চরচা প্রতিবেদক

চট্টগ্রামের হালিশহরের একটি বাসায় জমে থাকা গ্যাস থেকে বিস্ফোরণের ঘটনায় ৯ জন দগ্ধ হয়েছেন। আজ সোমবার ভোর ৫টার দিকে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
উন্নত চিকিৎসার জন্য দগ্ধদের ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে আনা হয়েছে। এদের মধ্যে নুরজাহান আক্তার রানী নামে এক নারী চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।
আহতদের প্রথমে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে সন্ধ্যার পর থেকে পর্যায়ক্রমে তাদের ঢাকায় জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে স্থানান্তর করা হয়।
দগ্ধরা হলেন, শাখাওয়াত হোসেন,মো. শিপন, মো. সামির হোসেন সুমন, মো. শাওন, মো. আনাস,মো. আইমান, আয়েশা আক্তার (৪),পাখি আক্তার, নুরজাহান আক্তার রানী।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক সহকারী অধ্যাপক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, রাতে চট্টগ্রাম থেকে ৯ জন দগ্ধ রোগীকে আনা হলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসকরা নুরজাহান আক্তার রানীকে মৃত ঘোষণা করেন। তার শরীরের শতভাগ দগ্ধ ছিল।
শাওন বিন রহমান আরও জানান, শাখাওয়াত ও পাখি আক্তারের শরীরের ১০০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। শিপনের ৮০ শতাংশ, শাওনের ৫০ শতাংশ, সামিরের ৪৫ শতাংশ, আয়েশার ৪৫ শতাংশ, আইমানের ৩৮ শতাংশ এবং আনাসের শরীরের ৩০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। দগ্ধের পরিমাণ বেশি হওয়ায় সবার অবস্থাই আশঙ্কাজনক।
জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসির উদ্দিন বলেন, “ঘটনার পর চট্টগ্রাম থেকে রোগীদের ঢাকায় রেফার করার সম্ভাবনার কথা জানানো হয়েছিল। সে অনুযায়ী আমরা আগেই প্রস্তুতি নিয়েছিলাম। রোগীদের আনার সঙ্গে সঙ্গেই চিকিৎসা শুরু করা হয়েছে।”
নাসির উদ্দিন আরও জানান, কয়েকজনকে ইতোমধ্যে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেওয়া হয়েছে। বাকিদের অবস্থার পর্যবেক্ষণ শেষে প্রয়োজনে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হবে।

চট্টগ্রামের হালিশহরের একটি বাসায় জমে থাকা গ্যাস থেকে বিস্ফোরণের ঘটনায় ৯ জন দগ্ধ হয়েছেন। আজ সোমবার ভোর ৫টার দিকে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
উন্নত চিকিৎসার জন্য দগ্ধদের ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে আনা হয়েছে। এদের মধ্যে নুরজাহান আক্তার রানী নামে এক নারী চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।
আহতদের প্রথমে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে সন্ধ্যার পর থেকে পর্যায়ক্রমে তাদের ঢাকায় জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে স্থানান্তর করা হয়।
দগ্ধরা হলেন, শাখাওয়াত হোসেন,মো. শিপন, মো. সামির হোসেন সুমন, মো. শাওন, মো. আনাস,মো. আইমান, আয়েশা আক্তার (৪),পাখি আক্তার, নুরজাহান আক্তার রানী।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক সহকারী অধ্যাপক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, রাতে চট্টগ্রাম থেকে ৯ জন দগ্ধ রোগীকে আনা হলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসকরা নুরজাহান আক্তার রানীকে মৃত ঘোষণা করেন। তার শরীরের শতভাগ দগ্ধ ছিল।
শাওন বিন রহমান আরও জানান, শাখাওয়াত ও পাখি আক্তারের শরীরের ১০০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। শিপনের ৮০ শতাংশ, শাওনের ৫০ শতাংশ, সামিরের ৪৫ শতাংশ, আয়েশার ৪৫ শতাংশ, আইমানের ৩৮ শতাংশ এবং আনাসের শরীরের ৩০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। দগ্ধের পরিমাণ বেশি হওয়ায় সবার অবস্থাই আশঙ্কাজনক।
জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসির উদ্দিন বলেন, “ঘটনার পর চট্টগ্রাম থেকে রোগীদের ঢাকায় রেফার করার সম্ভাবনার কথা জানানো হয়েছিল। সে অনুযায়ী আমরা আগেই প্রস্তুতি নিয়েছিলাম। রোগীদের আনার সঙ্গে সঙ্গেই চিকিৎসা শুরু করা হয়েছে।”
নাসির উদ্দিন আরও জানান, কয়েকজনকে ইতোমধ্যে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেওয়া হয়েছে। বাকিদের অবস্থার পর্যবেক্ষণ শেষে প্রয়োজনে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হবে।