Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> জীবনচরচা

ব্যায়াম যেভাবে ট্রমা কমায়

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ২৫ নভেম্বর ২০২৫, ১৭: ৩৩
ব্যায়াম যেভাবে ট্রমা কমায়

মানসিক ট্রমা এমন এক অভিজ্ঞতা, যা শুধু মনে নয় শরীরেও গভীর দাগ রেখে যায়। ভয়, লজ্জা, অনিরাপত্তা, বারবার একই ঘটনার স্মৃতি ফিরে আসা- এসবই ট্রমার সাধারণ প্রতিক্রিয়া। তবে গবেষণা বলছে, নিয়মিত ব্যায়াম শুধু শারীরিক স্বাস্থ্যই নয়, মানসিক পুনরুদ্ধারেও অসাধারণ ভূমিকা রাখে। বিশেষ করে যারা দীর্ঘদিন ধরে স্ট্রেস বা ট্রমার প্রভাব বয়ে বেড়াচ্ছেন, তাদের জন্য ব্যায়াম হতে পারে এক শক্তিশালী কিন্তু স্বাভাবিক থেরাপি।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

শরীরের স্ট্রেস সিস্টেমকে ‘রিসেট’ করে

ট্রমার সময়ে শরীরের ভেতরে “ফাইট অর ফ্লাইট” মোড অতিরিক্ত সক্রিয় হয়ে যায়। ফলে অযথা হৃদস্পন্দন বাড়ে, মাংসপেশি সঙ্কোচন হয় এবং হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়। নিয়মিত ব্যায়াম এই অবস্থাগুলোকে ধীরে ধীরে আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনে। বিশেষ করে কার্ডিও ব্যায়াম- হাঁটা, জগিং, সাইক্লিং শরীরকে “এখন বিপদ নেই”- এমন সংকেত দেয় যে। ফলে শরীর-মন দুটোই শান্ত হতে শুরু করে।

ব্যায়াম ধীরে ধীরে শরীরের সঙ্গে মনের 'নিরাপোদবোধ'-এর সংযোগ ফিরিয়ে আনে। ছবি: ফ্রিপিক
ব্যায়াম ধীরে ধীরে শরীরের সঙ্গে মনের 'নিরাপোদবোধ'-এর সংযোগ ফিরিয়ে আনে। ছবি: ফ্রিপিক

ডোপামিন ও সেরোটোনিনের মতো হরমোন বাড়ায়

Advertisement
Advertisement
Advertisement

ট্রমার কারণে অনেক মানুষের মুড বা মেজাজ অনিয়মিত হয়ে যায়। মাঝেমধ্যে হঠাৎ দুঃখ, ক্লান্তি বা অস্থিরতা এসে পড়ে। ব্যায়াম প্রাকৃতিকভাবে ডোপামিন, সেরোটোনিন ও এন্ডোরফিন নিঃসরণ বাড়ায়, যা মস্তিষ্কের স্থিতিস্থাপকতা বাড়ায়। এগুলো ভালো মুডে রাখতে, ভয় কমাতে এবং আত্মনিয়ন্ত্রণ বাড়াতে সাহায্য করে। এটি প্রাকৃতিক 'অ্যান্টি-ডিপ্রেসেন্ট'- এর মতো কাজ করে যেখানে শরীর নিজেই নিজের হিলিং বা নিরাময় প্রক্রিয়া চালায়।

শরীরের সঙ্গে পুনরায় সংযোগ তৈরি হয়

অনেক ট্রমা- সারভাইভারের সমস্যা হলো তারা নিজের শরীরকে “নিরাপদ জায়গা” মনে করতে পারেন না। ব্যায়াম ধীরে ধীরে সেই সংযোগ ফিরিয়ে আনে। যোগব্যায়াম, স্ট্রেচিং বা শ্বাসের অনুশীলন শরীরকে ধীরে ধীরে সচেতন করে তোলে। বুঝতে সাহায্য করে কোন জায়গায় টান আছে, কোথায় ব্যথা, কীভাবে শ্বাস চলাচল করছে। এই সচেতনতা শরীরকে আবার নিজের নিয়ন্ত্রণে আছে এমন অনুভূতিতে ফিরিয়ে আনতে পারে।

অনিদ্রা ও দুশ্চিন্তা কমায়

অনেকেই ট্রমার পর রাতে স্বাভাবিকভাবে ঘুমাতে পারেন না। ব্যায়াম শরীরকে ক্লান্ত করে না বরং সঠিক সময় ক্লান্ত হতে শেখায়। নিয়মিত নড়াচড়া ঘুমের হরমোন মেলাটোনিনের স্বাভাবিক ছন্দ ফিরিয়ে আনে, ফলে রাতের ঘুম গভীর ও আরামদায়ক হয়। ভালো ঘুম মানসিক পুনরুদ্ধারের সবচেয়ে বড় সহায়ক।

নিয়ন্ত্রণবোধ ও আত্মবিশ্বাস ফিরে আসে

ট্রমার পর অনেকের মনে হয় জীবনের ওপর তাদের আর কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। ব্যায়াম এই ধারণাকে বদলে দিতে পারে। যখন কেউ নিয়মিত ব্যায়াম করতে থাকে, শরীরের শক্তি বাড়ে, ভঙ্গি বদলায়, মনোযোগ বাড়ে এগুলো আত্মবিশ্বাসকে দৃশ্যমানভাবে পরিবর্তন করে। ছোট ছোট অর্জন যেমন, আজ ৫ মিনিট বেশি হাঁটলাম, আজ একটু বেশি স্ট্রেচ করতে পারলাম- এসবই আবার নিজের ওপর বিশ্বাস ফিরিয়ে আনে।

