চরচা ডেস্ক

প্রতিদিন চুল ধোয়া উচিত কি না-সৌন্দর্য সচেতনদের মধ্যে এই বিতর্ক অনেকদিনের। বয়োজ্যেষ্ঠদের তেল দেওয়ার অভ্যাস আর ইনস্টাগ্রামের নানা হেয়ারকেয়ার টিপসের মাঝখানে এই ধারণা অনেকটা সত্য বলে ধরে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু আসলে কি প্রতিদিন চুল ধোয়া চুলের ক্ষতি করে? নাকি এটা শুধু একটি প্রচলিত ভুল ধারণা?
ভারতের পুনেতে অবস্থিত ক্লিয়ারস্কিন ক্লিনিকের চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ধনরাজ চাভান দেশটির সংবাদমাধ্যম টাইমস নাউকে বলেন, “এটি নির্ভর করে আপনার মাথার ত্বকের (স্ক্যাল্প) ওপর। সবার জন্য এক নিয়ম প্রযোজ্য নয়।”
এই বিশেষজ্ঞ বলেছেন, অনেকেই প্রতিদিন চুল ধোয়া নিয়ে চিন্তিত থাকেন, কারণ তারা শুনেছেন এতে চুলের প্রাকৃতিক তেল নষ্ট হয়। কথাটি আংশিকভাবে সত্য হলেও, এর মানে এই নয় যে, এটি ক্ষতিকর। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো স্ক্যাল্পের ধরন, কোন ধরনের পণ্য ব্যবহার করা হচ্ছে। এছাড়া চুল কি প্রয়োজন অনুযায়ী ধোয়া হচ্ছে নাকি শুধু অভ্যাসবশত সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে।

ডা. ধনরাজ বলেন, “প্রতিবার চুল ধোয়ার সময় আপনি সেবাম দূর করেন, যা আপনার স্ক্যাল্প থেকে তৈরি হওয়া প্রাকৃতিক তেল। যদি আপনার স্ক্যাল্প তুলনামূলকভাবে তৈলাক্ত হয় বা চুল দ্রুত তেলতেলে হয়ে যায়, তবে প্রতিদিন চুল ধোয়া আসলে ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করতে পারে। এসব ক্ষেত্রে এটি উপকারিও হতে পারে।”
তবে এই বিশেষজ্ঞ সতর্ক করে জানান, যাদের স্ক্যাল্প শুষ্ক ও সংবেদনশীল, তাদের ক্ষেত্রে প্রতিদিন চুল ধোয়া উল্টো মাথার ত্বকের ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে। ফলে জ্বালাপোড়া, চুলকানি বা খুশকির মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।
পুনের হেয়ার ট্রান্সপ্লান্ট এবং চুল চিকিৎসা বিশেষজ্ঞ সচিন পাওয়ারের মতে, এই বিতর্কটি তিনি তার ক্লিনিকেও নিয়মিত দেখেন। বিশেষ করে যেসব রোগী হেয়ার ট্রান্সপ্লান্টের আগে বা পরে তার কাছে যান তাদের মধ্যে এই প্রবণতা রয়েছে। তিনি বলেন, “অনেকেই তাদের অভ্যাস খুব খুঁটিয়ে দেখেন এবং তখন প্রতিদিন চুল ধোয়াকেই চুলের সমস্যার মূল কারণ বলে ধরে নেন। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন।”
ডা. শচিন বলেন, “প্রতিদিন চুল ধোয়া সমস্যা নয়। বেশিরভাগ সময়ই আমি দেখি দীর্ঘদিন ধরে ভুল প্রোডাক্ট ব্যবহার বা অযত্নে ফেলে রাখা স্ক্যাল্পই সমস্যার আসল কারণ।”
তার মতে, যারা মাইল্ড বা সালফেট-ফ্রি শ্যাম্পু ব্যবহার করে প্রতিদিন চুল ধুয়ে থাকেন, তাদের স্ক্যাল্প অনেক সময় বেশি ভালো থাকে। কারণ এই ধরনের শ্যাম্পু স্ক্যাল্পের কম ক্ষতি করে। অন্যদিকে, যারা কম চুল ধুলেও শক্তিশালী কেমিক্যালযুক্ত শ্যাম্পু ব্যবহার করেন, তাদের স্ক্যাল্পে সমস্যা বেশি হতে পারে। তার মানে চুল কতবার ধোয়া হচ্ছে সেটা নয়, বরং কোন ধরনের শ্যাম্পু ব্যবহার করা হচ্ছে এবং কীভাবে চুল ধোয়া হচ্ছে— এটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
আসল সমস্যা হতে পারে আপনার শ্যাম্পু
অনেক সাধারণ শ্যাম্পুতে শক্তিশালি ক্লিনজিং উপাদান যেমন সোডিয়াম লরিল সালফেট (এসএলএস) বা সোডিয়াম লরেথ সালফেট (এসএলইএস) থাকে। এগুলো স্ক্যাল্পের প্রাকৃতিক পিএইচের ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে এবং প্রাকৃতিক তেলও সরিয়ে দিতে পারে। বিশেষ করে ঘন ঘন ব্যবহার করলে ক্ষতির সম্ভাবনা বেশি।

