
ইরানের বর্তমান উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে একটি প্রশ্ন বারবার সামনে আসছে: আমেরিকা কি ইরানে সামরিক অভিযান চালাবে? তবে আক্রমণ করলেই যে সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে, বিষয়টি মোটেও তেমন নয়। বিবিসির সিনিয়র করেসপনডেন্ট ফ্রাঙ্ক গার্ডনার ইরানের ওপর মার্কিন হামলার প্রতিক্রিয়ায় সম্ভাব্য সাতটি দৃশ্যপট বিশ্লেষণ করেছেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভেনেজুয়েলাকে নিজের কব্জায় নিয়ে নিয়েছেন বললে ভুল হবে না। তারপর তিনি কোথায় হাত দেবেন? ইরানে? কিন্তু ইরানের সঙ্গে পেরে ওঠা কি ভেনেজুয়েলার মতো সহজ হবে? আলোচনায় চরচার পরামর্শক সম্পাদক শাকিল আনোয়ার।

ভয়াবহ দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের শেষে জাতিসংঘের জন্ম হয়। ১৯৪৫ সালের ২৬শে জুন আমেরিকার সানফ্রান্সিসকো শহরে জাতিসংঘের চার্টার সাক্ষরিত হয়। একই বছরের ২৪শে অক্টোবর এটি কার্যকর করা হয়। জাতিসংঘের চার্টারের মূল কথা হলো, সকল সদস্য রাষ্ট্রের পরস্পরের সার্বভৌমত্বের প্রতি সমান মূল্যবোধ। এরপর আর একটি মূল্যবান ঘোষণা পত্

আইন আল–আসাদ ঘাঁটিটি দীর্ঘদিন ধরে আঞ্চলিক উত্তেজনার অন্যতম কেন্দ্র ছিল। বিশেষ করে ২০২০ সালে ইরানি জেনারেল কাসেম সোলাইমানি নিহত হওয়ার পর ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর একাধিক হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছিল ঘাঁটিটি।

ভেনেজুয়েলায় ঝটিকা অভিযানে প্রেসিডেন্ট মাদুরো আটক, ট্রাম্প একে শক্তির প্রদর্শন বলছেন। তবে বিশ্লেষকরা সতর্ক করছেন, এই পদক্ষেপ আফগানিস্তান–ইরাকের মতোই ব্যর্থ হতে পারে। এই ঘটনা নতুন করে অস্থিরতা ও সংঘাতের শঙ্কা বাড়ছে বিশ্বজুড়ে।

আরিস্তিদ পরবর্তীকালে দাবি করেন যে, তাকে জোরপূর্বক ক্ষমতা থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। আমেরিকার কর্মকর্তারা তাকে পদত্যাগ করার জন্য তীব্র চাপ প্রয়োগ করেন এবং কার্যত অপহরণ করে দেশত্যাগে বাধ্য করা হয়।

একবিংশ শতাব্দীর শুরুতে আফগানিস্তান ও ইরাকে মার্কিন হস্তক্ষেপের যে চিত্র বিশ্ব দেখেছিল, ২০২৬ সালে এসে ভেনেজুয়েলায় ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক পদক্ষেপ সেই স্মৃতিকেই উসকে দিচ্ছে। গত শনিবার ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে এক ঝটিকা অভিযান চালিয়ে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করেছে মার্কিন স্পেশাল ফো

ইরাকের সংস্কৃতির প্রাণকেন্দ্র হিসেবে খ্যাত বাগদাদের ঐতিহাসিক আল-মুতানাব্বি স্ট্রিটের নিচে লুকিয়ে আছে এক অনন্য বইয়ের দোকান। আর এর নেপথ্যে রয়েছেন ৬৮ বছর বয়সী এক নিবেদিতপ্রাণ মানুষ- আদনান জাফর ঘানি। তাঁর এই দোকানে আছে হাজার হাজার বইয়ের সমাহার।

ইরাকিরা ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার রাখে। বিশ্ব অধিকার রাখে সত্য প্রতিষ্ঠার। আর মৃতেরা অধিকার রাখে তাদের স্মরণ করার। এবং ইতিহাসের উচিত চেনি ও বুশকে নেতা নয়, বরং সেই যুদ্ধাপরাধী হিসেবে মনে রাখা, যারা তাদের প্রাপ্য জবাবদিহি এড়িয়েছেন।

হঠাৎ কী এমন হলো যে ৭৬ বছর পর বিভাগের নাম বদল করার দরকার পড়ল? তাহলে কী আমেরিকা বড় কোনো যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে?