা ব্যায়াম

    অনেকেই মনে করেন ওজন তুললে নারীরা পুরুষদের মতো পেশীবহুল ও চওড়া হয়ে যাবেন। তবে বিজ্ঞানী জে. ই. আর্প ও তার সহযোগীদের গবেষণা বলছে, পেশীর বৃদ্ধি অনেকাংশে নির্ভর করে টেস্টোস্টেরন নামক হরমোনের ওপর।