ডা. ধনরাজ বলেন, “বেশিরভাগ মানুষ প্রতিদিনই চুল ধুতে পারেন যদি তারা মাইল্ড বা সালফেট-ফ্রি শ্যাম্পু ব্যবহার করেন। আসল পার্থক্যটা এখানেই।”
কখন প্রতিদিন চুল ধোয়া উচিত নয়?
তবে কিছু ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম আছে বলে জানান বিশেষজ্ঞরা। যেমন, সেবোরিক ডার্মাটাইটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের খুব সতর্ক থাকতে হয়। অতিমাত্রা চুল ধোয়া এসব রোগীদের জন্য ক্ষতিকর। এমনকি স্ক্যাল্প অতিরিক্ত তৈলাক্ত বা খুশকি থাকলেও প্রতিদিন চুলে শ্যাম্পু দেওয়া যাবে না। এসব ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী দুই বা তিন দিন পরপর বিশেষ শ্যাম্পু ব্যবহার করাই ভালো।
বিশেষজ্ঞদের মতে, যাদের চুল রঙ করা বা কেমিক্যাল ট্রিটমেন্ট করা, তাদের জন্য ঘন ঘন চুল না ধোয়া চুলের টেক্সচার ও স্থায়িত্ব ধরে রাখতে সাহায্য করে। তবে এটি মূলত চুলের সৌন্দর্য রক্ষার বিষয়, স্ক্যাল্পের স্বাস্থ্য নয়।
প্রতিদিন চুল ধোয়া খারাপ নয়। অনেকের জন্য এটি স্বাস্থ্যকর রুটিনের অংশ। আসল সমস্যা হলো স্ক্যাল্পের যত্ন না নেওয়া বা ভুল প্রোডাক্ট ব্যবহার করা।
তাই চুল ধোয়া কমানোর আগে ভালো করে ভাবা দরকার— শ্যাম্পু ঠিক আছে কি না, স্ক্যাল্প কী চায়, আর আপনার রুটিন সত্যিই আপনার জন্য কাজ করছে কি না।

