চরচা ডেস্ক

পরবর্তী নির্বাচিত সরকারকে বড় ধরনের অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ। বার্তা সংস্থা বাসসের এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, আজ সোমবার রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে সোনালী ব্যাংকের বার্ষিক সম্মেলন ২০২৬-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, ”অন্তর্বর্তী সরকার অর্থনীতিকে তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল রাখতে সক্ষম হয়েছে এবং এ সময়ে অনেক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়েছে।”
উপদেষ্টা আরও বলেন, ”অন্তর্বর্তী সরকার অর্থনীতিকে তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা করেছে এবং অনেক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেছে। তবে সামনে যে চ্যালেঞ্জগুলো রয়েছে, সেগুলো আরও বড়।”
তিনি স্বীকার করেন, এখন পর্যন্ত গৃহীত সংস্কারগুলো পর্যাপ্ত নয়, তবে সেগুলো পরবর্তী সরকারের জন্য সহায়ক হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ”কিন্তু সামনে যে চ্যালেঞ্জগুলো রয়েছে, সেগুলো আরও কৌশলীভাবে মোকাবিলা করতে হবে।”
সোনালী ব্যাংকের কর্মকর্তাদের পেশাদারিত্ব বজায় রাখার পরামর্শ দিয়ে উপদেষ্টা বলেন, ”সব সময় সরাসরি ‘না’ বলা যায় না। বরং দরকষাকষির দক্ষতা অর্জন করতে হবে এবং অর্থনৈতিক নীতি, ব্যাংকিং আইন ও নিরীক্ষা (অডিট) নীতিমালা ব্যাখ্যা করতে হবে।”
ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগে (এসএমই) ঋণ বিতরণে আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ”এসএমই খাত কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তারা বেশি ঋণ সহায়তার দাবিদার, আর বড় ব্যবসায় ঋণ দেওয়ায় ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে বেশি।”
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ. মনসুর। এছাড়া অনুষ্ঠানে আরও ছিলেন, সোনালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী, সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শওকত আলী খান, অর্থ সচিব মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব নাজমা মোবারেক।

পরবর্তী নির্বাচিত সরকারকে বড় ধরনের অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ। বার্তা সংস্থা বাসসের এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, আজ সোমবার রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে সোনালী ব্যাংকের বার্ষিক সম্মেলন ২০২৬-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, ”অন্তর্বর্তী সরকার অর্থনীতিকে তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল রাখতে সক্ষম হয়েছে এবং এ সময়ে অনেক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়েছে।”
উপদেষ্টা আরও বলেন, ”অন্তর্বর্তী সরকার অর্থনীতিকে তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা করেছে এবং অনেক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেছে। তবে সামনে যে চ্যালেঞ্জগুলো রয়েছে, সেগুলো আরও বড়।”
তিনি স্বীকার করেন, এখন পর্যন্ত গৃহীত সংস্কারগুলো পর্যাপ্ত নয়, তবে সেগুলো পরবর্তী সরকারের জন্য সহায়ক হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ”কিন্তু সামনে যে চ্যালেঞ্জগুলো রয়েছে, সেগুলো আরও কৌশলীভাবে মোকাবিলা করতে হবে।”
সোনালী ব্যাংকের কর্মকর্তাদের পেশাদারিত্ব বজায় রাখার পরামর্শ দিয়ে উপদেষ্টা বলেন, ”সব সময় সরাসরি ‘না’ বলা যায় না। বরং দরকষাকষির দক্ষতা অর্জন করতে হবে এবং অর্থনৈতিক নীতি, ব্যাংকিং আইন ও নিরীক্ষা (অডিট) নীতিমালা ব্যাখ্যা করতে হবে।”
ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগে (এসএমই) ঋণ বিতরণে আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ”এসএমই খাত কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তারা বেশি ঋণ সহায়তার দাবিদার, আর বড় ব্যবসায় ঋণ দেওয়ায় ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে বেশি।”
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ. মনসুর। এছাড়া অনুষ্ঠানে আরও ছিলেন, সোনালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী, সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শওকত আলী খান, অর্থ সচিব মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব নাজমা মোবারেক।