চরচা ডেস্ক

তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেকেই ‘অতিরিক্ত গরম’ বা শরীর বেশি উত্তপ্ত মনে করেন। তবে কীভাবে বুঝবেন, এটি শুধু গরম আবহাওয়ার প্রভাব নাকি শরীর কোনো সতর্কবার্তা দিচ্ছে?
ভারতীয় হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে স্বাস্থ্য সম্পর্কিত এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
ভারতের কোয়েম্বাটুরভিত্তিক ক্লিনিক্যাল ডায়েটিশিয়ান ও ডায়াবেটিস এডুকেটর প্রদীপা ইনস্টাগ্রামে শরীর অতিরিক্ত গরম হয়ে যাওয়ার পাঁচটি লক্ষণের কথা তুলে ধরেছেন। তার মতে এসব লক্ষণের মধ্যে রয়েছে– অতিরিক্ত ঘাম হওয়া, বারবার তৃষ্ণা লাগা, মাথাব্যথা, গাঢ় রঙের প্রস্রাব এবং গরম ও শুষ্ক ত্বক।
এ বিষয়ে শারদাকেয়ার-হেলথসিটির ইন্টারনাল মেডিসিন বিভাগের পরিচালক চিরাগ ট্যান্ডন হিন্দুস্তান টাইমসকে বলেন, গরমের সময় বা শরীর ক্লান্ত ও পানিশূন্য হয়ে পড়লে অনেকেই শরীর ‘অতিরিক্ত উত্তপ্ত’ অনুভব করেন।
ডা. চিরাগ ট্যান্ডনের মতে, “শরীর যখন নিজের তাপমাত্রা ঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না, তখন অতিরিক্ত গরম হয়ে যাওয়ার সমস্যা দেখা দেয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় এটি হিট এক্সহসশন বা পানিশূন্যতার মতো অবস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত।”
এই বিশেষজ্ঞ বলেন, এর পেছনে একাধিক কারণ থাকতে পারে, যেমন অতিরিক্ত গরম আবহাওয়া, শরীরে পানির ঘাটতি বা অন্য কোনো স্বাস্থ্যসমস্যা। তিনি প্রদীপার উল্লেখ করা পাঁচটি সাধারণ লক্ষণের ব্যাখ্যা দিয়েছেন।
কাজ না করলেও অতিরিক্ত ঘাম হওয়া
ডা. চিরাগ ট্যান্ডন বলেন, “হ্যাঁ, অতিরিক্ত ঘাম হওয়া শরীর বেশি গরম হয়ে যাওয়ার লক্ষণ হতে পারে। কারণ শরীর স্বাভাবিকভাবে ঘামের মাধ্যমে নিজেকে ঠান্ডা রাখার চেষ্টা করে।”
তবে অতিরিক্ত ঘাম হওয়া সব সময় শরীর বেশি গরম হয়ে যাওয়ার নির্দিষ্ট লক্ষণ নয়। মানসিক চাপ, হরমোনের পরিবর্তন বা কিছু শারীরিক সমস্যার কারণেও বেশি ঘাম হতে পারে বলে জানান ডা. চিরাগ ট্যান্ডন।

সব সময় তৃষ্ণা লাগা
ডা. চিরাগ ট্যান্ডনের মতে, এটি গুরুত্বপূর্ণ একটি লক্ষণ। তিনি বলেন, অতিরিক্ত তৃষ্ণা সাধারণত বোঝায় যে শরীরের আরও পানির প্রয়োজন এবং শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিচ্ছে, যা অনেক সময় শরীর অতিরিক্ত গরম হওয়ার কারণে হতে পারে। এটি অবহেলা করলে পরিস্থিতি খারাপ হতে পারে এবং হিট এক্সহসশনের মতো গুরুতর সমস্যায় রূপ নিতে পারে বলে সতর্ক করেন তিনি।
মাথাব্যথা বা মাথা ঘোরা
এ ধরনের উপসর্গ সাধারণত পানিশূন্যতা ও গরমজনিত চাপের কারণে হতে পারে। ডা. চিরাগ ট্যান্ডন বলেন, “শরীর থেকে পানি ও প্রয়োজনীয় খনিজ উপাদান কমে গেলে রক্ত চলাচল ও মস্তিষ্কের কাজ প্রভাবিত হতে পারে, যার ফলে মাথা ঘোরা বা মাথাব্যথা দেখা দেয়।” বিশেষ করে গরমের সময় এ ধরনের লক্ষণকে অবহেলা না করার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
গাঢ় হলুদ প্রস্রাব
ডা. চিরাগ ট্যান্ডনের ভাষ্য, প্রস্রাবের রং পানিশূন্যতার অন্যতম স্পষ্ট ইঙ্গিত। সাধারণত প্রস্রাব হালকা হলুদ হয়। তাই রং বেশি গাঢ় হলে তা সতর্কবার্তা হতে পারে। তিনি বলেন, “গাঢ় প্রস্রাব বোঝায় যে শরীর পানি ধরে রাখার চেষ্টা করছে। এটি ইঙ্গিত দেয় যে আপনি পর্যাপ্ত পানি পান করছেন না, যা শরীর অতিরিক্ত গরম হওয়ার আরেকটি কারণ।”