প্রতিদিন চুল ধোয়া উচিত কি না-সৌন্দর্য সচেতনদের মধ্যে এই বিতর্ক অনেকদিনের। বয়োজ্যেষ্ঠদের তেল দেওয়ার অভ্যাস আর ইনস্টাগ্রামের নানা হেয়ারকেয়ার টিপসের মাঝখানে এই ধারণা অনেকটা সত্য বলে ধরে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু আসলে কি প্রতিদিন চুল ধোয়া চুলের ক্ষতি করে? নাকি এটা শুধু একটি প্রচলিত ভুল ধারণা?
ভারতের পুনেতে অবস্থিত ক্লিয়ারস্কিন ক্লিনিকের চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ধনরাজ চাভান দেশটির সংবাদমাধ্যম টাইমস নাউকে বলেন, “এটি নির্ভর করে আপনার মাথার ত্বকের (স্ক্যাল্প) ওপর। সবার জন্য এক নিয়ম প্রযোজ্য নয়।”
এই বিশেষজ্ঞ বলেছেন, অনেকেই প্রতিদিন চুল ধোয়া নিয়ে চিন্তিত থাকেন, কারণ তারা শুনেছেন এতে চুলের প্রাকৃতিক তেল নষ্ট হয়। কথাটি আংশিকভাবে সত্য হলেও, এর মানে এই নয় যে, এটি ক্ষতিকর। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো স্ক্যাল্পের ধরন, কোন ধরনের পণ্য ব্যবহার করা হচ্ছে। এছাড়া চুল কি প্রয়োজন অনুযায়ী ধোয়া হচ্ছে নাকি শুধু অভ্যাসবশত সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে।

ডা. ধনরাজ বলেন, “প্রতিবার চুল ধোয়ার সময় আপনি সেবাম দূর করেন, যা আপনার স্ক্যাল্প থেকে তৈরি হওয়া প্রাকৃতিক তেল। যদি আপনার স্ক্যাল্প তুলনামূলকভাবে তৈলাক্ত হয় বা চুল দ্রুত তেলতেলে হয়ে যায়, তবে প্রতিদিন চুল ধোয়া আসলে ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করতে পারে। এসব ক্ষেত্রে এটি উপকারিও হতে পারে।”
তবে এই বিশেষজ্ঞ সতর্ক করে জানান, যাদের স্ক্যাল্প শুষ্ক ও সংবেদনশীল, তাদের ক্ষেত্রে প্রতিদিন চুল ধোয়া উল্টো মাথার ত্বকের ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে। ফলে জ্বালাপোড়া, চুলকানি বা খুশকির মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।
পুনের হেয়ার ট্রান্সপ্লান্ট এবং চুল চিকিৎসা বিশেষজ্ঞ সচিন পাওয়ারের মতে, এই বিতর্কটি তিনি তার ক্লিনিকেও নিয়মিত দেখেন। বিশেষ করে যেসব রোগী হেয়ার ট্রান্সপ্লান্টের আগে বা পরে তার কাছে যান তাদের মধ্যে এই প্রবণতা রয়েছে। তিনি বলেন, “অনেকেই তাদের অভ্যাস খুব খুঁটিয়ে দেখেন এবং তখন প্রতিদিন চুল ধোয়াকেই চুলের সমস্যার মূল কারণ বলে ধরে নেন। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন।”
ডা. শচিন বলেন, “প্রতিদিন চুল ধোয়া সমস্যা নয়। বেশিরভাগ সময়ই আমি দেখি দীর্ঘদিন ধরে ভুল প্রোডাক্ট ব্যবহার বা অযত্নে ফেলে রাখা স্ক্যাল্পই সমস্যার আসল কারণ।”
তার মতে, যারা মাইল্ড বা সালফেট-ফ্রি শ্যাম্পু ব্যবহার করে প্রতিদিন চুল ধুয়ে থাকেন, তাদের স্ক্যাল্প অনেক সময় বেশি ভালো থাকে। কারণ এই ধরনের শ্যাম্পু স্ক্যাল্পের কম ক্ষতি করে। অন্যদিকে, যারা কম চুল ধুলেও শক্তিশালী কেমিক্যালযুক্ত শ্যাম্পু ব্যবহার করেন, তাদের স্ক্যাল্পে সমস্যা বেশি হতে পারে। তার মানে চুল কতবার ধোয়া হচ্ছে সেটা নয়, বরং কোন ধরনের শ্যাম্পু ব্যবহার করা হচ্ছে এবং কীভাবে চুল ধোয়া হচ্ছে— এটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
আসল সমস্যা হতে পারে আপনার শ্যাম্পু
অনেক সাধারণ শ্যাম্পুতে শক্তিশালি ক্লিনজিং উপাদান যেমন সোডিয়াম লরিল সালফেট (এসএলএস) বা সোডিয়াম লরেথ সালফেট (এসএলইএস) থাকে। এগুলো স্ক্যাল্পের প্রাকৃতিক পিএইচের ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে এবং প্রাকৃতিক তেলও সরিয়ে দিতে পারে। বিশেষ করে ঘন ঘন ব্যবহার করলে ক্ষতির সম্ভাবনা বেশি।

