চরচা ডেস্ক

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান যুদ্ধের ফলে হরমুজ প্রণালীর নৌপথগুলো বিপজ্জনক হয়ে ওঠায় সিরিয়ার স্থলপথ ব্যবহার করে ইউরোপে জ্বালানি তেল রপ্তানি শুরু করেছে ইরাক।
সংবাদমাধ্যম মিডেল ইস্ট আইয়ের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, আল-তানফ সীমান্ত দিয়ে ইতোমধ্যেই জ্বালানি তেল সিরিয়ায় প্রবেশ করতে শুরু করেছে।
ইরাকের রাষ্ট্রীয় তেল বিপণন সংস্থার মহাপরিচালক আলী নজর জানিয়েছেন, সিরিয়া হয়ে প্রতিদিন ৫০ হাজার ব্যারেল ‘বসরা মিডিয়াম ক্রুড’ রপ্তানির বিষয়ে একটি চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। এই তেল সিরিয়ার বানিয়াস বন্দরের মাধ্যমে ইউরোপীয় বাজারে পৌঁছাবে।
অন্যদিকে সিরিয়ান পেট্রোলিয়াম কোম্পানি জানিয়েছে, প্রথম ধাপে ২৯৯টি ট্যাঙ্কার এই প্রক্রিয়ায় অংশ নিচ্ছে।
সিরীয় কর্মকর্তারা জানান, এই পদক্ষেপ সিরিয়াকে পুনরায় অঞ্চলের একটি ‘জ্বালানি করিডোর’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবে। এপ্রিল থেকে জুনের মধ্যে প্রতি মাসে প্রায় ৬ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেল পরিবহনের পরিকল্পনা রয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারিতে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে বিশ্ববাজারে তেলের দাম আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুড ব্যারেল প্রতি ১১৯ ডলারে গিয়ে ঠেকেছে।

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান যুদ্ধের ফলে হরমুজ প্রণালীর নৌপথগুলো বিপজ্জনক হয়ে ওঠায় সিরিয়ার স্থলপথ ব্যবহার করে ইউরোপে জ্বালানি তেল রপ্তানি শুরু করেছে ইরাক।
সংবাদমাধ্যম মিডেল ইস্ট আইয়ের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, আল-তানফ সীমান্ত দিয়ে ইতোমধ্যেই জ্বালানি তেল সিরিয়ায় প্রবেশ করতে শুরু করেছে।
ইরাকের রাষ্ট্রীয় তেল বিপণন সংস্থার মহাপরিচালক আলী নজর জানিয়েছেন, সিরিয়া হয়ে প্রতিদিন ৫০ হাজার ব্যারেল ‘বসরা মিডিয়াম ক্রুড’ রপ্তানির বিষয়ে একটি চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। এই তেল সিরিয়ার বানিয়াস বন্দরের মাধ্যমে ইউরোপীয় বাজারে পৌঁছাবে।
অন্যদিকে সিরিয়ান পেট্রোলিয়াম কোম্পানি জানিয়েছে, প্রথম ধাপে ২৯৯টি ট্যাঙ্কার এই প্রক্রিয়ায় অংশ নিচ্ছে।
সিরীয় কর্মকর্তারা জানান, এই পদক্ষেপ সিরিয়াকে পুনরায় অঞ্চলের একটি ‘জ্বালানি করিডোর’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবে। এপ্রিল থেকে জুনের মধ্যে প্রতি মাসে প্রায় ৬ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেল পরিবহনের পরিকল্পনা রয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারিতে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে বিশ্ববাজারে তেলের দাম আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুড ব্যারেল প্রতি ১১৯ ডলারে গিয়ে ঠেকেছে।