ত্বক গরম ও শুষ্ক লাগা
ডা. চিরাগ ট্যান্ডনের মতে, এই লক্ষণটি কিছুটা জটিল। গরম লাগা স্বাভাবিক হলেও ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া উদ্বেগের কারণ হতে পারে। তিনি বলেন, “শরীর বেশি গরম হলে ত্বক গরম লাগতে পারে। তবে যার ঘাম হওয়ার কথা, তার ত্বক যদি শুষ্ক থাকে, তাহলে এটি হিটস্ট্রোকের মতো গুরুতর সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে।” এ অবস্থায় দ্রুত চিকিৎসা প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।
এই লক্ষণগুলো কি সব সময় ঠিক?
ডা. চিরাগ ট্যান্ডন সতর্ক করে বলেন, শরীর কিছু সংকেত দিলেও সব লক্ষণই যে শুধুই শরীর অতিরিক্ত গরম হওয়ার কারণে হবে, তা নয়। সংক্রমণ, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা বা মানসিক চাপের কারণেও একই ধরনের উপসর্গ দেখা দিতে পারে। তাই লক্ষণগুলো একসঙ্গে এবং কোন পরিস্থিতিতে হচ্ছে, সেটিও বিবেচনায় নিতে হবে।
এই বিশেষজ্ঞ আরও বলেন, “মাথা ঘোরা, বিভ্রান্তি, শরীরের তাপমাত্রা খুব বেড়ে যাওয়া, ঘাম না হওয়া সত্ত্বেও ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া—এ ধরনের উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।” এগুলো হিটস্ট্রোকের লক্ষণ হতে পারে বলে সতর্ক করেন তিনি।

তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেকেই ‘অতিরিক্ত গরম’ বা শরীর বেশি উত্তপ্ত মনে করেন। তবে কীভাবে বুঝবেন, এটি শুধু গরম আবহাওয়ার প্রভাব নাকি শরীর কোনো সতর্কবার্তা দিচ্ছে?
ভারতীয় হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে স্বাস্থ্য সম্পর্কিত এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
ভারতের কোয়েম্বাটুরভিত্তিক ক্লিনিক্যাল ডায়েটিশিয়ান ও ডায়াবেটিস এডুকেটর প্রদীপা ইনস্টাগ্রামে শরীর অতিরিক্ত গরম হয়ে যাওয়ার পাঁচটি লক্ষণের কথা তুলে ধরেছেন। তার মতে এসব লক্ষণের মধ্যে রয়েছে– অতিরিক্ত ঘাম হওয়া, বারবার তৃষ্ণা লাগা, মাথাব্যথা, গাঢ় রঙের প্রস্রাব এবং গরম ও শুষ্ক ত্বক।
এ বিষয়ে শারদাকেয়ার-হেলথসিটির ইন্টারনাল মেডিসিন বিভাগের পরিচালক চিরাগ ট্যান্ডন হিন্দুস্তান টাইমসকে বলেন, গরমের সময় বা শরীর ক্লান্ত ও পানিশূন্য হয়ে পড়লে অনেকেই শরীর ‘অতিরিক্ত উত্তপ্ত’ অনুভব করেন।
ডা. চিরাগ ট্যান্ডনের মতে, “শরীর যখন নিজের তাপমাত্রা ঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না, তখন অতিরিক্ত গরম হয়ে যাওয়ার সমস্যা দেখা দেয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় এটি হিট এক্সহসশন বা পানিশূন্যতার মতো অবস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত।”
এই বিশেষজ্ঞ বলেন, এর পেছনে একাধিক কারণ থাকতে পারে, যেমন অতিরিক্ত গরম আবহাওয়া, শরীরে পানির ঘাটতি বা অন্য কোনো স্বাস্থ্যসমস্যা। তিনি প্রদীপার উল্লেখ করা পাঁচটি সাধারণ লক্ষণের ব্যাখ্যা দিয়েছেন।
কাজ না করলেও অতিরিক্ত ঘাম হওয়া
ডা. চিরাগ ট্যান্ডন বলেন, “হ্যাঁ, অতিরিক্ত ঘাম হওয়া শরীর বেশি গরম হয়ে যাওয়ার লক্ষণ হতে পারে। কারণ শরীর স্বাভাবিকভাবে ঘামের মাধ্যমে নিজেকে ঠান্ডা রাখার চেষ্টা করে।”
তবে অতিরিক্ত ঘাম হওয়া সব সময় শরীর বেশি গরম হয়ে যাওয়ার নির্দিষ্ট লক্ষণ নয়। মানসিক চাপ, হরমোনের পরিবর্তন বা কিছু শারীরিক সমস্যার কারণেও বেশি ঘাম হতে পারে বলে জানান ডা. চিরাগ ট্যান্ডন।