ডা. ধনরাজ বলেন, “বেশিরভাগ মানুষ প্রতিদিনই চুল ধুতে পারেন যদি তারা মাইল্ড বা সালফেট-ফ্রি শ্যাম্পু ব্যবহার করেন। আসল পার্থক্যটা এখানেই।”
কখন প্রতিদিন চুল ধোয়া উচিত নয়?
তবে কিছু ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম আছে বলে জানান বিশেষজ্ঞরা। যেমন, সেবোরিক ডার্মাটাইটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের খুব সতর্ক থাকতে হয়। অতিমাত্রা চুল ধোয়া এসব রোগীদের জন্য ক্ষতিকর। এমনকি স্ক্যাল্প অতিরিক্ত তৈলাক্ত বা খুশকি থাকলেও প্রতিদিন চুলে শ্যাম্পু দেওয়া যাবে না। এসব ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী দুই বা তিন দিন পরপর বিশেষ শ্যাম্পু ব্যবহার করাই ভালো।
বিশেষজ্ঞদের মতে, যাদের চুল রঙ করা বা কেমিক্যাল ট্রিটমেন্ট করা, তাদের জন্য ঘন ঘন চুল না ধোয়া চুলের টেক্সচার ও স্থায়িত্ব ধরে রাখতে সাহায্য করে। তবে এটি মূলত চুলের সৌন্দর্য রক্ষার বিষয়, স্ক্যাল্পের স্বাস্থ্য নয়।
প্রতিদিন চুল ধোয়া খারাপ নয়। অনেকের জন্য এটি স্বাস্থ্যকর রুটিনের অংশ। আসল সমস্যা হলো স্ক্যাল্পের যত্ন না নেওয়া বা ভুল প্রোডাক্ট ব্যবহার করা।
তাই চুল ধোয়া কমানোর আগে ভালো করে ভাবা দরকার— শ্যাম্পু ঠিক আছে কি না, স্ক্যাল্প কী চায়, আর আপনার রুটিন সত্যিই আপনার জন্য কাজ করছে কি না।

প্রতিদিন চুল ধোয়া উচিত কিনা সৌন্দর্য সচেতনদের মধ্যে এই বিতর্ক অনেকদিনের। বয়োজ্যেষ্ঠদের তেল দেওয়ার অভ্যাস আর ইনস্টাগ্রামের নানা হেয়ারকেয়ার টিপসের মাঝখানে এই ধারণা অনেকটা সত্য বলে ধরে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু আসলে কি প্রতিদিন চুল ধোয়া চুলের ক্ষতি করে? নাকি এটা শুধু একটি প্রচলিত ভুল ধারণা?

উইরাইড ও কিটার গল্প একই সুতোয় বাঁধা। উইরাইড চীনে এখনো নগদ খরচ করে যাচ্ছে। তারপরেও মধ্যপ্রাচ্যে পরিচালনাগত মুনাফা অর্জন করেছে। কিটা মেইতুয়ানের দেশীয় প্রতিযোগিতার মাধ্যমে পরিমার্জিত অপারেশনাল অবকাঠামো ও ডেলিভারি লজিস্টিক্স মোতায়েন করে মাত্র কয়েক মাসে সৌদি বাজারের উল্লেখযোগ্য অংশ দখল করেছে।