চরচা প্রতিবেদক

অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর ১৫ সেপ্টেম্বর প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ফার্নেস অয়েল এবং জেট এ-১ এর দাম নির্ধারণের এখতিয়ার বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) ওপর ন্যস্ত করে। প্রজ্ঞাপনের পর ২০২৫ সালের ২০ জানুয়ারি জেট ফুয়েল ও ফার্নেস অয়েলের দাম নির্ধারণের প্রস্তাব জমা দেয় বিপিসি। ওই প্রস্তাবের পর শুধু জেট ফুয়েলের দামের গণশুনানি করে মে মাসে জেট ফুয়েলের দাম ঘোষণা করেছে বিইআরসি। এরপর প্রতিমাসে জেট ফুয়েলের দর সমন্বয় করা হচ্ছে। আইনী প্রক্রিয়া গণশুনানির তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ২৯ জানুয়ারি।
আগের সরকারের সময়ে বিইআরসিকে পাশ কাটিয়ে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) ফার্নেস অয়েলের দাম নির্ধারণ করে এসেছে।
কিন্তু বিপিসি লাইসেন্স গ্রহণ করলেও ২০১২ সালের পর আর বিইআরসির লাইসেন্স নবায়ন করেনি। যে কারণে ফার্নেস অয়েলের দামের গণশুনানি ঝুলে যায়। অবশেষে লাইসেন্স নবায়ন করার গণশুনানির তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিইআরসি।
চাহিদার দিক থেকে ডিজেলের পরেই রয়েছে ফার্নেস অয়েলের ব্যবহার। এই জ্বালানির সবচেয়ে বড় গ্রাহক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ৯ লাখ ৫৫ হাজার ৯১২ মে. টন বিক্রয় হয়েছে। এরমধ্যে ইআরএল থেকে পরিশোধনের মাধ্যমে ৩৪ দশমিক ৮৭ শতাংশ, অবশিষ্ট ৬৫ দশমিক ১৪ শতাংশ বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়েছে।
কনজুমারস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা এম শামসুল আলম চরচাকে বলেন, বিপিসি একই সঙ্গে বিক্রেতা তারাই আবার দাম নির্ধারণ করে। এতে জবাবদিহিতা থাকে না, ভোক্তাদের অংশগ্রহণ থাকে না। বিইআরসিতে এলে যুক্তিতর্কের মাধ্যমে কোম্পানিগুলোর অনেক অনিয়ম ও দুর্নীতি সামনে চলে আসে। এতে ভোক্তার স্বার্থ রক্ষা করা সম্ভব হয়।
এম শামসুল আলম বলেন, "সরকার প্রবিধানমালা ঝুলিয়ে রাখবে এটা আমাদের কাছে বিস্ময়কর। আগের সরকারের মতোই আমলাদের কাছে নতিস্বীকার করেছে। এখানে বিইআরসিরও ব্যর্থতা রয়েছে, প্রবিধান না থাকার পর যদি এলপিজি, জেট ফুয়েলের দাম নির্ধারণ করতে পারে। তাহলে অন্যগুলো নয় কেনো! জ্বালানি তেল ইস্যুতে সরকারের ভূমিকায় অনেকটা হতাশ।"
বিইআরসির শুনানি কক্ষে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া গণশুনানিতে অংশ নিতে চাইলে ২২ জানুয়ারির মধ্যে লিখিত আবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর ১৫ সেপ্টেম্বর প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ফার্নেস অয়েল এবং জেট এ-১ এর দাম নির্ধারণের এখতিয়ার বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) ওপর ন্যস্ত করে। প্রজ্ঞাপনের পর ২০২৫ সালের ২০ জানুয়ারি জেট ফুয়েল ও ফার্নেস অয়েলের দাম নির্ধারণের প্রস্তাব জমা দেয় বিপিসি। ওই প্রস্তাবের পর শুধু জেট ফুয়েলের দামের গণশুনানি করে মে মাসে জেট ফুয়েলের দাম ঘোষণা করেছে বিইআরসি। এরপর প্রতিমাসে জেট ফুয়েলের দর সমন্বয় করা হচ্ছে। আইনী প্রক্রিয়া গণশুনানির তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ২৯ জানুয়ারি।
আগের সরকারের সময়ে বিইআরসিকে পাশ কাটিয়ে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) ফার্নেস অয়েলের দাম নির্ধারণ করে এসেছে।
কিন্তু বিপিসি লাইসেন্স গ্রহণ করলেও ২০১২ সালের পর আর বিইআরসির লাইসেন্স নবায়ন করেনি। যে কারণে ফার্নেস অয়েলের দামের গণশুনানি ঝুলে যায়। অবশেষে লাইসেন্স নবায়ন করার গণশুনানির তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিইআরসি।
চাহিদার দিক থেকে ডিজেলের পরেই রয়েছে ফার্নেস অয়েলের ব্যবহার। এই জ্বালানির সবচেয়ে বড় গ্রাহক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ৯ লাখ ৫৫ হাজার ৯১২ মে. টন বিক্রয় হয়েছে। এরমধ্যে ইআরএল থেকে পরিশোধনের মাধ্যমে ৩৪ দশমিক ৮৭ শতাংশ, অবশিষ্ট ৬৫ দশমিক ১৪ শতাংশ বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়েছে।
কনজুমারস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা এম শামসুল আলম চরচাকে বলেন, বিপিসি একই সঙ্গে বিক্রেতা তারাই আবার দাম নির্ধারণ করে। এতে জবাবদিহিতা থাকে না, ভোক্তাদের অংশগ্রহণ থাকে না। বিইআরসিতে এলে যুক্তিতর্কের মাধ্যমে কোম্পানিগুলোর অনেক অনিয়ম ও দুর্নীতি সামনে চলে আসে। এতে ভোক্তার স্বার্থ রক্ষা করা সম্ভব হয়।
এম শামসুল আলম বলেন, "সরকার প্রবিধানমালা ঝুলিয়ে রাখবে এটা আমাদের কাছে বিস্ময়কর। আগের সরকারের মতোই আমলাদের কাছে নতিস্বীকার করেছে। এখানে বিইআরসিরও ব্যর্থতা রয়েছে, প্রবিধান না থাকার পর যদি এলপিজি, জেট ফুয়েলের দাম নির্ধারণ করতে পারে। তাহলে অন্যগুলো নয় কেনো! জ্বালানি তেল ইস্যুতে সরকারের ভূমিকায় অনেকটা হতাশ।"
বিইআরসির শুনানি কক্ষে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া গণশুনানিতে অংশ নিতে চাইলে ২২ জানুয়ারির মধ্যে লিখিত আবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।