সব সময় তৃষ্ণা লাগা
ডা. চিরাগ ট্যান্ডনের মতে, এটি গুরুত্বপূর্ণ একটি লক্ষণ। তিনি বলেন, অতিরিক্ত তৃষ্ণা সাধারণত বোঝায় যে শরীরের আরও পানির প্রয়োজন এবং শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিচ্ছে, যা অনেক সময় শরীর অতিরিক্ত গরম হওয়ার কারণে হতে পারে। এটি অবহেলা করলে পরিস্থিতি খারাপ হতে পারে এবং হিট এক্সহসশনের মতো গুরুতর সমস্যায় রূপ নিতে পারে বলে সতর্ক করেন তিনি।
মাথাব্যথা বা মাথা ঘোরা
এ ধরনের উপসর্গ সাধারণত পানিশূন্যতা ও গরমজনিত চাপের কারণে হতে পারে। ডা. চিরাগ ট্যান্ডন বলেন, “শরীর থেকে পানি ও প্রয়োজনীয় খনিজ উপাদান কমে গেলে রক্ত চলাচল ও মস্তিষ্কের কাজ প্রভাবিত হতে পারে, যার ফলে মাথা ঘোরা বা মাথাব্যথা দেখা দেয়।” বিশেষ করে গরমের সময় এ ধরনের লক্ষণকে অবহেলা না করার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
গাঢ় হলুদ প্রস্রাব
ডা. চিরাগ ট্যান্ডনের ভাষ্য, প্রস্রাবের রং পানিশূন্যতার অন্যতম স্পষ্ট ইঙ্গিত। সাধারণত প্রস্রাব হালকা হলুদ হয়। তাই রং বেশি গাঢ় হলে তা সতর্কবার্তা হতে পারে। তিনি বলেন, “গাঢ় প্রস্রাব বোঝায় যে শরীর পানি ধরে রাখার চেষ্টা করছে। এটি ইঙ্গিত দেয় যে আপনি পর্যাপ্ত পানি পান করছেন না, যা শরীর অতিরিক্ত গরম হওয়ার আরেকটি কারণ।”

ত্বক গরম ও শুষ্ক লাগা
ডা. চিরাগ ট্যান্ডনের মতে, এই লক্ষণটি কিছুটা জটিল। গরম লাগা স্বাভাবিক হলেও ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া উদ্বেগের কারণ হতে পারে। তিনি বলেন, “শরীর বেশি গরম হলে ত্বক গরম লাগতে পারে। তবে যার ঘাম হওয়ার কথা, তার ত্বক যদি শুষ্ক থাকে, তাহলে এটি হিটস্ট্রোকের মতো গুরুতর সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে।” এ অবস্থায় দ্রুত চিকিৎসা প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।
এই লক্ষণগুলো কি সব সময় ঠিক?
ডা. চিরাগ ট্যান্ডন সতর্ক করে বলেন, শরীর কিছু সংকেত দিলেও সব লক্ষণই যে শুধুই শরীর অতিরিক্ত গরম হওয়ার কারণে হবে, তা নয়। সংক্রমণ, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা বা মানসিক চাপের কারণেও একই ধরনের উপসর্গ দেখা দিতে পারে। তাই লক্ষণগুলো একসঙ্গে এবং কোন পরিস্থিতিতে হচ্ছে, সেটিও বিবেচনায় নিতে হবে।
এই বিশেষজ্ঞ আরও বলেন, “মাথা ঘোরা, বিভ্রান্তি, শরীরের তাপমাত্রা খুব বেড়ে যাওয়া, ঘাম না হওয়া সত্ত্বেও ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া—এ ধরনের উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।” এগুলো হিটস্ট্রোকের লক্ষণ হতে পারে বলে সতর্ক করেন তিনি।

বৈশ্বিক কর্মীসংখ্যা প্রায় ১০ শতাংশ কমানোর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে প্রযুক্তি জায়ান্ট মেটাতে নতুন করে কর্মী ছাঁটাই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ব্লুমবার্গের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই সিদ্ধান্তের ফলে প্রায় ৮ হাজার কর্মী চাকরি হারাতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।