ট্রমা কাটাতে সাইক্লিং, হাঁটা, দৌড়ানোর মতো কার্ডিও ব্যায়াম বেশি কার্যকর। ছবি: ফ্রিপিক
ট্রমা কাটাতে সাইক্লিং, হাঁটা, দৌড়ানোর মতো কার্ডিও ব্যায়াম বেশি কার্যকর। ছবি: ফ্রিপিক

নিরাপদ রুটিন তৈরি করে

ট্রমা অনেক সময় জীবনে বিশৃঙ্খলা তৈরি করে। ব্যায়াম একটি স্থির, নিয়মিত রুটিন তৈরি করতে সাহায্য করে, যা নিরাপত্তা ও স্থিতি অনুভব করায়। প্রতিদিন একই সময়ে ১০-২০ মিনিট হাঁটাও এক ধরনের নিরাপদ কাঠামো তৈরি করে যা মনকে স্থির রাখে।

ব্যায়াম ট্রমা “জাদুর মতো” সারিয়ে দেয় না কিন্তু এটি ট্রমা কাটিয়ে ওঠার প্রক্রিয়াকে সহজ, দ্রুত এবং স্থিতিশীল করে। থেরাপি, সামাজিক সমর্থন, বিশ্রাম এবং স্বাস্থ্যকর অভ্যাসের সঙ্গে মিলিয়ে ব্যায়াম হতে পারে মানসিক সুস্থতার এক শক্তিশালী স্তম্ভ। যতটুকু সম্ভব, ততটুকু ধীরে ধীরে শুরু করাই যথেষ্ট।

তথ্যসূত্র: বডি ডায়নামিকস, বোস্টন ইউনিভার্সিটির ওয়েবসাইট

বিষয়: মানসিক সমস্যামানসিক স্বাস্থ্যজীবনধারাজীবনস্বাস্থ্যস্বাস্থ্য টিপসলাইফস্টাইলব্যায়াম
সর্বশেষ
  • ১

    লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

  • ২

    মহাখালীতে পরিত্যক্ত ভবনে আগুন

  • ৩

    রাজধানীর ধানমন্ডিতে ভবনে আগুন

  • ৪

    হংকংয়ের বিনিয়োগ আকর্ষণে বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব বাংলাদেশের

  • ৫

    মেঘের শারীরিক অবস্থা এখনো ‘অস্থিতিশীল’, মেডিকেল বোর্ড গঠন

সম্পর্কিত
  • কীভাবে বুঝবেন আপনি গরিব?

    কীভাবে বুঝবেন আপনি গরিব?

    নিয়মিত বেতন পেয়ে মোটামুটি ভালোভাবে জীবনযাপন করলেও কিন্তু আর্থিক সমস্যা থাকতে পারে। আপনি দৈনন্দিন বিলগুলো হয়তো পরিশোধ করতে পারছেন, কিন্তু হুট করে বড় কোনো খরচ এসে পড়লে সমস্যায় পড়ে যান। তবে এসব লক্ষণ থাকলেই কাউকে গরিব বলা যায় না। এতে বোঝা যায় যে আপনি আর্থিকভাবে চাপে আছেন।

  • ইসবগুলের ভুষি কি আসলেই ওজেম্পিকের বিকল্প?

    ইসবগুলের ভুষি কি আসলেই ওজেম্পিকের বিকল্প?

    তারা সস্তা ও প্রেসক্রিপশন ছাড়া পাওয়া যাবে এমন কিছু জিনিস নিয়ে প্রচার চালাচ্ছেন, যা নাকি ওজেম্পিকের মতো দ্রুত কমাতে পারে। এই তালিকায় সাম্প্রতিক সময় সবচেয়ে বেশি শোনা গেছে ‘সিলিয়াম হাস্ক’-এর নাম। আর এই সিলিয়াম হাস্ক আর কিছুই নয়— আমাদের অতি পরিচিত ইসবগুলের ভুষি।

  • কেন প্রচলিত ‘ক্যারিয়ার পরামর্শ’ জেন জির ক্ষেত্রে ব্যর্থ হচ্ছে

    কেন প্রচলিত ‘ক্যারিয়ার পরামর্শ’ জেন জির ক্ষেত্রে ব্যর্থ হচ্ছে

    সম্ভবত এটাই আগামী দিনের কর্মজগতের নতুন বাস্তবতা, যেখানে সাফল্যের মাপকাঠি কেবল পদোন্নতি বা চাকরির দীর্ঘমেয়াদি নিশ্চয়তা নয়; বরং পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির সঙ্গে নিজেকে দ্রুত খাপ খাইয়ে নেওয়ার সক্ষমতা।

  • ওয়েট লিফটিং কেন নারীদের জন্য সেরা ব্যায়াম

    ওয়েট লিফটিং কেন নারীদের জন্য সেরা ব্যায়াম

    অনেকেই মনে করেন ওজন তুললে নারীরা পুরুষদের মতো পেশীবহুল ও চওড়া হয়ে যাবেন। তবে বিজ্ঞানী জে. ই. আর্প ও তার সহযোগীদের গবেষণা বলছে, পেশীর বৃদ্ধি অনেকাংশে নির্ভর করে টেস্টোস্টেরন নামক হরমোনের ওপর।